ব্রেকিং
Latest Posts
হাওড়ায় আমূলের ৭০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, শিলান্যাসে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীরAbhishek Bulldozer : হাইকোর্টে বড় জয় অভিষেকের, অভিষেকের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টেরAmit Shah : শিলিগুড়ির চিকেনস নেক সহ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষিত করে নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুরAbhishek Banerjee : ‘আমায় গালাগালি করে যারা দল ছেড়েছেন ফিরে আসুন এক ঘন্টার মধ্যে ইস্তফা দেব’ তৃণমূলের দলত্যাগী নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে খোলা চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরSonam Wangchuk : ‘যে সরকার বিরুদ্ধ স্বরকে গণতন্ত্রের অংশ হিসাবে না দেখে হুমকি হিসাবে দেখে, সেই সরকারকে অন্তত বিশ্বাস করা যায় না’ বিস্ফোরক মমতা
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu Against Mamata: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব না’, মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর

Suvendu Against Mamata: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব না’, মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি না দেওয়া হলেও শনিবার উত্তরবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধায় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি করার জন্য শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার তাঁর সভার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ৷ বঙ্গ....

Suvendu Against Mamata: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব না’, মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu Against Mamata: ‘দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব না’, মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি না দেওয়া হলেও শনিবার উত্তরবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধায় শুভেন্দু....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি না দেওয়া হলেও শনিবার উত্তরবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধায় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি করার জন্য শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার তাঁর সভার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ৷
বঙ্গ বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধায় সভা করতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন৷ এদিন জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি শুভেন্দু অধিকারীকে সভার অনুমতি দিলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ৷ আগামিকাল 29 নভেম্বর কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ রাজনৈতিক কর্মসূচির কথা৷ এই সভা করার অনুমতি পেতে বঙ্গ বিজেপি কোচবিহার জেলা পুলিশের কাছে আবেদন করেছিল৷ কিন্তু তারা অনুমতি দিচ্ছিল না বলে জানিয়েছেন মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী।
এরপর বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলার সাধারণ সম্পাদক দধীরাম রায় সভার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের দ্বারস্থ হন৷ সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি কৌশিক চন্দ ওই সভা করার অনুমতি দিয়েছেন৷ বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলার সাধারণ সম্পাদক দধীরাম রায়ের আইনজীবী জনার্ধন কেরিয়াল বলেন, ‘চ্যাংরাবান্ধাতে সভা করার অনুমতি দিচ্ছিল না কোচবিহার জেলা পুলিশ৷ আমার মক্কেল বিজেপির জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদককে দুপুর 2টো থেকে বিকেল 4টে পর্যন্ত সভা করার অনুমতি দিয়েছে৷’ জলপাইগুড়ি জেলার বিজেপি সভাপতি শ্যামল রায় বলেন, ‘আদালতের উপর আমাদের আস্থা আছে৷ আদালত যেভাবে আমাদের সভা করতে বলবেন, আমরা সেই ভাবে সভা করব৷ এই রাজ্যের সরকার নির্লজ্জ৷ গালের আরও একটা থাপ্পড় পড়ল৷ পশ্চিমবঙ্গ একমাত্র রাজ্য, যেখানে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হয় না৷ তাই আমাদের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়৷ আমরা আগামিকাল হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই সভা করব৷ বিরোধী দলনেতা আসবেন।’
অন্যদিকে, এবারেও নবান্নের বৈঠকে যোগ দেবেন না তিনি। শুক্রবার সাংবাদিকদের জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বলেন, ‘লোকায়ুক্ত ‘বৈঠকে আমি যোগ দেব না। এটা আমি লিখে জানিয়ে দেব।’ এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার সদস্য পার্থ চ্যাটার্জি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, একাধিক বিধায়ক চার্জশিট পেয়েছে। এদের বিরুদ্ধে বিধানসভায় রিপোর্টি করতে হয়। সেটা উনি কোনওদিনই করেন না। শুধু নিয়োগের সময় একটা চিঠি পাঠান। মনোজ পন্থ যদি এক্সটেনশন না পান, তাকেই হয়ত দেখা যাবে হিউম্যান রাইটসের মেম্বার করে দিয়েছে। অতএব এই সংবিধানকে যিনি মানেন না, তার মিটিংয়ে বিরোধী দলনেতার যাওয়ার কোনও প্রশ্নও ওঠে না।’ এর পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, ‘তারওপর, খগেন মুর্মুর রক্ত দেখার পরে কোনও সুস্থ চেতনা সম্পন্ন মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে যেতে পারবেন না। তিনি নবান্নে ডেকেছেন ১ তারিখ। আমি যাব না। না যাওয়ার কারণ লিখে জানিয়ে দেব।’

প্রতি বছরই মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে লোকায়ুক্ত কমিটির বৈঠক হয়। নিয়ম অনুযায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মতো বিরোধী দলনেতাকেও সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু গত সাড়ে চার বছরে একবারও এই ধরনের বৈঠকে যোগ দেননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আগামী সোমবার, ১ ডিসেম্বর, নবান্নে লোকায়ুক্ত কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। নবান্নের পক্ষ থেকে শুভেন্দুর অফিসে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে বৈঠকের বিষয়টি জানানোও হয়। এদিন একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ বিষয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন শুভেন্দু। সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি কি এ বার বৈঠকে যোগ দেবেন? উত্তরে শুভেন্দু স্পষ্ট জানান, তিনি ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন না। তাঁর কথায়, ‘দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক বসব না।’

আজকের খবর