ব্রেকিং
Latest Posts
Nusrat Jahan: কমলা বিকিনিতে প্রায় উন্মুক্ত বক্ষবিভাজিকা, নুসরতের বিকিনি পরা ছবি Viral হতেই একের পর এক অশালীন কমেন্টদার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Supreme Court SIR order : এসআইআর প্রক্রিয়ায় রায় সংশোধন সুপ্রিম কোর্টের, আপলোড না হওয়া নথি জমা দিতে হবে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছে

Supreme Court SIR order : এসআইআর প্রক্রিয়ায় রায় সংশোধন সুপ্রিম কোর্টের, আপলোড না হওয়া নথি জমা দিতে হবে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিকতম রায় সংশোধন করে নতুন রায় দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের রায় দিয়েছিল তার সামান্য সংশোধন করে আজ সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে....

Supreme Court SIR order : এসআইআর প্রক্রিয়ায় রায় সংশোধন সুপ্রিম কোর্টের, আপলোড না হওয়া নথি জমা দিতে হবে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছে

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Supreme Court SIR order : এসআইআর প্রক্রিয়ায় রায় সংশোধন সুপ্রিম কোর্টের, আপলোড না হওয়া নথি জমা দিতে হবে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিকতম রায়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সাম্প্রতিকতম রায় সংশোধন করে নতুন রায় দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের রায় দিয়েছিল তার সামান্য সংশোধন করে আজ সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারের আবেদনের প্রেক্ষিতে জানিয়ে দিল, ইআরওদের কাছে থাকা নথি, যেগুলি ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়নি, সেগুলি হস্তান্তর করতে হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যে জুডিশিয়াল অফিসারদের হাতে তুলে দিতে হবে।

 

মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত একটি শুনানিতে আধার কার্ড ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সঙ্গে শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, গত বছর অক্টোবর মাসের ২৭ তারিখ নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে যে ১২টি নথির কথা বলেছিল, সেই নথিগুলি বিবেচনা করা হবে। আধার কার্ড নিয়ে আদালত জানিয়েছে বিহারে এসআইআরের সময় সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, সেই অনুযায়ী আধার কার্ড পরিচয়ের প্রমাণ হিসাবে গ্রহণ করতে হবে।

 

তাছাড়াও, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণের কথা বলেছে। উল্লেখ্য, ১৯ জানুয়ারি আদালত মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসাবে গণ্য করেছিল। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মাধ‍্যমিকের পাস সার্টিফিকেটের সঙ্গে মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে বয়সের এবং অভিভাবকত্বের প্রমাণপত্র হিসেবে। ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভোটাররা যে সব নথি ইআরও এবং এইআরও-দের কাছে জমা করেছেন এবং যা এখনও সিস্টেমে আপলোড করা হয়নি, সেই সব নথি তাঁরা বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ। হস্তান্তর করবেন ইআরও এবং এইআরও-রা।

TMC draft candidate list : ছন্নছাড়া বিজেপি সিপিএম, ২৯৪ আসনে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত! দেখুন ২০২৬-এ তৃণমূলের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

এদিন সর্বোচ্চ আদালতে কমিশনের তরফে মেনশন করা হয় বাংলার এসআইআর মামলার। কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ড নিরপেক্ষ নথি হিসেবে গৃহীত হওয়ার ক্ষেত্রে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি বলেন, মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ড গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল। কারণ মাধ‍্যমিক পাস সার্টিফিকেটে জন্মের তারিখ এবং বাবার নাম থাকে না। মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ডে কী আছে তার সম্পর্কে বাংলার বিচারকরা অবগত। তাই সেই নথির কথা বলা হয়েছে। আইনজীবী নাইডু সেই যুক্তি খণ্ডন করে বলেন, কিন্তু আধারের মতোই স্ট‍্যান্ড অ‍্যালোন নথি হিসেবে মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ড ব‍্যবহার করা যেতে পারে না।

Mamata on Kerala Rename : কেরালার নাম পরিবর্তন হলে বাংলার নয় কেন? কেন্দ্রের মোদি সরকারকে প্রশ্ন মমতার

বিচারপতি জয়মাল‍্য বাগচি তখন বলেন, আমরা মাধ‍্যমিক পাস সার্টিফিকেটের কথা উল্লেখ করিনি, কারণ সেটা বাকি নথির মধ‍্যে রয়েছে। মাধ‍্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড সেটাকে সাপ্লিমেন্ট করবে। আইনজীবী নাইডু এরপর সওয়াল করেন, সাপ্লিমেন্ট করবে, কিন্তু প্রতিস্থাপন করবে না। আইনজীবী গোপাল সুব্রমণিয়ম বলেন, মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ড তাঁদের কাছেও থাকে যাঁরা মাধ‍্যমিকে বসেছেন কিন্তু পাস করেননি। বিচারপতি বাগচি তখন বলেন, সেটা কাট অফকে মিট করে না। শেষে সব পক্ষের বক্তব‍্য শুনে রায়ে কিছুটা পরিমার্জন করে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, মাধ‍্যমিকের পাস সার্টিফিকেটের সঙ্গে মাধ‍্যমিকের অ‍্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যেতে পারে বয়সের এবং অভিভাবকত্বের প্রমাণপত্র হিসেবে।

এর আগেই সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, চলমান বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ায় প্রায় আশি লক্ষ দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গের ২৫০ জন জেলা বিচারকের পাশাপাশি দেওয়ানি বিচারকদেরও নিয়োগ করা যেতে পারে। প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকেও সমপদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের আনা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

 

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত পর্যবেক্ষণে বলেন, প্রত্যেক বিচার বিভাগীয় আধিকারিক যদি প্রতিদিন ২৫০টি করে দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করেন, তাহলেও পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে। যদিও বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার শেষ সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি।

এই পরিস্থিতিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের এই কাজে লাগানো যেতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের কাছে সমপদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চেয়ে নেওয়ার আবেদন জানাতেও বলা হয়েছে।

 

আজকের খবর