ব্রেকিং
  • Home /
  • Uncategorized /
  • Mamata on Jagannath Temple : “জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? বলা হচ্ছে আমি নাকি নিমগাছও চুরি করেছি” বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

Mamata on Jagannath Temple : “জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? বলা হচ্ছে আমি নাকি নিমগাছও চুরি করেছি” বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

“জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? বলা হচ্ছে আমি নাকি নিমগাছও চুরি করেছি।” সোমবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে পৌঁছে এভাবেই সম্প্রতি দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে উদ্ভূত বিতর্কের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াক, কালীপুজো, দুর্গাপুজো করলে....

Mamata on Jagannath Temple : “জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? বলা হচ্ছে আমি নাকি নিমগাছও চুরি করেছি” বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

  • Home /
  • Uncategorized /
  • Mamata on Jagannath Temple : “জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? বলা হচ্ছে আমি নাকি নিমগাছও চুরি করেছি” বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার

“জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? বলা হচ্ছে আমি নাকি নিমগাছও চুরি করেছি।” সোমবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

“জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? বলা হচ্ছে আমি নাকি নিমগাছও চুরি করেছি।” সোমবার দুপুরে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে পৌঁছে এভাবেই সম্প্রতি দিঘার জগন্নাথ মন্দির নিয়ে উদ্ভূত বিতর্কের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বরের স্কাইওয়াক, কালীপুজো, দুর্গাপুজো করলে প্রশ্ন হয় না। জগন্নাথধামটা খুব গায়ে লেগেছে না? আরে আমার বাড়িতেই তো চারটে নিমগাছ আছে। কটা দরকার জিজ্ঞেস করুন। আমাদের জিজ্ঞেস করতে হয় না। চোরের মায়ের বড় গলা। তুমি যদি হিন্দু হও বলবে না নিমকাঠ চুরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অবস্থা হয়নি।”

দিঘার মন্দিরের জগন্নাথদেবের বিগ্রহ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমাদের মার্বেলের তৈরি মূর্তি ছিল। মূর্তি তো কিনতেও পাওয়া যায়। আমার বাড়িতেও আছে। ওটা নিয়ে এসেছেন দ্বৈতপতি। আমি শুনেছি তাঁকে প্রশ্ন করেছে কেন পুজো করতে গিয়েছিল? নোটিফিকেশন দিয়েছে কেউ যাবে না জগন্নাথধামে। এত গায়ে লাগছে কেন? আমরা তো পুরীতে যাই। আমি পুরীতে গেলে আরএসএস, বিজেপি বিক্ষোভ দেখায়। ভুলে গিয়েছেন? লজ্জা করে না? জগন্নাথধাম নিয়ে এত হিংসা!” ওড়িশা সরকারের উদ্দেশ্যে মমতার মন্তব্য, “আপনাদের যখন আলুর টান পড়ে বাংলা জোগায়। আমি ওড়িশাকে ভালোবাসি। সাইক্লোনের বিদ্যুতের সব ভেঙে যায়। রাস্তার পাইপগুলো! ওয়্যার হাউস নষ্ট হয়ে যায়। ইঞ্জিনিয়ার চান। আমাদেরও সাইক্লোন হয়। তা সত্ত্বেও পাঠাই। বাংলার পর্যটকরা সবচেয়ে বেশি যায়। রথ, উল্টোরথে। আমরা যদি একটা জগন্নাথধাম করি, আপনাদের আপত্তির কী আছে? আপনারাও ভালো থাকুন। বাংলাও ভালো থাকুক।”

সোমবার মুখ্যমন্ত্রী রওনা দেন মুর্শিদাবাদের উদ্দেশ্যে। তবে খারাপ আবহাওয়ার জন্য তিনি হেলিকপ্টারে সেখানে যাচ্ছেন না বলে জানালেন। মুর্শিদাবাদ সফরের আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মুর্শিদাবাদে আমি আগেও যেতে পারতাম। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরই যাওয়া উচিত। অনেকদিন আগেই এখানে শান্তি ফিরে এসেছে।” এরপর মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, “জগন্নাথ ধামের অনুষ্ঠান ছিল। সেটা শেষ করেই আজ যাচ্ছি। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার জন্য এখন হেলিকপ্টারে যাওয়া উচিত নয়। কখনও বৃষ্টি আসে। কখনও টর্নেডো চলে আসে। এই জন্য অনেক আগে থেকেই জেলা সফরের পরিকল্পনা করতে হয়।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন এও বলেন, “আমি মঙ্গলবার ধুলিয়ান যাব। জানি ওরা সবাইকে দু’টো পরিবারকে নিয়ে চলে গিয়েছে। ঠিক আছে ওই পরিবার নিজের মর্জি অনুযায়ী চলে গেছে। আমরাও ওদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়েছি। কিন্তু কেউ যদি না নেয় আমার হাতে নেই। কিন্তু যে বা যাঁরা ক্ষতিপূরণ নিতে আসবেন তাঁদের সঙ্গে বিডিও অফিসে আমি দেখা করব। তাঁদের কথা শুনব। বাংলার বাড়ি করব। দোকানও তৈরি করব। হিংসার যে ঘটনা ঘটেছে তা পূর্বপরিকল্পিত। ধর্মের নামে কেউ কেউ ভুল কথা প্রচার করছে। তার জন্য মানুষ প্ররোচিত হচ্ছে। সেই কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। মমতার কথায়, মুর্শিদাবাদের আসল সত্য দ্রুত সামনে আসবে।”

মঙ্গলবারের পুরো পরিকল্পনা এদিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ধুলিয়ান থেকে সুতি আসব। এখানে সরকারি প্রকল্পের একাধিক কাজ রয়েছে। এরপর বহরমপুর হয়ে কলকাতা ফিরব।”

রবিবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস মুর্শিদাবাদ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন অমিত শাহরের দফতরে। সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো ওই রিপোর্টেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে সংবিধানের ৩৫৬ অনুচ্ছেদ লাগুর সুপারিশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে রিপোর্টের রাজ্য প্রশাসনের ব্যর্থতার কথাও তুলে ধরেছেন বোস। তবে আজ জেলা সফরে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যপালের ৩৫৬ সুপারিশ নিয়ে কোনও তথ্য নেই। তিনি এও বলেন, “রাজ্যপালের শরীর ঠিক নেই। উনি এখন হাসপাতালে রয়েছেন। তাই ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।”


একে একে কেটে গিয়েছে প্রায় ১২টি দিন। তারপরও এখনও বাংলার বিএসএফ জওয়ান পূর্ণম কুমার সাউকে ফেরাতে পারেনি ভারত সরকার। এমনকী তাঁর পরিবারকে কোনও ইতিবাচক ইঙ্গিতও দেখাতে পারেনি কেন্দ্র বলে অভিযোগ। আর তার ফলেই পূর্ণমের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রজনী সাউ স্বামীর কর্মস্থল পাঠানকোটে খোঁজ নিতে যান। এই বিষয়ে বিদেশমন্ত্রক এখনও কোনও তথ্য প্রকাশ্যে নিয়ে আসেনি। আর তাই সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে সাউ পরিবার। বিএসএফের পক্ষ থেকে রিষড়ার বাড়িতে এসে শুধু আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পূর্ণমকে কবে ফিরিয়ে আনা হবে সেটা নিয়ে মোটেই কোনও তথ্য পাননি পূর্ণমের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী। এবার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমাদের জওয়ান, সাউজির কোনও খবর নেই। আমাদের পক্ষ থেকে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। পূর্ণম সাউকে ফিরিয়ে আনতেই হবে। ওই বিষয়ে কেন্দ্র যা পদক্ষেপ নেবে, আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করব। ভাগাভাগি আমরা করি না। আমরা সবরকমভাবে পরিবারের পাশে আছি। সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখছি। পূর্ণম সাউকে ফেরাতেই হবে।”

আজকের খবর