ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Assembly BJP Suvendu : শুভেন্দুর পরে এবারে বিধানসভা থেকে মার্শাল ডেকে ২ বিজেপি বিধায়ককে বের করে দিলেন অধ্যক্ষ

Assembly BJP Suvendu : শুভেন্দুর পরে এবারে বিধানসভা থেকে মার্শাল ডেকে ২ বিজেপি বিধায়ককে বের করে দিলেন অধ্যক্ষ

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিনেই বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ পরিণত হলো রীতিমতো রণক্ষেত্রে। মার্শালদের দিয়ে বিজেপির দুই বিধায়ককে বিধানসভার অধিবেশন থেকে বের করে দিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন বাদে মার্শালদের দিয়ে বিরোধী শিবিরের বিধায়কদের....

Assembly BJP Suvendu : শুভেন্দুর পরে এবারে বিধানসভা থেকে মার্শাল ডেকে ২ বিজেপি বিধায়ককে বের করে দিলেন অধ্যক্ষ

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Assembly BJP Suvendu : শুভেন্দুর পরে এবারে বিধানসভা থেকে মার্শাল ডেকে ২ বিজেপি বিধায়ককে বের করে দিলেন অধ্যক্ষ

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিনেই বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ পরিণত....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিনেই বিধানসভার অধিবেশন কক্ষ পরিণত হলো রীতিমতো রণক্ষেত্রে। মার্শালদের দিয়ে বিজেপির দুই বিধায়ককে বিধানসভার অধিবেশন থেকে বের করে দিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন বাদে মার্শালদের দিয়ে বিরোধী শিবিরের বিধায়কদের বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটল বিধানসভায়। অধ্যক্ষের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে কাগজ ছিঁড়ে, স্লোগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা।

বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মনকে সাসপেন্ডও করেন স্পিকার।

এ দিন বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে আলোচনা শুরু হওয়ার পর বক্তব্য রাখতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সরকারের সমালোচনা করতে শুরু করেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তখনই তাঁর বক্তব্যকে অপ্রাসঙ্গিক বলে দাবি করেন অধ্যক্ষ। এ নিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের মাইক বন্ধ করে দেন স্পিকার। অধ্যক্ষের এই আচরণের প্রতিবাদেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। বিক্ষোভ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে গেলে বিজেপি বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ এবং শঙ্কর ঘোষকে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য মার্শালদের নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ। এর পরেই ওই দুই বিধায়ককে অধিবেশন কক্ষ থেকে বের করে দেন বিধানসভার মার্শালরা।

এর প্রতিবাদে বাকি বিজেপি বিধায়করাও অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। বেরিয়ে যাওয়ার সময় কাগজ ছিঁড়ে ওড়ানোর জন্য বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মনকে সাসপেন্ড করেন অধ্যক্ষ। চলতি অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানান অধ্যক্ষ।

এর আগেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সাসপেন্ড করেছিলেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও তাঁর সাসপেনশন শেষ হয়নি। ফলে এ দিন অধিবেশন কক্ষে ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। অধ্যক্ষের এই সিদ্ধান্তের পাল্টা পদক্ষেপ কী হবে, তা ঠিক করতে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বৈঠকে বসছে বিজেপি-র পরিষদীয় দল।

অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘অধ্যক্ষের ক্ষমতাই চূড়ান্ত। তাঁর আদেশ সবাইকে মেনে চলতে হবে। অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা হয়েছে আজ এখানে। যা কোনও সদস্যের থেকে কাম্য নয়। তাই দীপক বর্মনকে সাসপেন্ড করা হল।’ তৃণমূলের পক্ষে নির্মল ঘোষ বলেন, ‘বিরোধীরা অবজ্ঞা করছেন অধিবেশনকে। অধ্যক্ষের নির্দেশ মানা হচ্ছে না।’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘উচ্চ মাধ্যমিকের পর বারুইপুরে সভা করে এই স্পিকারের মুখোশ খুলব। বাইরে যে গুন্ডামিটা তৃণমূলের গুন্ডাদের দিয়ে করাচ্ছেন, বিধানসভার ভিতরে সেটাই মার্শালদের দিয়ে করাচ্ছেন।’

বিরোধীকণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে অভিযোগ তুলে বিমানের ‘মুখোশ খুলতে’ ১৯ তারিখ বারুইপুরে মিছিলের ডাক দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সে খবর শুনে বিব্রত নন অধ্যক্ষ। বরং আনন্দিতই তিনি। শুভেন্দুকে পাল্টা দিয়ে বিমান বলেন, “বাহ, আমি মাইক বেঁধে দেব। মঞ্চ তৈরি করে দেব। তবে লোক তো আমি এনে দিতে পারব না। লোক আনতে হবে নন্দীগ্রাম থেকে। তবে একটা কথা বলতে পারি, এটা করলে আমার প্রচার জোরদার হবে।”

আজকের খবর