ব্রেকিং
Latest Posts
দার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুরDilip Ghosh Bulldozer : ‘৪ তারিখের পর এখানে থাকতে পারবে? খুব খারাপ সময় আসছে, বুলডোজার চলবে’ তৃণমূল কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • bridge-less Katamouli Ghat : ৭৮ বছর পরও সেতুবিহীন কাঁটামৌলি ঘাট: বাঁশের মাচায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে ভরসা তমাল নদীর দুই পাড়ের মানুষ

bridge-less Katamouli Ghat : ৭৮ বছর পরও সেতুবিহীন কাঁটামৌলি ঘাট: বাঁশের মাচায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে ভরসা তমাল নদীর দুই পাড়ের মানুষ

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ও কেশপুর ব্লকের মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছে তমাল নদী। তমাল নদীর একপাশে শালবনি ব্লকের বাঁকিবাঁধ অঞ্চলের বাঁশবান্দি গ্রাম,অপরদিকে কেশপুর ব্লকের কাঁটামৌলি গ্রাম। কিন্তু তমাল নদীর উপর কোন সেতু না থাকায় ওই দুটি ব্লকের প্রায় দশটি গ্রামের....

bridge-less Katamouli Ghat : ৭৮ বছর পরও সেতুবিহীন কাঁটামৌলি ঘাট: বাঁশের মাচায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে ভরসা তমাল নদীর দুই পাড়ের মানুষ

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • bridge-less Katamouli Ghat : ৭৮ বছর পরও সেতুবিহীন কাঁটামৌলি ঘাট: বাঁশের মাচায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে ভরসা তমাল নদীর দুই পাড়ের মানুষ

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ও কেশপুর ব্লকের মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছে তমাল নদী। তমাল নদীর একপাশে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ও কেশপুর ব্লকের মাঝ দিয়ে চলে গিয়েছে তমাল নদী। তমাল নদীর একপাশে শালবনি ব্লকের বাঁকিবাঁধ অঞ্চলের বাঁশবান্দি গ্রাম,অপরদিকে কেশপুর ব্লকের কাঁটামৌলি গ্রাম।

কিন্তু তমাল নদীর উপর কোন সেতু না থাকায় ওই দুটি ব্লকের প্রায় দশটি গ্রামের বাসিন্দাদের বাঁশের মাচার উপর দাঁড়িয়ে ও বসে দড়ি ধরে নদী পারাপার হতে হয়। এলাকার বাসিন্দারা যার ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন।

এছাড়াও ওই বাঁশের মাচার উপর বাইক নিয়ে দড়ি ধরে বাইক আরোহীরা নদী পার হয়ে যাতায়াত করেন। সেই সঙ্গে শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী বাঁশের মাচার উপর বসে দড়ি ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পেরিয়ে স্কুলে যাতায়াত করেন।

সাইকেল নিয়ে বাঁশের মাচা পেরিয়ে যাতায়াত করতে খরচ পড়ে পাঁচ টাকা এবং বাইক নিয়ে যাতায়াত করলে খরচ হয় দশ টাকা। তবে ভারতের স্বাধীনতার ৭৮ তম বর্ষ পেরিয়ে গেলেও তমাল নদীর উপর ওই এলাকায় পাকার সেতু না হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা কার্যত হতাশ হয়ে পড়েছেন।

ওই এলাকায় তমাল নদীর উপর পাকার সেতু তৈরি হলে কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর থানার সাথে খুব কম সময়ে শালবনি সহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে পারবেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় প্রশাসনকে বহুবার জানানো সত্বেও তমাল নদীর উপর পাকার সেতু তৈরি না হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা কার্যত হতাশ হয়ে পড়েছেন।

আজকের খবর