ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Banerjee 2026 Bengal Election BJP : “২০২৬-এ ৫০ পার করবে না বিজেপি, তৃণমূল ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম এবং বিজেপি-কে ১০-০ গোলে হারাবে” তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

Abhishek Banerjee 2026 Bengal Election BJP : “২০২৬-এ ৫০ পার করবে না বিজেপি, তৃণমূল ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম এবং বিজেপি-কে ১০-০ গোলে হারাবে” তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। তৃণমূল ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম এবং বিজেপি-কে ১০-০ গোলে হারাবে। ২০২৬-এ ৫০ পার করবে না বিজেপি। এভাবেই আজ বৃহস্পতিবার ধর্মতলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজালেন তৃণমূলের....

Abhishek Banerjee 2026 Bengal Election BJP : “২০২৬-এ ৫০ পার করবে না বিজেপি, তৃণমূল ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম এবং বিজেপি-কে ১০-০ গোলে হারাবে” তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Abhishek Banerjee 2026 Bengal Election BJP : “২০২৬-এ ৫০ পার করবে না বিজেপি, তৃণমূল ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম এবং বিজেপি-কে ১০-০ গোলে হারাবে” তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে হুঁশিয়ারি অভিষেকের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। তৃণমূল ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম এবং বিজেপি-কে ১০-০ গোলে হারাবে। ২০২৬-এ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

তৃণমূল ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে সিপিএম এবং বিজেপি-কে ১০-০ গোলে হারাবে। ২০২৬-এ ৫০ পার করবে না বিজেপি। এভাবেই আজ বৃহস্পতিবার ধর্মতলায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চ থেকে আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অপরাজিতা বিল বাংলার বিধানসভায় পাস হওয়া সত্ত্বেও আইনে পরিণত হয়নি। সেই প্রসঙ্গে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, ১ বছর হয়ে গেল অপরাজিতা বিল পাশ হয়নি। রাজ্যপাল অপরাজিতা বিল আটকে রেখেছেন। গত বছর ছাত্র সমাবেশে আরজি কর ঘটনাকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়েছিল। আজ বছর পেরল। যারা দোষীর শাস্তিতে রাত দখলের ডাক দিয়েছিলেন, তাঁদের সম্মান জানাই। কিন্তু যেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কলকাতা পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করেছিল, সেটা মোদীর সিবিআই এক বছরেও করতে পারেনি। আমাদের সরকার, মন্ত্রিসভা, বিধানসভায় পাশ করিয়ে অপরাজিতা বিল সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়েছিল। এতদিন হয়ে গিয়েছে, সেই বিল বিজেপি, রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর পরই অনুমোদন পাওয়া যায়নি। এখন কেন কংগ্রেস, সিপিএম এই নিয়ে কোনও প্রশ্ন তুলছে না? কেন রাস্তায় নামছে না?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, আগেরবার তৃণমূল যা আসন পেয়েছিল, আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি তার থেকে আসন বাড়বে, কমবে না। ২০১১ সালে ১৮৪টি আসন পেয়ে প্রথমবারের জন্য বাংলায় ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। ২০১৬ সালে ৫ বছর কুৎসা করার পর তৃণমূলের আসন বেড়ে হয়েছিল ২১১। ২০১৬ থেকে ২০২১…কুৎসা যত বেড়েছে মানুষের আশীর্বাদও ততই বেড়েছে। ২১১টা হয়েছে ২১৫। এবার আমি বলছি বিজেপির ক্ষমতা থাকলে ৫০ পার করে দেখাক। আগামী দিনে লড়াইটা আমরা বুঝে নেব।
আগামী বছর ২০২৬ সালের ভোটেও বিপুল সংখ্যক আসন নিয়ে ফের রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল বলে হুঙ্কার দিয়ে অভিষেক বলেন, আগামী ২৮ অগাস্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চতুর্থবার সরকার তৈরির পর জয়ধ্বনিটাও এই গান্ধীমূর্তির পাদদেশেই দেব। কথায় দিয়ে গেলাম, আপনার কত ক্ষতা আপনি আটকে দেখাবেন। সব তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিচারব্যাবস্থা, বিজেপি, কেন্দ্রীয় বাহিনী, ইডি, সিবিআই, নির্বাচন কমিশন, সংবাদমাধ্যম তৃণমূলের বিরুদ্ধে। কিন্তু ১০ কোটি বঙ্গবাসী তৃণমূলের পক্ষে। এস লড়াই কর, কত ক্ষমতা দেখি। একদিকে ১০ কোটি বঙ্গবাসী আর এক দিকে দিল্লির জমিদারদের নেতৃত্বে ইডি, সিবিআই, সংবাদমাধ্যম।
ভিনরাজ্যে বাঙালি হেনস্থা ইস্যুতেও কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে বিঁধেছেন অভিষেক। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাওয়ের রাজনীতি করি না। আমরা সাজিয়ে দাও, গুছিয়ে দাওয়ের রাজনীতি করি। যারা তৃণমূলকে ছোট করতে গিয়ে ১০ কোটি বঙ্গবাসীকে ছোট করেছে। যারা আমাদের বাংলাদেশি বলে ব্যাঙ্গ করেছে, যারা বলেছে বাংলা বলে কোনও ভাষা নেই, বাঙালি বলে কোনও জাতি নেই, তাদের বিরুদ্ধে ১০ কোটি বঙ্গবাসীর লড়াই।

নতুন সংবিধান সংশোধনী বিল নিয়েও অভিষেক বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, বিজেপি হঠাৎ করে সংবিধান সংশোধন করে ভারতকে তাদের সম্পত্তি করে রাখতে চেয়েছিল, কিন্তু তৃণমূলের সাংসদদের প্রতিবাদের কারণে অমিত শাহকে চতুর্থ সারি থেকে বিল পড়তে হয়েছে। এটাই তৃণমূলের ক্ষমতা। তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদ ওয়েলে নেমে প্রতিবাদ করেছিলেন, অমিত শাহকে সামনে সারিতে দাঁড়িয়ে বিল ইন্ট্রোডিউস পর্যন্ত করাতে দেয়নি। এই বিল তারা পাশ করতে পারবে না। ধন্যবাদ আপনাদের, আপনারা ২৯টা আসন দিয়েছেন। যদি ৪০ টা আসন দিতেন, তাহলে অমিত শাহ শেষ আসনে মুখ লুকিয়ে থাকতেন।

আজকের খবর