শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।
“মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।” এভাবেই কাশ্মীরের পহেলগামে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলা পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের হাতে বন্দী হয়ে পরবর্তীকালে ঘরে ফেরা বিএসএফ জওয়ান পূর্ণম কুমার সাউকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয়গান করলেন বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শনিবার বিএসএফ জওয়ানের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ণমকে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, “মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।” কর যত হুগলির বিএসএফ জওয়ান পাকিস্তানের হাতে বন্দি থাকাকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের উপরে বারে বারে চাপ তৈরি করার পরে তিনি মুক্তি পেয়ে ফিরে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃতিত্ব দাবি করেছিলেন তাঁর মুক্তির জন্য। কিন্তু আজ শুভেন্দু কার্যত মমতার সেই কৃতিত্বের দাবি উড়িয়ে দিলেন।
পূর্ণম ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, পাকিস্তানে বন্দি হয়ে ১০ দিন থাকার পর ভারতে ফেরার আশা একরকম ছেড়েই দিয়েছিলেন। এমনকী জানতেও পারেননি অপারেশান সিঁদুর কখন হয়েছে। এখন আর সে সব নিয়ে ভাবতে চান না। যা ভাগ্যে ছিল তাই হয়েছে বলেই বোঝাচ্ছেন নিজেকে। তবে এটাও স্পষ্ট করেছেন যে, তাঁর ভাগ্যে যা ছিল তা ঘটে গেছে। তিনি আর কিছু মনে করতে চান না। মনে করিয়ে দেন, তাঁরা যখন সেনার ট্রেনিং নেন তখন তাঁদের বলাই হয় ভয় পেলে হবে না। তাই তাঁরা ভয় পান না।
শনিবার ভিডিও কলে শুভেন্দুকেও এই বিষয়টি জানান পূর্ণম। বলেন, ”আমি যে আবার আমার বাবা-মার কাছে ফিরে এসেছি তার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। সারা দেশ আমার জন্য প্রার্থনা করেছে আমি জানি।” এর জবাবে শুভেন্দু বলেন, ”আপনাকে ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী অনেক পরিশ্রম করেছেন।”
নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে পূর্ণম সাউ এও বলেন, ”মোদীজি যতদিন প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন ততদিন দেশের দিকে কেউ বাঁকা চোখে তাকাতে পারবে না।” এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া, ”মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়।” তবে পূর্ণম কবে থেকে ফের ক্যাম্পে যোগ দেবেন সে বিষয়ে এখনও নিশ্চয়তা নেই। শুভেন্দুও এই ব্যাপারে পূর্ণমকে জিজ্ঞাসা করেন, তবে তিনি সঠিকভাবে বলতে পারেননি।