ব্রেকিং
  • Home /
  • এন্টারটেইনমেন্ট /
  • Zubeen Garg death : সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গ, শোকস্তব্ধ অসম ও সারা দেশ

Zubeen Garg death : সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গ, শোকস্তব্ধ অসম ও সারা দেশ

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   অসমের কিংবদন্তি শিল্পী ও সাংস্কৃতিক আইকন জুবিন গর্গ আর নেই। সিঙ্গাপুরে এক মর্মান্তিক স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় মাত্র ৫২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন এই জনপ্রিয় গায়ক। খবর অনুযায়ী, সমুদ্র থেকে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে....

Zubeen Garg death : সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গ, শোকস্তব্ধ অসম ও সারা দেশ

  • Home /
  • এন্টারটেইনমেন্ট /
  • Zubeen Garg death : সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় প্রয়াত গায়ক জুবিন গর্গ, শোকস্তব্ধ অসম ও সারা দেশ

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   অসমের কিংবদন্তি শিল্পী ও সাংস্কৃতিক আইকন জুবিন গর্গ আর নেই। সিঙ্গাপুরে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

অসমের কিংবদন্তি শিল্পী ও সাংস্কৃতিক আইকন জুবিন গর্গ আর নেই। সিঙ্গাপুরে এক মর্মান্তিক স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় মাত্র ৫২ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন এই জনপ্রিয় গায়ক। খবর অনুযায়ী, সমুদ্র থেকে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা আর তাঁকে বাঁচাতে পারেননি।

 

জানা গিয়েছে, জুবিন গর্গ সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যালে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। ২০ সেপ্টেম্বর তাঁর মঞ্চে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই দুর্ঘটনার খবরে স্তম্ভিত ভক্তকূল ও সমগ্র আসাম।

 

সাংস্কৃতিক জগতের অপূরণীয় ক্ষতি

 

জুবিন গার্গকে আসামের মানুষ শুধু একজন গায়ক হিসেবেই নয়, বরং তাঁদের “ভয়েস অব আসাম” হিসেবে দেখতেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল অনন্য মায়া, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মোহিত করেছে। আসাম, উত্তর-পূর্ব ভারত, এমনকি সমগ্র দেশের সঙ্গীতজগত আজ শোকাহত।

 

পূর্ব রাজ্যসভার সাংসদ রিপুন বরা সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন –

“আমাদের সাংস্কৃতিক প্রতীক জুবিন গার্গের অকাল প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর কণ্ঠ, সঙ্গীত এবং অদম্য মনোবল প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি রইল সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমাও, লিজেন্ড।”

 

জাতীয় খ্যাতি অর্জন

 

যদিও আসামে তিনি বহু আগে থেকেই জনপ্রিয় ছিলেন, তবুও বলিউডে তাঁর পরিচিতি আসে ‘ইয়া আলি’ গানের মাধ্যমে, যা ২০০৬ সালের গ্যাংস্টার ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। গানটি ভারতজুড়ে জনপ্রিয়তা পায় এবং জুবিনকে জাতীয় খ্যাতি এনে দেয়।

 

এরপর তিনি বলিউডে একের পর এক হিট গান উপহার দেন, যেমন—

 

দিল তু হি বাত্তা (কৃষ ৩)

 

জানে কি চাহে মন (পেয়ার কে সাইড ইফেক্টস)

 

 

শুধু হিন্দি নয়, তিনি গেয়েছেন অসমীয়া, বাংলা, নেপালি এবং আরও বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায়। ফলে তাঁর ভক্তবৃত্তি সীমান্ত ছাড়িয়ে বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল।

 

ভক্তদের শোকবার্তা

 

সামাজিক মাধ্যমে ভক্তরা ভরে তুলেছেন শোক ও শ্রদ্ধার বার্তায়। কারও মতে, তাঁর চলে যাওয়া মানে আসামের সংস্কৃতি ও সংগীতে এক অন্ধকার অধ্যায়ের সূচনা। অনেকেই বলেছেন, জুবিন ছিলেন শুধুমাত্র গায়ক নন, তিনি ছিলেন একজন আবেগ, একজন আন্দোলন।

জুবিন গার্গের হঠাৎ প্রয়াণ আসামের সঙ্গীতাঙ্গন ও ভারতের সাংস্কৃতিক দুনিয়াকে শূন্য করে দিল। তাঁর গাওয়া গান, তাঁর কণ্ঠস্বর, এবং তাঁর জীবনের প্রতিটি সংগ্রাম আগামী দিনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সত্যিই, আজ আমরা হারালাম একজন কিংবদন্তিকে, যিনি তাঁর সুরের জাদুতে কোটি মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন।

 

আজকের খবর