ব্রেকিং
Latest Posts
Nusrat Jahan: কমলা বিকিনিতে প্রায় উন্মুক্ত বক্ষবিভাজিকা, নুসরতের বিকিনি পরা ছবি Viral হতেই একের পর এক অশালীন কমেন্টদার্জিলিং নয়, এবার সিঙ্গালিলার গুপ্তধন ‘রাম্মাম’-এ হারিয়ে যান | শান্ত পাহাড়ি অফবিট ভ্রমণ ২০২৬ (Offbeat Travel North Bengal)Mamata Sonarpur : ‘লাভলি টিভিতে কাজ করেন, একটু ভুলভ্রান্তি হতেই পারে, সেটা শুধরে নেওয়ার সময় দিন, ও পার্টির খুব অনুগত’ সোনারপুর থেকে দ্বিতীয় সুযোগের আবেদন মমতারAbhishek Murshidabad : ‘যারা এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে, সব বিজেপির এজেন্ট’ মুর্শিদাবাদ থেকে অধীর ও হুমায়ুনকে তীব্র আক্রমণ অভিষেকেরSuvendu Nandigram : ‘মমতা দ্বিতীয়বার নন্দীগ্রামে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেননি’ মমতাকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর
  • Home /
  • ভারত /
  • TMC on Aparajita Bill : বিধানসভায় পাস হওয়া সত্ত্বেও এখনও কেন অনুমোদন পায়নি ‘অপরাজিতা বিল’? দ্রুত বিল পাসের দাবিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃণমূলের সাংসদ প্রতিনিধি দল

TMC on Aparajita Bill : বিধানসভায় পাস হওয়া সত্ত্বেও এখনও কেন অনুমোদন পায়নি ‘অপরাজিতা বিল’? দ্রুত বিল পাসের দাবিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃণমূলের সাংসদ প্রতিনিধি দল

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বিরোধী শিবিরের মতোই পথে নেমেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল থেকেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, রাজ্যে ধর্ষণ রুখতে নতুন আইন আনবেন তিনি। সেই প্রতিশ্রুতি....

TMC on Aparajita Bill : বিধানসভায় পাস হওয়া সত্ত্বেও এখনও কেন অনুমোদন পায়নি ‘অপরাজিতা বিল’? দ্রুত বিল পাসের দাবিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃণমূলের সাংসদ প্রতিনিধি দল

  • Home /
  • ভারত /
  • TMC on Aparajita Bill : বিধানসভায় পাস হওয়া সত্ত্বেও এখনও কেন অনুমোদন পায়নি ‘অপরাজিতা বিল’? দ্রুত বিল পাসের দাবিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃণমূলের সাংসদ প্রতিনিধি দল

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বিরোধী শিবিরের মতোই পথে নেমেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল থেকেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, রাজ্যে ধর্ষণ রুখতে নতুন আইন আনবেন তিনি। সেই প্রতিশ্রুতি মতোই বিধানসভায় পেশ হয়েছিল ‘অপরাজিতা উইমেন এন্ড চাইল্ড বিল’।শাসক ও বিরোধী দলীয় বিধায়কদের সর্ব সম্মতিক্রমে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা থেকে পাসও হয়েছিল সেটি।
তবে বিধানসভায় সম্মতি মিললেও, এখনও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি অপরাজিতা বিল। যেই কারণে এখনও যে আইন হওয়ার পথেই ঝুলে আছে এই ধর্ষণবিরোধী বিল। এই দিকে হাতেও সময় যেন ফুরিয়ে আসছে ঘাসফুল শিবিরের। চলতি বছরের গোড়ার দিকেই এই বিলকে কার্যকর করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তারা। কিন্তু, রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে এখনও ছাড়া পায়নি ‘অপরাজিতা’।
তাই এবার বিল পাস করাতে রাষ্ট্রপতির দরবারে গিয়ে হাজির তৃণমূল সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার দলের লোকসভা সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে যায় সেই প্রতিনিধি দলটি। বিধানসভায় বিল পাস হওয়ার পরও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেতে কেন এত দেরি হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে জানতে চায় তাঁরা। এছাড়াও, এই বিল যাতে দ্রুত অনুমোদন পায়, সেই নিয়ে আবেদন জানান সুদীপরা।তৃণমূলের লোকসভার সংসদীয় দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদীয় দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাগরিকা ঘোষ (সাংসদ, রাজ্যসভা), প্রতিমা মণ্ডল (সাংসদ, লোকসভা), দোলা সেন (সাংসদ, রাজ্যসভা), সুস্মিতা দেব (সাংসদ, রাজ্যসভা), সাজদা আহমেদ (সাংসদ, লোকসভা), মহুয়া মৈত্র (সাংসদ, লোকসভা), মিতালি বাগ (সাংসদ, লোকসভা), সায়নী ঘোষ (সাংসদ, লোকসভা) এবং জুন মালিয়া (সাংসদ, লোকসভা)।

সাংসদদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে বিধানসভায় সর্বসম্মতিতে পাস হয়েছে অপরাজিতা বিল। যেখানে সাত নম্বর শিডিউলের যুগ্ম তালিকা অনুযায়ী, একটি রাজ্যের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে অনুমোদন পেতে কেন এত সময় লাগছে? ইতিমধ্যেই তৃণমূলের ওই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি দেখা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার সময় সুদীপ বলেন, “সর্বসম্মতিতে বিধানসভায় অপরাজিতা বিল পাস হলেও, সেই বিলে অনুমোদন আসছে না। বিলম্ব হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাষ্ট্রপতির কাছে মহিলা সাংসদদের নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলাম। অনুরোধ জানাব, নিশ্চিত ভাবে মৃত্যু অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, দোষী এবং ধর্ষকদের এই ধরনের শাস্তিপ্রদানের ক্ষেত্রে এই বিলের মাধ্যমে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে রাজ্য।”

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সুদীপ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গত ৩ সেপ্টেম্বর সর্বসম্মতিতে ধর্ষণ বিরোধী অপরাজিতা বিল পাস হয়। বিরোধীরাও বিলে সমর্থন দেন। কিন্তু বিলটিতে অনুমোদন মিলছে না রাষ্ট্রপতির দফতর থেকে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সাক্ষাৎ করতে আসি। বিলের বিশদ তথ্য তুলে ধরেছি। যাবজ্জীবন এবং ফাঁসির সাজার দাবি জানিয়েছি। রাষ্ট্রপতি ধৈর্যের সঙ্গে শুনেছেন আমাদের কথা। তিনি উদ্বিগ্ন বলেও মনে হয়েছে আমাদের। বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।”
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “রাষ্ট্রপতিকে অনেকটা উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল। তবে তিনি মন দিয়েই সবটা শুনেছেন। এবং পর্যালোচনা করবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।”
রাষ্ট্রপতির কাছে তৃণমূলের সাংসদ প্রতিনিধি দল আবেদন করতে জমা দিয়েছেন তাতে উল্লেখ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ‌

এই বিলের প্রয়োজন কেন?

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালে, ভারতে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ৪.৫ লক্ষ মামলা রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩১০০০ ধর্ষণের ঘটনা অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৮৫টি ধর্ষণের রিপোর্ট করা হয়েছে। উদ্বেগজনক হলেও, এই পরিসংখ্যানগুলি শুধুমাত্র রিপোর্ট করা মামলাগুলি। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যৌন সহিংসতার প্রকৃত মাত্রা অনেক বেশি শুধুমাত্র প্রতিশোধের ভয়, সামাজিক চাপ এবং কলঙ্কের কারণে অনেক ঘটনাই রিপোর্ট করা হয় না। এই বৈষম্য একটি আরও শক্তিশালী এবং বিস্তৃত আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তাকে নির্দেশ করে, যা শুধু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে না, বরং লিঙ্গ ও যৌন সহিংসতার প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিতে মৌলিক পরিবর্তন আনতেও সহায়ক হবে। ভারতে ধর্ষণের শিকার বেঁচে থাকা ভুক্তভোগীরা যেন যোগ্য ন্যায়বিচার, মর্যাদা এবং তাদের অধিকারকে পায়। মামলার নিষ্পত্তিতে বিলম্ব শুধু তাদের মানসিক যন্ত্রণা দীর্ঘায়িত করে না, বরং প্রমাণ হারানোর সম্ভাবনা বাড়ায় এবং দায়বদ্ধতাকে দুর্বল করে দেয়।

বিলটি কী পরিবর্তন আনবে?

এই বিলটি ধর্ষণ মামলাগুলোর দ্রুত ও কার্যকর নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত হয়েছে, যাতে ন্যায়বিচার বিলম্বিত বা অস্বীকৃত না হয়। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা চালু করার মাধ্যমে, এই বিলটি জনসাধারণের আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হবে এবং এমন নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

তবে তৃণমূল সাংসদদের এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করছে পদ্ম শিবির। এদিন বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, “এটা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা। আইন তো ছিলই। কিন্তু যেখানে সরকারই প্রমাণ লোপাট করছে সেখানে আরও কঠোর আইন এনে লাভটাই বা কী?”

আজকের খবর