u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
TMC Logo freezed : তৃণমূলের জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করল নির্বাচন কমিশন, তৃণমূল নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না মমতা ও ঋতব্রত কেউTMC Logo বিতর্ক: ‘সিপিএম থেকে এসে কীভাবে পার্টির জনক?’ ঋতব্রতকে নিশানা কল্যাণের, তৃণমূলের প্রতীক freeze কমিশনেরSuvendu Annapurna : ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ির মালিক হবেন মহিলারাই, প্রত্যেক বছর ১৭ সেপ্টেম্বর অন্নপূর্ণা দিবস’ ঐতিহাসিক ঘোষণা শুভেন্দুরModi on Annapurna : ‘বিজেপির মূলমন্ত্র ছিল কথা কম, কাজ বেশি, অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা সেই ভাবনাচিন্তা থেকেই’ জন্মদিনে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরনবান্নে ইতি? মহালয়ার আগেই মহাকরণে ফিরছেন শুভেন্দু, প্রথম দফায় সঙ্গে ৫ মন্ত্রী
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Unnayaner Panchali TMC 2026 Election : বিজেপি সহ বিরোধীদের কুৎসার জবাব দিতে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হাতিয়ার উন্নয়নের পাঁচালী

Unnayaner Panchali TMC 2026 Election : বিজেপি সহ বিরোধীদের কুৎসার জবাব দিতে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হাতিয়ার উন্নয়নের পাঁচালী

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। কুৎসা নয় উন্নয়ন। সারাক্ষণ একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ না করে উন্নয়নমূলক কাজে নিজেদের সাফল্যের খতিয়ান মানুষের কাছে তুলে ধরেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। বিরোধীরা যখন প্রচারে তুলে ধরছেন, জেলায় একের পর এক....

Unnayaner Panchali TMC 2026 Election : বিজেপি সহ বিরোধীদের কুৎসার জবাব দিতে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হাতিয়ার উন্নয়নের পাঁচালী

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Unnayaner Panchali TMC 2026 Election : বিজেপি সহ বিরোধীদের কুৎসার জবাব দিতে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হাতিয়ার উন্নয়নের পাঁচালী

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। কুৎসা নয় উন্নয়ন। সারাক্ষণ একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ না করে উন্নয়নমূলক কাজে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

কুৎসা নয় উন্নয়ন। সারাক্ষণ একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ না করে উন্নয়নমূলক কাজে নিজেদের সাফল্যের খতিয়ান মানুষের কাছে তুলে ধরেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল।
বিরোধীরা যখন প্রচারে তুলে ধরছেন, জেলায় একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কিংবা দূর্নীতি কাণ্ডের প্রসঙ্গ। তখন প্রচারে তৃণমূলের অস্ত্র উন্নয়ন। তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের ব্যাখ্যা, মুখে বড় বড় কথা আর প্রতিশ্রুতিতে মানুষ এখন আর বিশ্বাস করেন না। তাঁরা চান, তাঁদের নিজেদের এলাকার উন্নয়ন চোখের সামনে দেখতে। মুখ্যমন্ত্রী ঠিক সেই কাজটাই করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর সেই উন্নয়নই তাঁরা মানুষের সামনে তুলে ধরছেন।

পুস্তিকার প্রথম পাতায় বড় বড় করে লেখা, ‘উন্নয়নের নজির’। বিভিন্ন দফতর ধরে ধরে তিন বছরে জেলায় যা যা উন্নয়ন হয়েছে, পুস্তিকাতে তা তুলে ধরা হয়েছে।
আজ রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এক অনুষ্ঠানে এই উন্নয়নের পাঁচালী সামনে রেখে কিভাবে আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের প্রত্যেকটি কর্মী এবং নেতা সাধারণ মানুষের কাছে গত সাড়ে চোদ্দ বছরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য কি কি কাজ করেছেন তা তুলে ধরার রূপরেখা জানিয়ে দিলেন। বুথ ভিত্তিক জনসংযোগে নয়া কর্মসূচি শাসক দলের। বিধানসভা ভিত্তিক এখন গঠিত হচ্ছে দল। জনসংযোগ বাড়াতে দলের শীর্ষ নেতারা অঞ্চলে অঞ্চলে ঘুরবেন এই দলের সঙ্গে। এক মাস ব্যাপী এলাকায় এই ভাবে চলবে প্রচার। দুপুরে এলাকার মানুষের বাড়িতে আহার ৷ সন্ধ্যায় স্থানীয় সংস্কৃতির অনুষ্ঠান ও জনসংযোগ সভা রয়েছে। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন মমতা। সে বারের বিপুল জয় বুঝিয়ে দিয়েছিল, ওই প্রকল্প কার্যত গেমচেঞ্জার হয়েছে। গত বছর লোকসভা ভোটের আগে ভাতার অঙ্ক বাড়িয়ে যেন আরও একবার প্রকল্পটির গুরুত্ব যাচাই করে নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে হাতে আছে মাসচারেক। তার আগে, রাজ্যে তিন দফায় জোড়াফুল সরকারের সাড়ে ১৪ বছরে উন্নয়নের খতিয়ান পেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত গত ২ ডিসেম্বর নবান্নের সভাঘর থেকে গত সাড়ে ১৪ বছরে তাঁর সরকারের কাজের সাফল্যের খতিয়ান বা ‘প্রোগ্রেস রিপোর্ট’ জনসমক্ষে পেশ করেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি মনে করি, ক্ষমতায় আসার আগে জনগণকে আমরা কী কী বলেছিলাম, আর এই সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা কী কী কাজ করেছি, সেটা সাধারণ মানুষদের জানানো আমাদের নিজেদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাই এই ‘রিপোর্ট কার্ড’ প্রকাশ করা হল। গ্রামীণ সড়ক থেকে শুরু করে গ্রামীণ আবাস যোজনা, ১০০ দিনের কাজ এই প্রকল্পগুলিতে আমরা পর পর চারবছর ধরে প্রথম নম্বরে ছিলাম। সেই কারণেই তো ওরা বাংলার টাকা বন্ধ করে রেখেছে।’

কিছু কিছু প্রকল্প বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে কন্যাশ্রী, লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, সবুজসাথীর জনপ্রিয় প্রকল্পগুলি। সরকারের মতে এই সমস্ত প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এই প্রকল্পগুলি সাধারণ মানুষের উপর ঠিক কতটা প্রভাব ফেলেছে, তার বাস্তব চিত্র তুলে ধরার জন্য এই এই ‘রিপোর্ট কার্ড’ প্রকাশ করা হল। বিশেষ করে নারী কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে রাজ্যের সুফলভোগীরা ঠিক কতজন, সেই পরিসংখ্যানটি তুলে ধরা হয়েছে এই ‘রিপোর্ট কার্ড’-এ।

আজকের খবর