ব্রেকিং
  • Home /
  • স্বাস্থ্য /
  • SSKM hospital Success : এগিয়ে বাংলার স্বাস্থ্যপরিসেবা, শ্বাসনালিতে মটরশুঁটি আটকে আশঙ্কাজনক খুদের প্রাণ বাঁচাল বাংলার সরকারি হাসপাতাল

SSKM hospital Success : এগিয়ে বাংলার স্বাস্থ্যপরিসেবা, শ্বাসনালিতে মটরশুঁটি আটকে আশঙ্কাজনক খুদের প্রাণ বাঁচাল বাংলার সরকারি হাসপাতাল

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। গোটা দেশের মধ্যে সেরা বাংলার স্বাস্থ্যপরিসেবা। প্রমাণিত হলো আরো একবার। খাওয়ার সময় মটরশুঁটি আটকে গিয়েছিল শ্বাসনালিতে। আর কয়েক মিনিট এদিক-ওদিক হলেই ভয়ঙ্কর বিপদ ঘটে যেতে পারত। তার আগেই তৎপরতার সঙ্গে খুদের প্রাণ বাঁচালেন চিকিৎসকরা। এমনটা সম্ভব....

SSKM hospital Success : এগিয়ে বাংলার স্বাস্থ্যপরিসেবা, শ্বাসনালিতে মটরশুঁটি আটকে আশঙ্কাজনক খুদের প্রাণ বাঁচাল বাংলার সরকারি হাসপাতাল

  • Home /
  • স্বাস্থ্য /
  • SSKM hospital Success : এগিয়ে বাংলার স্বাস্থ্যপরিসেবা, শ্বাসনালিতে মটরশুঁটি আটকে আশঙ্কাজনক খুদের প্রাণ বাঁচাল বাংলার সরকারি হাসপাতাল

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। গোটা দেশের মধ্যে সেরা বাংলার স্বাস্থ্যপরিসেবা। প্রমাণিত হলো আরো একবার। খাওয়ার সময়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

গোটা দেশের মধ্যে সেরা বাংলার স্বাস্থ্যপরিসেবা। প্রমাণিত হলো আরো একবার। খাওয়ার সময় মটরশুঁটি আটকে গিয়েছিল শ্বাসনালিতে। আর কয়েক মিনিট এদিক-ওদিক হলেই ভয়ঙ্কর বিপদ ঘটে যেতে পারত। তার আগেই তৎপরতার সঙ্গে খুদের প্রাণ বাঁচালেন চিকিৎসকরা। এমনটা সম্ভব হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। চিকিৎসকদের তৎপরতায় নতুন জীবন পেয়েছে ১১ মাসের শিশু।
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতা বাসিন্দা ওই শিশু বাড়িতে খাওয়ার সময় আচমকা শ্বাসনালিতে আটকে যায় মটরশুঁটি। এরপর শিশুর শ্বাসকষ্টের সমস্যা শুরু হয়। তখন শিশুকে তড়িঘড়ি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যান তার বাবা-মা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তার ঠোঁটে নীল আভা দেখা যাচ্ছিল।

এসএসকেএম হাসপাতালের কান-নাক-গলার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মৈনাক মৈত্র তড়িঘড়ি শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি এতটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল যে এক্স রে করার পর্যন্ত সময় ছিল না। তখন অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি শিশুর বাবা-মায়ের কাছে কী হয়েছে, তা জানতে চান। শিশুর বাবা-মা মটরশুঁটি খাওয়ার কথা জানান। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, তার শ্বাসনালিতে মটরশুঁটি আটকে গিয়েছে।

দ্রুত শিশুর অস্ত্রপোচারের ব্যবস্থা করা হয়। রিজিড ব্রঙ্কোস্কোপি করা হয়। ফলে শিশুকে দ্রুত বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, ১৫ মিনিট এদিক-ওদিক হলেই বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হত। মটরশুঁটি আটকে যাওয়ার ফলে শ্বাসনালি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। যারফলে শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।

তবে আর যেন কোনও শিশুর এরকম পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য শিশুদের খাবার খাওয়ানোর সময় অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। তিনি জানান, বর্তমানে শিশুদের খাবার খাওয়ানোর সময় অভিভাবকরা মোবাইল বা টিভি চালিয়ে দেন। সেক্ষেত্রে খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগ থাকে না শিশুদের। মোবাইলের দিকে মন থাকায় শিশুদের মধ্যে গিলে খাবার খাওয়ার প্রবণতা থাকে।

চিকিৎসক জানান, শ্বাস নেওয়ার এবং ঢোক গেলার মধ্যে একটা সামঞ্জস্য রয়েছে। যেটা শিশুদের ক্ষেত্রে ঠিকঠাকভাবে হয় না। তাই শিশুরা কিছু মুখে দিলেই অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে ১ থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে সচেতন থাকা উচিত। মোটা দানা জাতীয় খাবার বিশেষ করে মটরশুঁটি, ছোলা, বাদাম প্রভৃতি জাতীয় খাবার শিশুদের দেওয়া উচিত নয়।

আজকের খবর