u09acu09cdu09b0u09c7u0995u09bfu0982
Latest Posts
Suvendu Nandigram : “চন্দ্রনাথ খুনের নেপথ্যে রয়েছে ভাইপো গ্যাং, শার্প শুটারদের ২ কোটি টাকার সুপারি দেওয়া হয়েছিল” বিস্ফোরক শুভেন্দুSamik against NCPI : “ওঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন, সেটা হয়তো মঙ্গল গ্রহের বিজেপি” জগদীশ বসুনিয়ার ১৭ সাংসদ সহ বিজেপিতে যোগদানের দাবিতে তীব্র ব্যঙ্গ শমীক ভট্টাচার্যেরSuvendu Bengal Industry : বাংলায় বিপুল বিনিয়োগ, আম্বানি আদানি থেকে শুরু করে Style Baazar-এর বিনিয়োগ শুভেন্দুর বাংলায়কলকাতায় বেআইনি বহুতল নির্মাণে কোটি কোটি কালো টাকার অভিযোগ, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের৩৫০০ বছরের রহস্য ফাঁস! সিনাই মরুভূমির বালির নিচে মিলল মিশরের হারানো সামরিক দুর্গ, চাঞ্চল্য প্রত্নতত্ত্ব মহলে
  • Home /
  • চাকরি /
  • Calcutta HC SSC new Case : অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত শিক্ষকতার জন্য বাড়তি ১০ নম্বর কেন? প্রশ্ম তুলে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

Calcutta HC SSC new Case : অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত শিক্ষকতার জন্য বাড়তি ১০ নম্বর কেন? প্রশ্ম তুলে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। এসএসসি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা ফের নয়া মামলা। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দে এজলাসে মামলা দায়ের হল। মামলাকারীর বক্তব্য, যে নিয়োগটাই সঠিকভাবে হয়নি....

Calcutta HC SSC new Case : অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত শিক্ষকতার জন্য বাড়তি ১০ নম্বর কেন? প্রশ্ম তুলে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

  • Home /
  • চাকরি /
  • Calcutta HC SSC new Case : অস্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত শিক্ষকতার জন্য বাড়তি ১০ নম্বর কেন? প্রশ্ম তুলে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। এসএসসি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

এসএসসি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা ফের নয়া মামলা। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দে এজলাসে মামলা দায়ের হল। মামলাকারীর বক্তব্য, যে নিয়োগটাই সঠিকভাবে হয়নি তাহলে শিক্ষকতা করার জন্য অতিরিক্ত ১০ নম্বর কেন দেওয়া হবে? বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তারই বিরোধিতা করা হয়েছে।
কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করলেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। যে নতুন বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, সেখানে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন পরীক্ষার্থীদের একাংশ। গতকাল, সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি বাদ দিতে হবে ‘চিহ্নিত অযোগ্য’দের। তেমন কেউ ইতিমধ্যে আবেদন করলে তা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ফের নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারির নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের।
এই পরিস্থিতিতে এবার চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ ফের আদালতের দ্বারস্থ হলেন। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকতা করার জন্য অতিরিক্ত ১০ নম্বর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। সেই বিষয়কে সামনে এনে মামলাকারীদের প্রশ্ন, যে নিয়োগটাই সঠিকভাবে হয়নি, তাহলে শিক্ষকতা করার জন্য অতিরিক্ত ওই নম্বর কেন দেওয়া হবে? শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত নম্বরের ফলে অনেক প্রার্থীকে সমস্যায় পড়তে হবে বলেও দাবি। আদালতে জানানো হয়েছে, নিয়োগের বয়সসীমা নিয়ম বিভ্রান্তি রয়েছে। সিঙ্গল বেঞ্চ এই বিষয়ে কোনও বার্তা দেয়নি। এবার এই বিষয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন মামলাকারীরা।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি যায়। নতুন করে পরীক্ষা নিতে হবে বলেও সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দেয়। সেজন্য সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনে কমিশনের তরফে মে মাসের শেষে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। সুপ্রিম নির্দেশ মেনে সেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। সেই হিসেবে জুন মাসের শুরুতেই কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল।
বিজ্ঞপ্তি জারির পরে লুবানা পারভিন হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন। মামলাকারীর দাবি ছিল, ৪৪ হাজার নিয়োগের যে বিজ্ঞপ্তি ও রুল প্রকাশ করা হয়েছে তা অবৈধ। বয়সের ছাড় থেকে অভিজ্ঞতার নম্বর, সব ক্ষেত্রে নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়েছে বলেই তাঁর দাবি। প্রসঙ্গত, এসএসসির আগের বিজ্ঞপ্তিতে লিখিত পরীক্ষায় ছিল ৫৫ নম্বর। শিক্ষাগত যোগ্যতার উপরে ছিল ৩৫ নম্বর। ইন্টারভিউয়ে ক্ষেত্রে নম্বর ছিল ১০। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে লিখিত পরীক্ষায় নম্বর বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬০। শিক্ষাগত যোগ্যতার উপরে থাকবে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর। এখানে ২৫ নম্বর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বদলে যোগ করা হয়েছে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং ‘লেকচার ডেমোস্ট্রেশন’-এ। শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার উপর দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ নম্বর। ‘লেকচার ডেমোস্ট্রেশন’-এর জন্যও সর্বোচ্চ ১০ নম্বর রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং পড়ানোর দক্ষতার জন্য অতিরিক্ত ২০ নম্বর থাকছে। ইন্টারভিউয়ের জন্য আগের মতোই ১০ নম্বর থাকছে নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রেও।

২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনা মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার এবং এসএসসি। তবে সেই চাকরি বাতিল করে নতুন করে নিয়োগের কথা বলেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার, এসএসসি নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। পরীক্ষার নিয়মেও বদল আনা হয়। এই বদল ইস্যুতেই চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলাতেই বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য সোমবার নির্দেশ দেন, এসএসসি-র নতুন বিজ্ঞপ্তি মেনে চলবে নিয়োগ, তবে যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে বা যাঁদের নাম চাকরি বাতিল হওয়া তালিকায় রয়েছে, তাঁদের আবেদন বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সোমবারের সেই নির্দেশের পরই মঙ্গলবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন মামলাকারীরা। অতিরিক্ত ১০ নম্বর বিন্যাস থেকে শুরু করে আরও একাধিক বিষয়ের আর্জি যা বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য খারিজ করে দেন, তার বিরোধিতা করা হয়েছে।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যারা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত অযোগ্য তারা যাতে পরীক্ষায় বসতে না পারে সে বিষয়ে এসএসসি-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আরও একাধিক বিষয় রয়েছে যা স্কুল সার্ভিস কমিশন তাদের বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। সেগুলিই মূলত চ্যালেঞ্জ করেছে মামলাকারীরা। বিচারপতির স্পষ্ট বক্তব্য ছিল — যাঁরা ইতিমধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত, অথবা যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে আদালতের নির্দেশে, তাঁরা এই প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেও তাঁদের আবেদনপত্র বাতিল করতে হবে। এই প্রসঙ্গে আদালত জানায়, ”দাগি অযোগ্যদের কোনও ভাবেই ফের সুযোগ দেওয়া যায় না।”

আজকের খবর