ব্রেকিং
Latest Posts
Hiraan Chatterjee Wedding Scandal : ২১-শে হিরণ ভাইফোঁটা নিয়েছিলেন এখনকার বউ ঋতিকার কাছে, অবৈধ সম্পর্ক লুকোতেই ভাই বোন সেজে থাকা?Mamata against SIR : ‘এবার ওরা ঠিক করে দেবে কবে কে বিয়ে করবে? প্রেমটা ওরা ঠিক করে দেবে?’ বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতারSikh community social service in Bengal : ‘সেবা ও উন্নয়নে শিখ সম্প্রদায়ের অবদান অনস্বীকার্য’ ভবানীপুরে বললেন ডা. নির্মল মাজিSuvendu Adhikari Bhawanipur : ‘ভবানীপুরে এতক্ষণ আছি, এতেই উনি বিচলিত, সরস্বতী পুজোয় ৩৬টা আমন্ত্রণ পেয়েছি’ ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুরCPM against TMC BJP : ‘পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে আসুন আমরা একসঙ্গে হই’ তৃনমূল ও বিজেপিকে হারাতে বিরোধী জোট গঠনের ডাক সেলিমের
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Abhishek on GST : অভিষেকের কটাক্ষ জিএসটি নিয়ে: ‘‘বচত উৎসব’’ বলছেন প্রধানমন্ত্রী, তাহলে আগে কি ‘‘লুঠ উৎসব’’ চলছিল?

Abhishek on GST : অভিষেকের কটাক্ষ জিএসটি নিয়ে: ‘‘বচত উৎসব’’ বলছেন প্রধানমন্ত্রী, তাহলে আগে কি ‘‘লুঠ উৎসব’’ চলছিল?

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। প্রধানমন্ত্রী যে এখন জিএসটি বচত উৎসবের কথা বলছেন, তাহলে কি এতদিন ধরে লুঠ উৎসব চলেছে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এমন প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল....

Abhishek on GST : অভিষেকের কটাক্ষ জিএসটি নিয়ে: ‘‘বচত উৎসব’’ বলছেন প্রধানমন্ত্রী, তাহলে আগে কি ‘‘লুঠ উৎসব’’ চলছিল?

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Abhishek on GST : অভিষেকের কটাক্ষ জিএসটি নিয়ে: ‘‘বচত উৎসব’’ বলছেন প্রধানমন্ত্রী, তাহলে আগে কি ‘‘লুঠ উৎসব’’ চলছিল?

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। প্রধানমন্ত্রী যে এখন জিএসটি বচত উৎসবের কথা বলছেন, তাহলে কি এতদিন ধরে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

প্রধানমন্ত্রী যে এখন জিএসটি বচত উৎসবের কথা বলছেন, তাহলে কি এতদিন ধরে লুঠ উৎসব চলেছে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এমন প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিজেপি চাপে পড়েছে। ৩০৩ থেকে ২৪০-এ নেমে এসেছে। সে কারণে জিএসটি কমছে। বিজেপি জিতলে ট্যাক্স বাড়বে, হারলে ট্যাক্স কমবে।
অভিষেক বলেন, ১০ বছরে মানুষের রিলিফের কথা বলা হয়নি। অর্থনীতিকে রসাতলে পাঠিয়েছে বিজেপি সরকার। জিএসটিতে রাজ্যের সুপারিশ বিবেচনা করা হয় না। রাজ্যের প্রাপ্য অংশও দেওয়া হয় না। যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি ক্ষমতায় নেই সেখানে টাকা আটকে রাখার প্রচেষ্টা চলে। মানুষ অনেক বেশি বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ। তাঁরাই সিদ্ধান্ত নিন। ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। ৬০ আসন কমেছে বলে ২৮ শতাংশের জিএসটি ১৮ হয়েছে। ২০০ আসন পেলে ১৮ শতাংশের জিএসটি নয়ে নামতো। বিজেপি শূন্য হলে জিএসটিও শূন্য ৩০৩ থেকে। ২৭ থেকে ১৮ ২০০ হলে ১৮ ৯। জিএসটি শূন্য। বিজেপির বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এনআরসির সময় তা দেখা গিয়েছে। নোটবন্দি ব্যর্থ হয়েছে। কৃষি আইনের ক্ষেত্রে সাড়ে সাতশো গরিব কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। বিজেপির খালি বড় বড় কথা। পহেলগাঁওয়ের পর বলল, রক্ত আর জল মিশবে না। তাহলে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলবে কেন? পাক অধিকৃত কাশ্মীর দেশের দখলে আনতে হবে। আমাদের রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা। কিন্তু আমাদের নেত্রী বলেছেন, এই ব্যাপারে কেন্দ্র যা সিদ্ধান্ত নেবে তাতে আমাদের সমর্থন আছে। কিন্তু বিজেপির দ্বিচারিতা, হিপোক্র্যাসি প্রমাণিত। মানুষের মৃত্যুর দায় কার? খালি ঘোষণা হয়, বাস্তবায়ন, রূপায়ণ নেই। পাওয়ার উইদাউট অ্যাকাউন্টেবিলিটি, ডেডলি কম্বিনেশন। জবাবদিহিতা নেই। বাংলা থেকে কর বাবদ কত টাকা নিয়ে গিয়েছে আর বাংলার প্রাপ্য কত টাকা দিয়েছে সেটা সামনে আনা হোক। প্রধানমন্ত্রী এসে বললেন, তৃণমূল চুরি করে বলে বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়। কিন্তু শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পারেনি কেন্দ্র। একশো দিনের কাজের টাকা দেওয়ার ব্যাপারে হাইকোর্টের অর্ডার চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে কেন্দ্র। মানুষকে টাকা দেওয়া কেন্দ্রের উদ্দেশ্য নয়। ৬৯ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডার রয়েছেন। তাঁরা টাকা পাক, মুখে হাসি ফুটুক, পুজোয় নতুন জামা কিনুক সেটা নয়, কীভাপ গলা টিপে মারা যায় সেটাই ওদের ভাবনা। জিরেতে ১৮ শতাশ জিএসটি ছিল, হিরেতে তিন শতাংশ। দুধ, খাবারের বিস্কুট, বডি অয়েল, সর্ষের তেল, শ্যাম্পু, বিস্কুট, আটা, কাপড-জামা, জুতো, প্যান্ট, ঘড়ি, খাতা, পেন সবেতেই জিএসটি। এমন কর ব্যবস্থা যে, অর্থনীতির বারোটা বাজিয়েছে। মানুষ বেগ দিয়েছে, তাতে জিএসটি কমেছে। ২-৩-৪ বছর আগে তো কমেনি। ভেবেছিল ধর্মে ধর্মে বিভাজন করেই ভোটে জিতবে। রাম মন্দির যেখানে করেছে, সেই অযোধ্যায় হেরেছে। মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে।
মহালয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীর মণ্ডপ উদ্বোধনকে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এ ব্যাপারে অভিষেক বলেন, তাহলে তো শুভেন্দু অধিকারীর কথা অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে বড় হিন্দু-বিরোধী নরেন্দ্র মোদী। কারণ, তিনি রামনবমীর তিন মাস আগে রাম মন্দির উদ্বোধন করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী না হয় একদিন আগে! এটা বিজেপির দ্বিচারিতা নয়? নির্বাচনে ফল পেতে তিন মাস আগে রাম মন্দির উদ্বোধন হিন্দু রীতি-নীতির পরিপন্থী কিনা সেই প্রশ্ন করার ক্ষমতা মিডিয়ার আছে শুভেন্দু অধিকারীকে?

ইডি মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহাকে হেফাজতে নিতে চেয়েছে। কাল ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ আদালতে রায় ঘোষণা। অভিষেক বলেন, আমি ইডি, সিবিআইয়ে চাকরি করি না। বিচারব্যবস্থায় আস্থা রাখি। রায় চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে যাওয়ার রাস্তা খোলা। আমি ভবিষ্যদ্বাণী করি না। তবে ইডি, সিবিআইয়ের গ্রহণযোগ্যতা, নিরপেক্ষতা নিয়ে যত কম বলা যায় ততো ভালো। ১০ বছর ধরে তদন্ত চালাচ্ছে, ১০ পয়সাও ফেরত দেয়নি মানুষকে। সারদার সময় রাজ্য সরকার এফআইআর করে সুদীপ্ত সেনকে গ্রেফতার করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার শ্যামল সেন কমিশন গড়ে টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। আর কেউ বিজেপিতে গেলে সাত খুন মাফ হয়ে যায়। সবাই ধোয়া তুলসিপাতা। আর যাঁরা বিরোধিতা করেন ইলেকশন এলেই তাঁদের টর্চার, হেনস্থা করা হয়।

আজকের খবর