ব্রেকিং
Latest Posts
Exit Poll 2026 : ২০৫-এর বেশি আসনে জিতে টানা চতুর্থবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতাই, দাবি একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষায়Mamata Bhabanipur : ‘জীবনে এমন দেখিনি, তা সত্ত্বেও বলছি তৃণমূলই জিতবে, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতব’ ভবানীপুর জিতে ফের মুখ্যমন্ত্রী হতে দৃঢ় প্রত্যয় মমতার২০২৬-এর গরমে উটি নয়! দক্ষিণ ভারতের ১০টি অফবিট স্বর্গে ঘুরে আসুন কম খরচেAbhishek against EC : ‘রাফালে আর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা শুধু বাকি আছে, ৪ তারিখ এদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না’ বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিষেকBike Permission: ‘বিহার-অসমেও কি একই বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল? গাড়ির ক্ষেত্রে কেন বিধি নিষেধ প্রযোজ্য হবে না?’ বাইকে কড়াকড়ি নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের
  • Home /
  • Durga Puja Celebration /
  • Mamata on GST remark against PM : জিএসটি নিয়ে কেউ কেউ বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন, যাঁরা ভাষণ দিচ্ছেন, তাঁদের নয়, ক্রেডিট হচ্ছে রাজ্যের – জিএসটি ছাড় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা মমতার

Mamata on GST remark against PM : জিএসটি নিয়ে কেউ কেউ বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন, যাঁরা ভাষণ দিচ্ছেন, তাঁদের নয়, ক্রেডিট হচ্ছে রাজ্যের – জিএসটি ছাড় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা মমতার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   জিএসটি নিয়ে কেউ কেউ বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন। আমি একটা কথাই বলি, এই যে ইন্সিওরেন্সের থেকে টাকা বা জিএসটি কমানো বা না থাকা। ফার্স্ট চিঠি আমি লিখি এবং বিভিন্ন সাধারণ ডাক থেকে শুরু করে বিভিন্ন....

Mamata on GST remark against PM : জিএসটি নিয়ে কেউ কেউ বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন, যাঁরা ভাষণ দিচ্ছেন, তাঁদের নয়, ক্রেডিট হচ্ছে রাজ্যের – জিএসটি ছাড় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা মমতার

  • Home /
  • Durga Puja Celebration /
  • Mamata on GST remark against PM : জিএসটি নিয়ে কেউ কেউ বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন, যাঁরা ভাষণ দিচ্ছেন, তাঁদের নয়, ক্রেডিট হচ্ছে রাজ্যের – জিএসটি ছাড় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা মমতার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।   জিএসটি নিয়ে কেউ কেউ বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন। আমি একটা কথাই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

 

জিএসটি নিয়ে কেউ কেউ বড় বড় ভাষণ দিচ্ছেন। আমি একটা কথাই বলি, এই যে ইন্সিওরেন্সের থেকে টাকা বা জিএসটি কমানো বা না থাকা। ফার্স্ট চিঠি আমি লিখি এবং বিভিন্ন সাধারণ ডাক থেকে শুরু করে বিভিন্ন জিনিসের উপরে। এভাবেই আজ কলকাতায় দুর্গাপুজো উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খোঁচা দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বিকেলে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়ে জিএসটি ছাড়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃতিত্ব দাবি করলেও সেই কৃতিত্ব আদতে মমতার বলেই দাবি করলেন তিনি। যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লীর মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, জিরেতে ট্যাক্স আর হিরেতে মুক্ত। হিরেতে ট্যাক্স নেই, জিরেতে ট্যাক্স আছে। মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছিল। এর জন্য ক্রেডিট কার জানেন? যাঁরা ভাষণ দিচ্ছেন, তাঁদের নয়, ক্রেডিট হচ্ছে রাজ্যের।

সেই সঙ্গে বিপুল অংকের এই জিএসটি ছাড়ের জন্য যে আদতে রাজ্য সরকারের কোষাগারে টান পড়বে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কোন ক্ষতি হবে না তাও স্পষ্ট করে মমতা বলেন, এর জন্য আমাদের রাজ্যের কত লোকসান হয়েছে জানেন? আমাদের রেভিনিউ আর্নিং যা দিয়ে আমি কখনও লক্ষ্ণীর ভান্ডার করি। কখনও বিনা পয়সায় রেশন দিই। কখনও কৃষক বন্ধু দিই। কখনও সাইকেল দিই। কখনও ট্যাব দিই। আমরা বলেছি, কোনও ইন্সিওরেন্সের প্রিমিয়াম যেন বাড়ানো না হয়। এটার জন্য আমাদের রাজ্যে রেভিনিউ লোকসান হচ্ছে ৯০০ কোটি টাকা। বাদবাকি নিয়ে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা।

তবে পি এস টি ছাড়ে জোনের রাজ্য সরকারের যে ক্ষতি হবে তার জনস্বার্থে তিনি অন্য দিক থেকে মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়ে আরো একবার বাংলার প্রতি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও কনট্রিবিউশন নেই, ভাষণ দেওয়া ছাড়া। টাকাটা কেটেছে রাজ্যের জিএসটি থেকে। তার জন্য আমার দুঃখ নেই। সাধারণ মানুষের কাজটা হচ্ছে। এতে আমি খুশি। এর জন্য স্টেটকে কোনও কমপেনসেশন দেওয়া হয়নি। বিজেপির রাজ্যগুলিতে ওরা ঘুরিয়ে টাকা দেবে। আমাদের এখানে তো ১০০ দিনের কাজ বন্ধ। বাংলার বাড়ির কাজ বন্ধ। রাস্তার কাজ বন্ধ। জলের টাকা বন্ধ। সর্বশিক্ষা অভিযানের টাকা বন্ধ। ১৫৬টি কমিটি এসেছে। এখানে টিকটিকি দৌড়ালেও, কেন্দ্রের কমিটি চলে আসে। আর উত্তরপ্রদেশে কিছু হলে দেখতে পায় না। বিহারে কী হচ্ছে, চোখে দেখতে পায় না।

প্রধানমন্ত্রীর নাম না করেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এরা চোখে দেখতে পায় না। জিএসটির ক্রেডিট রাজ্যের, আমার রাজ্যের মানুষ যে বেনিফিট পাবে, তার জন্য আমাদের ২০ হাজার কোটি টাকার রেভিনিউ লস হচ্ছে। এটা স্টেটের জিএসটি, সেন্ট্রালের নয়। কাজেই পুজোর দিনে এগুলোর সুবিধা নিন। আমরা এটাই চাই, সাধারণ মানুষকে ইন্সিওরেন্সের টাকা যাতে দিতে না হয়। কই স্বাস্থ্যসাথীর জন্য তো আপনাদের টাকা দিতে হয় না। ওটার ইন্সিওরেন্স তো আমরা দিই। এক লক্ষ ৯২ হাজার কোটি টাকার মতো আমরা পাই। আরও ২০ হাজার কোটি টাকা গেল। গেল তার জন্য আমার দুঃখ নেই, কিন্তু আমাদের পাওনাটা আমাদের দিয়ে দাও। কাটল টাকা আমাদের! আর প্রচার হচ্ছে ওনাদের। এ এক আজব দেশ। কী ঘোরাচ্ছ ভাই? তোমার গায়ে লাগছে? মানুষকে আমার কথা শুনতে দাও, তোমাদের আমার কথা পছন্দ নাই হতে পারে। আমি যখন বলছি, আমি দায়িত্ব নিয়েই বলছি। এই টাকাটা তো আমাকে জোগাড় করতে হবে। কোথা থেকে করব?

 

নজরুল মঞ্চে জাগো বাংলা শারদীয়া সংখ্যার উদ্বোধন এবং গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হওয়ার পর মহালয়ার দিন শহরের বুকে একের পর এক পুজো উদ্বোধনে বের হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেলিমপুর পল্লীর দুর্গাপুজোতে তিনি হাজির হন। সেলিমপুর পল্লী সর্বজনীন দুর্গা মণ্ডপের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ৮৫ বছরে পদার্পণ করেছে সেলিমপুর দুর্গাপুজো। এ বছরে তাদের থিম ‘প্রহরী’। সেলিমপুরের পুজো মণ্ডপে মায়ের পায়ে পুষ্পার্ঘ্য দেওয়ার পাশাপাশি প্রদীপ প্রজ্জলন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেলিমপুরের ভাবনা এবং থিম ‘প্রহরী’ এই নামটি ভালো হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী তার প্রশংসা করেন। সেলিমপুরের মণ্ডপ খুব সুন্দর হয়েছে বলেও বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মণ্ডপগুলি তৈরি করতে ক্লাব গুলি যেভাবে একসাথে বসে একসাথে ভাবনা নিয়ে একসাথে তৈরি করছে তারও প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

যোধপুর পার্ক ৯৫ পল্লী অ্যাসোসিয়েশনের পুজো মঞ্চ থেকে নিজের পিতার জন্মস্থান সেই গ্রামের পুজোর পাশাপাশি নাকতলা উদয়ন সংঘের পুজোর উদ্বোধন করেন। চেতলায় অনলাইনে জেলার একাধিক পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ধ্যায় চেতলা অগ্রণী ক্লাবের দুর্গাপুজোর মণ্ডপে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রতিবারের মতো রবিবার সন্ধ্যায় দেবীর চোখ আঁকেন মুখ্যমন্ত্রী। জেলার পুজো গুলি অনলাইনে উদ্বোধন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ফের বাঙালি ও বাংলা ভাষায় ইস্যুতে সরব হন। বাংলা ভাষাকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলে ইংরেজরা কলকাতা থেকে রাজধানী দিল্লিতে তুলে নিয়ে গিয়েছেন এই উদাহরণকে সামনে এনে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন বাঙালি ও বাংলা ভাষাকে অপমান করলে বাংলা চুপ করে থাকবে না।

 

 

আজকের খবর