ব্রেকিং
  • Home /
  • হেডলাইনস /
  • HC Supernumerary Post : সুপার নিউমোরিক পোস্ট নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের কাছে লিখিত জবাব তলব

HC Supernumerary Post : সুপার নিউমোরিক পোস্ট নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের কাছে লিখিত জবাব তলব

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। সুপার নিউমেরিক পোস্ট সৃষ্টির কারণ জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু নির্দেশ দেন, আগামী ৬ মে’র মধ্যে এই পদ সৃষ্টির যৌক্তিকতা লিখিতভাবে জমা দিতে হবে। শারীরিক শিক্ষা ও কর্মশিক্ষার....

HC Supernumerary Post : সুপার নিউমোরিক পোস্ট নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের কাছে লিখিত জবাব তলব

  • Home /
  • হেডলাইনস /
  • HC Supernumerary Post : সুপার নিউমোরিক পোস্ট নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ, রাজ্যের কাছে লিখিত জবাব তলব

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। সুপার নিউমেরিক পোস্ট সৃষ্টির কারণ জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

সুপার নিউমেরিক পোস্ট সৃষ্টির কারণ জানাতে রাজ্য সরকারের প্রতি লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু নির্দেশ দেন, আগামী ৬ মে’র মধ্যে এই পদ সৃষ্টির যৌক্তিকতা লিখিতভাবে জমা দিতে হবে। শারীরিক শিক্ষা ও কর্মশিক্ষার শিক্ষক নিয়োগে প্রায় ছ’হাজার অতিরিক্ত শূন্যপদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
বিচারপতি বসু জানতে চান, “এই পদগুলো কাদের জন্য? কেন এই সিদ্ধান্ত?” রাজ্য জানিয়েছে, নিয়োগে স্থগিতাদেশ উঠলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের শিক্ষা দফতর এসএসসি’র মাধ্যমে এই শূন্যপদ সৃষ্টির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, যা মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছিল। তবে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এটিকে আইনসঙ্গত নয় বলে ঘোষণা করে। সুপ্রিম কোর্ট অবশ্য হাইকোর্টের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ খারিজ করে জানায়, রাজ্য মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। শীর্ষ আদালতের মতে, রাজ্যপালের অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিয়ে শূন্যপদ সৃষ্টি বৈধ। এই রায়ে মন্ত্রিসভার ওপর সিবিআই তদন্তের চাপ কমলেও, হাইকোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশে বিষয়টি ফের আলোচনায়।
এর মাঝেই উচ্চ আদালতের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগের দাবিতে তাঁরা নিয়োগের দাবিতে বহুদিন ধরে রাজপথে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন। মরণপণ লড়াইয়ের লক্ষ্য একটাই, পরিশ্রমের ফলে মেধাতালিকায় নাম উঠেছে, সেই প্রাপ্য চাকরিতে যেন তাঁদের নিয়োগ করা হয়। কিন্তু এনিয়ে মামলা-মোকদ্দমার জটে তা আটকে রয়েছে। শুক্রবারও তাঁরা বিক্ষোভে শামিল হয়ে জোর গলায় দাবি তুললেন, চাকরি চাই। প্রশ্ন তুললেন, কেন অতিরিক্ত শূন্যপদ নিয়ে রাজ্য সরকারের অধিকারকে সুপ্রিম কোর্ট স্বীকৃতি দেওয়ার পরও নিয়োগ কেন আটকাচ্ছে হাই কোর্ট? এ বিষয়ে তাঁরা দায়ী করলেন সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। পুলিশ পরে তাঁদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সূত্রের খবর, রাজ্যের তৈরি সুপার নিউমোরিক পোস্টের দৌলতেই এরা চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, “বিকাশবাবুর মতো একাংশ আইনজীবী কথায় কথায় আদালতের দ্বারস্থ হয়ে একাংশ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি খেতে উঠে পড়ে লেগেছেন।” এরই প্রতিবাদ জানাতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি। এদিন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর চেম্বারের সামনে ‘চোর’, ‘চোর’ স্লোগানও দিতে থাকেন তাঁরা। সূত্রের খবর, বিকাশবাবু চেম্বার নেই।

আজকের খবর