ব্রেকিং
Latest Posts
নবান্নে নীল-সাদার জমানা শেষ! এবার গেরুয়ার ছোঁয়া প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে, জোর জল্পনা রাজ্যজুড়েSuvendu Nandigram : “এরা কেউ ছাত্র নয়, এরা জামাতি, মৌলবাদী, বিদেশি টাকায় পুষ্ট” কলকাতায় ছাত্র আন্দোলনকারীদের স্বরূপ ফাঁস করলেন শুভেন্দুশঙ্করপুর ট্রলার দুর্ঘটনায় মৃত ১৫ মৎস্যজীবীর পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে সহায়তা, চাকরির আশ্বাসও; রামনগরে মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা৩৬ দিনের আন্দোলনের পর ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী; ‘এটা গণতন্ত্রের জয়’, আবেগঘন দাবি অভিজিৎ দীপকেরPM Modi : ‘থ্যাঙ্ক ইউ ফ্রেন্ডস’ বলতেই বিস্ফোরণ! মধ্যরাতের রিলে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন মোদী, জেন-জি-দের উদ্দেশে বার্তায় তোলপাড় নেটদুনিয়া
  • Home /
  • কলকাতা /
  • নবান্নে নীল-সাদার জমানা শেষ! এবার গেরুয়ার ছোঁয়া প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে, জোর জল্পনা রাজ্যজুড়ে

নবান্নে নীল-সাদার জমানা শেষ! এবার গেরুয়ার ছোঁয়া প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে, জোর জল্পনা রাজ্যজুড়ে

বদলে গেল নবান্নের নামফলকের রং। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসনিক ভবনেও দৃশ্যমান পরিবর্তন। এবার কি গোটা ভবনেই আসবে নতুন রঙের ছোঁয়া? শুরু জোর আলোচনা। প্রিয়াঙ্কা মান্না। কলকাতা সারাদিন। কলকাতা: বাংলার রাজনীতির পালাবদলের পর একের পর এক প্রতীকী পরিবর্তন নজরে আসছে। এবার....

নবান্নে নীল-সাদার জমানা শেষ! এবার গেরুয়ার ছোঁয়া প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে, জোর জল্পনা রাজ্যজুড়ে

  • Home /
  • কলকাতা /
  • নবান্নে নীল-সাদার জমানা শেষ! এবার গেরুয়ার ছোঁয়া প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে, জোর জল্পনা রাজ্যজুড়ে

বদলে গেল নবান্নের নামফলকের রং। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসনিক ভবনেও দৃশ্যমান পরিবর্তন। এবার কি গোটা ভবনেই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

বদলে গেল নবান্নের নামফলকের রং। রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রশাসনিক ভবনেও দৃশ্যমান পরিবর্তন। এবার কি গোটা ভবনেই আসবে নতুন রঙের ছোঁয়া? শুরু জোর আলোচনা।

প্রিয়াঙ্কা মান্না। কলকাতা সারাদিন।

কলকাতা: বাংলার রাজনীতির পালাবদলের পর একের পর এক প্রতীকী পরিবর্তন নজরে আসছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন (Nabanna)। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে পরিচিত নীল-সাদা রঙের পরিচিতির মধ্যে এবার দৃশ্যমান হল নতুন অধ্যায়। সোমবার সকালে নবান্ন চত্বরে নজর পড়তেই দেখা গেল, ভবনের মাথায় থাকা ‘নবান্ন’ নামফলকের রং বদলে গিয়েছে। নীলের জায়গা নিয়েছে গেরুয়া।

 

এই পরিবর্তন ঘিরেই রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা। কারণ, এটি শুধুই একটি রঙের পরিবর্তন নয়, বরং অনেকের মতে রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতীকও বটে।

 

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি ভবন, দফতর এবং জনপরিসরে রঙের পরিবর্তনের ছবি সামনে এসেছে। বহু জায়গায় আগের নীল-সাদা রঙের পরিবর্তে নতুন রঙের ব্যবহার শুরু হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু নবান্ন (Howrah)-এর নামফলকেও বদল স্পষ্ট।

 

তবে একটি বিষয় পরিষ্কার—এই মুহূর্তে পুরো ভবনের রং পরিবর্তন করা হয়নি। শুধুমাত্র ভবনের উপরে থাকা ‘নবান্ন’ লেখার ফলকের রং বদলানো হয়েছে। ফলে প্রশাসনিক ভবনের মূল কাঠামো এখনও আগের মতোই রয়েছে।

 

এই পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বেড়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই নামফলকের পরিবর্তন, নাকি ভবিষ্যতে পুরো প্রশাসনিক ভবনের বাইরের রংও নতুনভাবে সাজানো হবে? যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সরকার বদলের পরে প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক স্তরে প্রতীকী পরিবর্তন প্রায় সব রাজ্যেই দেখা যায়। বাংলাতেও সেই প্রবণতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। ফলে আগামী দিনে আরও কিছু সরকারি ভবন বা প্রকল্পে একই ধরনের পরিবর্তন দেখা গেলে তা অস্বাভাবিক হবে না বলেই মত তাঁদের।

 

এই পরিবর্তনের সঙ্গে সাম্প্রতিক আরও একটি সিদ্ধান্তকে একসঙ্গে দেখছেন অনেকে। সম্প্রতি রাজ্য সরকার জানিয়েছে, সরকারি স্কুলগুলির ইউনিফর্ম নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। ২০২২ সালে চালু হওয়া নীল-সাদা ইউনিফর্মের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলির পুরনো ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্ম ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা দফতরের এই পদক্ষেপও রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

ফলে একদিকে স্কুলের পোশাকে পরিবর্তন, অন্যদিকে নবান্নের নামফলকের নতুন রং—এই দুই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বার্তা খুঁজছেন অনেকেই। যদিও সরকারিভাবে এই পরিবর্তনগুলিকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বলেই ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

 

রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, রাজ্যের নতুন প্রশাসন নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় তুলে ধরতেই এই ধরনের দৃশ্যমান পরিবর্তনের পথে হাঁটছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের মতে, মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানের চেয়ে প্রতীকী পরিবর্তনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে এই বিষয়েও রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

সব মিলিয়ে নবান্নের নামফলকের রং পরিবর্তন আপাতদৃষ্টিতে ছোট ঘটনা হলেও, তার রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তর আলোচনা। আগামী দিনে এই পরিবর্তন কি শুধুই নামফলকে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি প্রশাসনিক ভবনের সামগ্রিক চেহারাতেও বড় বদল দেখা যাবে—সেই দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

নবান্নের এই নতুন রূপ কি শুধুই প্রতীকী পরিবর্তন, নাকি বাংলার প্রশাসনিক পরিচয়ের আরও বড় রূপান্তরের সূচনা? এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যজুড়ে।

আজকের খবর