ব্রেকিং
Latest Posts
  • Home /
  • কলকাতা /
  • HC On Upper Primary: চার সপ্তাহের মধ্যে চাকরি পেতে পারেন ১৪০০০ শিক্ষক, বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

HC On Upper Primary: চার সপ্তাহের মধ্যে চাকরি পেতে পারেন ১৪০০০ শিক্ষক, বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। আপার প্রাইমারি নিয়োগে ছাড়পত্র হাইকোর্টের। ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা। চার সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর হবে কাউন্সিলিং। বুধবার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথী....

HC On Upper Primary: চার সপ্তাহের মধ্যে চাকরি পেতে পারেন ১৪০০০ শিক্ষক, বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

  • Home /
  • কলকাতা /
  • HC On Upper Primary: চার সপ্তাহের মধ্যে চাকরি পেতে পারেন ১৪০০০ শিক্ষক, বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। আপার প্রাইমারি নিয়োগে ছাড়পত্র হাইকোর্টের। ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা। চার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

আপার প্রাইমারি নিয়োগে ছাড়পত্র হাইকোর্টের। ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা। চার সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর হবে কাউন্সিলিং। বুধবার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

আদালতের নির্দেশে ৯ বছর পর চাকরিতে জট কাটার সম্ভাবনা।

আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশন, উচ্চ প্রাথমিকের মামলায় যে ‘আপটার ইন্টারভিউ ওএমমার’ আসন পুনর্মূল্যায়ন করে ১৪৬৩ জনকে বাতিল করেছিল, সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। সেটা সংশোধন করে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, যাঁদের বাতিল করা হয়েছিল, তাঁদের আবার মেধাতালিকায় ঢোকাতে হবে। সঙ্গে ১৪ হাজার ৫২ জনের প্রত্যেককে মেধাতালিকায় রেখে কাউন্সিলিং করাতে হবে। কমিশনের পুরনো মেধাতালিকা ভুল ছিল।”

মামলার প্রেক্ষাপট

আপার প্রাইমারির টেট পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৫ সালের ১৬ অগস্ট। ২০১১ ও ২০১৫ সালের দুটি টেটের পরীক্ষার্থীরা এই পদে যোগ্য ছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ২০১৯ সালের ২৭ জুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলে পার্সোনালিটি টেস্ট হবে। কিন্তু সেখানে সঠিকভাবে নথি যাচাই করা হচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে মামলা হয়। এর মধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশন ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ করে। সেই তালিকায় একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে মামলা করা হয়।

বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চে ২০১৯ সালের ১৪ মার্চ মামলা হয়। ২০২০ সালের ১১ ডিসেম্বর রায়দানে পুরো প্যানেল বাতিল হয়ে পুনরায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশের পর অনলাইন ভেরিফিকেশন হয়। সেখানেও একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। মামলা হয় তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ঘরে।

তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় স্থগিতাদেশ দেন ইন্টারভিউ লিস্টের উপর। পরে স্থগিতাদেশ তুলে দিয়ে জানান, একটি ‘গ্রিভান্স মেকানিসম’ করা হচ্ছে। রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা হয়। মামলা যায় বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে।

২০২১ সালের ২০ জুলাই বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে ইন্টারভিউ সম্পন্ন হয়। ২০২৩ সালের ১৬ অগস্ট ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে ১৩ হাজার ৩৩৩ জন প্রার্থীর মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিচারপতি তালুকদার অবসর নেওয়ার ফলে মামলা যায় বিচারপতি সৌমেন সেনের ঘরে। তাঁর নির্দেশে ২০২৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর শুনানি পর্বে মেধা তালিকা অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদের কাউন্সিলিংয়ের নির্দেশ হয়।

দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ৭ মাস ধরে চলছে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির ১৪ হাজার ৩৩৯ চাকরিপ্রার্থীর শূন্যপদে আপার প্রাইমারি নিয়োগ প্রক্রিয়া। সেই মামলার জট কাটল আজ।

আজকের খবর