“পাকিস্তান আজ পর্যন্ত কোন চুক্তি রক্ষা করেনি। কাউকে দেওয়া কোন কথা রাখেনি। এমনকি আমেরিকার সঙ্গে কথা রাখেনি। তাদের চরিত্রই এটা।” ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতির চুক্তি হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই যেভাবে পাকিস্তানের তরফে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গুলিগোলা চালানো শুরু হয়েছে তার প্রেক্ষাপটে এমন তাৎপর্যপূর্ণ মত প্রকল্পের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ।
শনিবার বিকেল পাঁচটা থেকে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি হওয়া সত্বেও শনিবার রাত থেকে যেভাবে সীমান্তবর্তী এলাকা গুলিতে গোলা বর্ষন শুরু করেছে তার যোগ্য জবাব দিতে শুরু করেছে ভারতীয় সেনা এবং বায়ু সেনা।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ রবিবার সকালে ইকো পার্কে সাংবাদিকদের বলেন, “পাকিস্তান আজ পর্যন্ত কোন চুক্তি রক্ষা করেনি। কাউকে দেওয়া কোন কথা রাখেনি। এমনকি আমেরিকার সঙ্গে কথা রাখেনি। তাদের চরিত্রই এটা। ভারতও জানে ভালো করেই কীভাবে পাকিস্তানকে উপযুক্ত জবাব দিতে হবে। এমন নয় যে সংঘর্ষ বিরতি মানে ভারত সেনাদের সীমান্ত থেকে সরিয়ে হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে এমনটা নয়। তারা যেটা চাইবে সেটাই হবে। যোগ্য উত্তর হবে।”
ভারতের বিরুদ্ধে যে কোন জঙ্গি কার্যকলাপই যুদ্ধ হিসেবে গণ্য হবে, বলে ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “পাকিস্তান আমেরিকার থেকে টাকা নিচ্ছে সন্ত্রাস দমন করতে সেই টাকা দিয়ে সন্ত্রাসকে মদত দিয়েছে। আমেরিকাও পাকিস্তানের চরিত্র জানে। ১৪০ কোটি মানুষ চাইছে সন্ত্রাসবাদের কোমর ভেঙে দিতে। পাকিস্তান বার বার মিথ্যা কথা বলছে। এটা আজ প্রমাণিত। কীভাবে সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করতে হয় সেটা ভারত জানে। ওরা যে ভাষা বোঝে ওদের সেই ভাষাতেই জবাব দেওয়া হবে। কাল গুলিগোলা চলেছে ড্রোন আক্রমণ হয়েছে। কয়েক বছর আগে কাশ্মীরে এমন পরিবেশ ছিল। সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। তাদের কীভাবে রুখতে হয় সেটা ভারতও জানে। ভারতের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে এঁটে না উঠতে পেরে তারা সাধারণ মানুষদের টার্গেট করছে। তাদের ক্ষমতা আমরা জানি কিন্তু অভ্যাসটা পালটায় না।”
পাকিস্তানকে সরাসরি সমর্থনের বার্তা দিয়ে ‘সার্বভৌমত্ব রক্ষার অধিকার আছে পাকিস্তানের’ পাক প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, “চিন প্রথম থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে আছে। যুদ্ধের পিছনে চিনের মদত আছে এমনও কথা উঠছে। অনেকেই বলছেন আর্থিক সুবিধার জন্য চিন-ই যুদ্ধ লাগিয়েছে। চিন থেকে অনেক বড় কারখানা ভারতে কর্মকান্ড বিস্তার করছে। সেটা তাদের সহ্য হচ্ছে না। আমেরিকার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সময়েই বোঝা যাবে কোনটা ঠিক কোনটা ভুল।”