ভারতের বৃহত্তম বেসরকারি বিমান সংস্থা IndiGo Airlines-এ (IndiGo Flight Crisis) চলছে কার্যত অচলাবস্থা। পরপর বিমান বাতিল, যাত্রীদের অন্তহীন ভোগান্তি এবং বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা— সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। শুক্রবারও ভারতের বিভিন্ন শহরে শতাধিক Domestic Flights Cancelled হওয়ায় বিমানবন্দরগুলিতে তোলপাড়।
✈️ হাজারে হাজারে ফ্লাইট বাতিল — কী ঘটছে?
গত তিন দিনে প্রায় ৩,৪০০টি IndiGo Flight Cancelled হয়েছে— দেশের বিমান পরিষেবার ইতিহাসে এ এক নজিরবিহীন ঘটনা। শুধু শুক্রবারই বাতিল হয়েছে ৬০০-রও বেশি উড়ান। বহু যাত্রী কাজ, চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজনে বুকিং করলেও গন্তব্যে পৌঁছতে পারেননি।
কলকাতা বিমানবন্দরেও (Kolkata Airport IndiGo Cancel) পরিস্থিতি ভয়াবহ। বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত নির্ধারিত ৪৬৮টি উড়ানের মধ্যে ৯২টি বাতিল এবং ৩২০টি সময়ের দিক থেকে ব্যাপক দেরিতে চলেছে।
অধিকাংশ যাত্রী বিমানবন্দরে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকেই দাবি করেছেন—
“টিকিট কাটা হয়েছিল, বোর্ডিং পাসও হয়ে গেছে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে ফ্লাইট বাতিলের খবর এল!”
⚠️ কেন এতো বিমান বাতিল?
ডিজিসিএ-র নতুন নির্দেশিকা (DGCA New Rule) আতঙ্কের কারণ। গত নভেম্বর থেকে চালু হওয়া নিয়ম অনুযায়ী—
সাপ্তাহিক বিশ্রাম এবং সাধারণ ছুটি আলাদা হবে
কোনও এয়ারলাইন্স ছুটি দিয়ে সাপ্তাহিক বিশ্রাম পূরণ করতে পারবে না
ফলে পাইলট ও ক্রু স্বল্পতা দেখা দেয় এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়ে ফ্লাইট অপারেশনে।

🏛️ চাপে নতি স্বীকার করল DGCA — নিয়ম শিথিল
বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে অবশেষে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করল DGCA। এখন থেকে Crew Leave = Weekly Rest হিসাবে গণ্য হবে।
DGCA-র বিবৃতি—
> “বর্তমান সঙ্কট, এয়ারলাইন্সের আবেদন এবং জরুরি প্রয়োজন বিবেচনা করে আগের নির্দেশ স্থগিত করা হলো।”

সরকারের জরুরি বৈঠকেও মিলল না সমাধান
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী Ram Mohan Naidu DGCA, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও ইন্ডিগো কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনও নিশ্চয়তা নেই।
চলতি সপ্তাহান্তে আরও বিমান বাতিল হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
😓 যাত্রীদের অবস্থা?
ইন্ডিগো জানিয়েছে,
> “এখন আমাদের লক্ষ্য আটকে পড়া যাত্রীদের সাহায্য করা।”
তবে রিফান্ড, রি-শিডিউলিং কিংবা বিকল্প ফ্লাইট— কোনোটাই সঠিকভাবে হচ্ছে না বলে যাত্রীদের অভিযোগ।