ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Suvendu targets 220 Seats : ‘অমিত শাহজি আমাদের ২০০ আসনের টার্গেট দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু আমরা ২২০টি আসন পার করব’ মালদহের জনসভা থেকে হুংকার শুভেন্দুর

Suvendu targets 220 Seats : ‘অমিত শাহজি আমাদের ২০০ আসনের টার্গেট দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু আমরা ২২০টি আসন পার করব’ মালদহের জনসভা থেকে হুংকার শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ‘অমিত শাহজি আমাদের ২০০ আসনের টার্গেট দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু বাংলার মানুষের মেজাজ বুঝে আমি বলছি, আমরা ২২০টি আসন পার করব।’ এভাবেই শুক্রবার মালদহের চাঁচোলের জনসভা থেকে 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় সরকার গঠনের হুংকার....

Suvendu targets 220 Seats : ‘অমিত শাহজি আমাদের ২০০ আসনের টার্গেট দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু আমরা ২২০টি আসন পার করব’ মালদহের জনসভা থেকে হুংকার শুভেন্দুর

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Suvendu targets 220 Seats : ‘অমিত শাহজি আমাদের ২০০ আসনের টার্গেট দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু আমরা ২২০টি আসন পার করব’ মালদহের জনসভা থেকে হুংকার শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ‘অমিত শাহজি আমাদের ২০০ আসনের টার্গেট দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু বাংলার মানুষের মেজাজ....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

‘অমিত শাহজি আমাদের ২০০ আসনের টার্গেট দিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু বাংলার মানুষের মেজাজ বুঝে আমি বলছি, আমরা ২২০টি আসন পার করব।’ এভাবেই শুক্রবার মালদহের চাঁচোলের জনসভা থেকে 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় সরকার গঠনের হুংকার দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমে বিজেপি স্লোগান তুলেছিল আবকি বার দুশো পার। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সেই স্লোগান ব্যর্থ করে বঙ্গ বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ৭৭ বিধানসভা আসনে জয়। তার প্রেক্ষিতে চলতি সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বঙ্গ বিজেপি-র জন্য ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন। চাঁচলের হাইস্কুল ময়দানের জনসভা থেকে ফের একবার তৃণমূল সরকারকে ‘চোর’ এবং ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে কড়া তোপ দাগেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘আমরা যদি ৩ আসন থেকে ৭৭ আসনে পৌঁছতে পারি, তাহলে ৭৭ থেকে ২০০ আসনে পৌঁছনো অসম্ভব কেন হবে? কলকাতা আর নিরাপদ নেই। অনুপ্রবেশের দাপট আরও বাড়বে। তখন সাধারণ মানুষই বিপদে পড়বেন। এই অবস্থা থেকে বেরোতে হলে গোড়া থেকে এই সরকারকে উপড়ে ফেলতে হবে।’

তাঁকে মালদহে পা রাখতে দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলের মালদহ জেলার সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী। সেই মালদহের চাঁচলে সভা করতে গিয়ে পাল্টা আব্দুর রহিমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। চাঁচলের সভা থেকে শুক্রবার রহিমকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িয়ে আছি, আয়।’ মালতীপুরের বিধায়ক রহিমকে ২০২৬ সালের নির্বাচনে হারানোরও চ্যালেঞ্জ জানালেন শুভেন্দু।

এমনকি, তৃণমূলের জেলা সভাপতিকে নিশানা করে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘আমি যখন তৃণমূলের এই জেলার অবজার্ভার ছিলাম, তখন গাড়ির দরজা খুলে দিতেন রহিম।’ এদিন কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতিতে চাঁচলে সভা করেন শুভেন্দু। নিজের বক্তব্যের শুরুতেই সেকথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই নিয়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে ১০৪টা সভা হল আমার।’ এরপরই তৃণমূলকে ছাব্বিশের হারানোর কথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘ছাপ্পা মেরে, ভোট লুঠ করে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভোট নিয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনে আমাদের সঙ্গে ওদের ফারাক ৪০ লক্ষ। আর এসআইআর-র প্রথম ঝাঁকুনিতে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে আরও রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীর নাম বাদ যাবে। এসআইআর-র কী হতে চলেছে, তার ট্রেলারটা দেখেছেন তো দিল্লিতে। তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড এখন থেকে বলছে, এই ভোটার লিস্ট মানি না। ১৪ ফেব্রুয়ারির পর থেকে তৃণমূলের সবাই এই কথা বলবে।’ বিজেপির আসন সংখ্যা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই রাজ্যে দুটি জায়গায় একজোট হয়েছে সনাতনী হিন্দুরা। উত্তর মালদহ ও নন্দীগ্রাম। উত্তর মালদহকে দেখে সনাতনীকে এগিয়ে এলে বিজেপি ২০০ নয়, ২২০টি আসন জিতবে।’

প্রসঙ্গত, উত্তর মালদহ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মু। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম একাধিকবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দুকে। মালদহে বিধানসভার বিরোধী দলনেতাকে পা রাখতে দেবেন না বলেও মন্তব্য করেছিলেন। আর এদিন চাঁচলে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘বড় বড় কথা। এখানকার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গিয়েছেন রহিম বক্সী। বলছেন, ঢুকতে দেব না। পা ভেঙে দেব।’ এরপরই রহিম বক্সীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘কলমবাগানে আয়। দাঁড়িয়ে আছি। আরএসপি করত। আইসিডিএসের চাকরি বিক্রি করত। আমি যখন তৃণমূলের এই জেলার অবজার্ভার ছিলাম, তখন আমার গাড়ির দরজা খুলে দিত।’

মালতীপুরে রহিম বক্সীকে হারানোর চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মালতীপুরে কে জিতবে আমি জানি না। তবে রহিমকে আমি জিততে দেব না। ওকে যদি তৃণমূল মালতীপুরে প্রার্থী করে তাহলে হারাব। কোন মন্ত্রে হারাতে হয় আমি জানি। এই জেলায় জোটের সঙ্গে বিজেপির লড়াই হবে। আমরা এখানে ৬টা আসনে এগিয়ে রয়েছে। আমার আশা আরও দুটো আসন পাব।’ তৃণমূলের দুর্নীতির কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, ‘যেদিন উনি দিদি থেকে পিসি হয়েছেন, আমি ছেড়ে চলে এসেছি।’

আজকের খবর