ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • TMC against ECI SIR : ‘নির্বাচন কমিশন হল হোয়াটসঅ্যাপের মাস্টার’ বিষ্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

TMC against ECI SIR : ‘নির্বাচন কমিশন হল হোয়াটসঅ্যাপের মাস্টার’ বিষ্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ‘নির্বাচন কমিশনে গত নভেম্বরে তৃণমূলের প্রথম দরবার করার পরে ৫১ দিন হল। ওই সব বৈঠকের ট্র্যান্সক্রিপ্ট কোথায়? অবিলম্বে ট্রান্সক্রিপ্ট প্রকাশ করা হোক। আমরা স্বচ্ছতা চাই- আমরা এর আগে ৭৫ বার বলেছি। আমরা ‘এসআইআর’-এর বিরুদ্ধে নই।....

TMC against ECI SIR : ‘নির্বাচন কমিশন হল হোয়াটসঅ্যাপের মাস্টার’ বিষ্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • TMC against ECI SIR : ‘নির্বাচন কমিশন হল হোয়াটসঅ্যাপের মাস্টার’ বিষ্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।   ‘নির্বাচন কমিশনে গত নভেম্বরে তৃণমূলের প্রথম দরবার করার পরে ৫১ দিন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

 

‘নির্বাচন কমিশনে গত নভেম্বরে তৃণমূলের প্রথম দরবার করার পরে ৫১ দিন হল। ওই সব বৈঠকের ট্র্যান্সক্রিপ্ট কোথায়? অবিলম্বে ট্রান্সক্রিপ্ট প্রকাশ করা হোক। আমরা স্বচ্ছতা চাই- আমরা এর আগে ৭৫ বার বলেছি। আমরা ‘এসআইআর’-এর বিরুদ্ধে নই। আমরা এসআইআর চাই, কিন্তু তা মানবিক হতে হবে, স্বচ্ছতা থাকতে হবে সেখানে। আমাদের দলনেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও একই দাবি করেছেন। কেন জনতার উপরে বোঝা করে দেওয়া হয়েছে এসআইআর-কে?’ মঙ্গলবার, দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্স থেকে এভাবেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে স্বচ্ছতার পাঠ পড়াল তৃণমূল। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের তিন রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ, ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং সাকেত গোখলে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল বলে, ‘নির্বাচন কমিশন হল হোয়াটসঅ্যাপের মাস্টার। তারা না হয় হোয়াটসঅ্যাপেই প্রকাশ করুক। না হলে আমরা ট্রান্সক্রিপ্ট প্রকাশ করে দেব।’

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে গত নভেম্বরে তৃণমূলের প্রথম দরবার করার পরে ৫১ দিন হল। ওই সব বৈঠকের ট্র্যান্সক্রিপ্ট কোথায়?’ অবিলম্বে ট্র্যান্সক্রিপ্ট প্রকাশ করার দাবি জানান তিনি। বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল বলে, নির্বাচন কমিশন হল হোয়াটসঅ্যাপের মাস্টার। তারা না হয় হোয়াটসঅ্যাপই প্রকাশ করুক। না হলে আমরা ট্র্যান্সক্রিপ্ট প্রকাশ করে দেব। এর পরেই জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘২০২২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত অমিত শাহর কো অপারেশন সচিব ছিল নির্বাচন কমিশনার। ৩৭০ ধারা বিলোপের সময়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি কে ছিলেন?’ কটাক্ষ করেন তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘ভ্যানিশ ভ্যানিশ ভ্যানিশ।’

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ফের তোপ দাগেন কমিশনের বিরুদ্ধে। এসআইআর-এর ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এসআইআর-এর আসল অর্থ দাঁড়াচ্ছে ‘সফটওয়্যার ইনটেনসিভ রিগিং’। আমরা স্বচ্ছতা চাই – এ কথা ৭৫ বারেরও বেশি বলেছি। আমরা এসআইআর-এর বিরোধী নই। আমরা চাই সার্ভে হোক, কিন্তু সেটা হতে হবে মানবিক এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ।’ নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর অভিযোগ, ‘মডেল কোড অফ কনডাক্ট আলাদা করে ব্যাখ্যা করার কোনও সুযোগ নেই। কিন্তু কমিশন সেই বিধিও মানছে না।’

 

একই সুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ সাগরিকা ঘোষ বলেন, ‘এসআইআর শুরু হয়েছিল বিহারে, কিন্তু প্রকৃত টার্গেট ছিল বাংলা। এই রাজ্যের ভোটারদের বাদ দেওয়ার জন্য একের পর এক কৌশল নেওয়া হচ্ছে।’ তাঁর অভিযোগ, আগে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ছিল যাতে সবাই ভোট দিতে পারে। এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে – ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই যেন অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে।

 

আজকের খবর