ব্রেকিং
  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Mamata wins in Supreme Court : উপাচার্য নিয়োগে মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশই চূড়ান্ত, সুপ্রিম কোর্টে মমতার বড় জয়

Mamata wins in Supreme Court : উপাচার্য নিয়োগে মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশই চূড়ান্ত, সুপ্রিম কোর্টে মমতার বড় জয়

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করে সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশ মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়....

Mamata wins in Supreme Court : উপাচার্য নিয়োগে মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশই চূড়ান্ত, সুপ্রিম কোর্টে মমতার বড় জয়

  • Home /
  • রাজনীতি /
  • Mamata wins in Supreme Court : উপাচার্য নিয়োগে মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশই চূড়ান্ত, সুপ্রিম কোর্টে মমতার বড় জয়

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করে সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন বাংলার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা করে সুপ্রিম কোর্টে হেরে গেলেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রীর সুপারিশ মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অধ্যাপক সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে, কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী কর্তৃক চিহ্নিত ‘অর্ডার অফ প্রেফারেন্স’-এর তালিকার এক নম্বর প্রার্থীকে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

এই রায় এমন এক সময়ে এলো, যখন রাজ্য এবং রাজ্যপালের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন চলছিল। রাজ্য সরকার এবং রাজভবনের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে মতবিরোধ প্রায়শই শিরোনামে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ রাজ্য সরকারের পক্ষে একটি উল্লেখযোগ্য জয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

সর্বোচ্চ আদালত আজ কেবল এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের বিষয়েই নির্দেশ দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি চার সপ্তাহ পর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে চলা বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চ আজ এই নির্দেশ জারি করেছে, যা রাজ্যপালের ক্ষমতা এবং মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দের তালিকায় নতুন মাত্রা যোগ করল।

 

পুরোনো নির্দেশিকা ও নতুন জটিলতা

২০২৪ সালের ৮ই জুলাই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইউ. ইউ. ললিতের নেতৃত্বাধীন সিলেকশন কমিটি উপাচার্য পদপ্রার্থীদের পৃথকভাবে মূল্যায়ন করে একটি তালিকা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সেই তালিকা বিচার করে নিজের ‘অর্ডার অফ প্রেফারেন্স’ রাজ্যপালের কাছে পাঠাবেন। কিন্তু রাজ্যের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়ায় ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাছাই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়, যা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।

আজকের শুনানির পর সুপ্রিম কোর্ট এই অচলাবস্থা নিরসনে সরাসরি হস্তক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, বিচারপতি ইউ. ইউ. ললিতের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চই এবার উভয় পক্ষের বক্তব্যকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে নিরপেক্ষভাবে এই ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ‘অর্ডার অফ প্রেফারেন্স’ তৈরি করবে। বিচারপতি ললিতকে যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত এক অর্থে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের সরাসরি প্রভাবকে খর্ব করল।

যদিও ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত তালিকা তৈরির ভার বিচারপতি ললিতের কমিটির উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, তবে দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে আজই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবং কোচবিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর চিহ্নিত ‘অর্ডার অফ প্রেফারেন্স’ তালিকার এক নম্বর প্রার্থীকে নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চার সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্দেশের ফলে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা প্রশাসনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো, যেখানে বিচার বিভাগের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

আজকের খবর