ব্রেকিং
Latest Posts
Newtown BJP Leader Arrested : নিউটাউনে বৃদ্ধার ফ্ল্যাট দখলের অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপি নেতা! পুলিশের সামনে ডিমবৃষ্টি, তুমুল বিক্ষোভে উত্তপ্ত এলাকাKoel Mullick : ২১ জুলাইয়ের আগে মমতার চাপ বাড়িয়ে রাজ্যসভার সাংসদ পদে ইস্তফা কোয়েল মল্লিকের, ইস্তফা দিয়েই বৈঠক ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে‘যাঁর যাঁর যাওয়ার আছে, ২১ জুলাইয়ের আগে লোটাকম্বল গুছিয়ে দল ছেড়ে চলে যান’ ডেডলাইন মমতারKolkata Book Fair : বইমেলাতেও কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ! তৃণমূল আমলের ফাইল খুলতে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীরনবান্নে ফ্লিপকার্টের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে শুভেন্দুর বৈঠক, বাংলার ই-কমার্সে বড় বিনিয়োগের ইঙ্গিত, শিল্প ও কর্মসংস্থানে নতুন বার্তা
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ‘বিদ্রোহী তৃণমূল বলে কিছু নেই!’ কাকলি-সুদীপদের নিশানা করে বিস্ফোরক অধীর, তুললেন বিজেপির দরজা বন্ধের দাবি

‘বিদ্রোহী তৃণমূল বলে কিছু নেই!’ কাকলি-সুদীপদের নিশানা করে বিস্ফোরক অধীর, তুললেন বিজেপির দরজা বন্ধের দাবি

‘বিজেপিতে যেতে চেয়েও সুযোগ পাননি অনেকে’, চাঞ্চল্যকর মন্তব্য প্রাক্তন লোকসভা বিরোধী দলনেতার সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে কি সত্যিই তৈরি হয়েছে ‘বিদ্রোহী তৃণমূল’? নাকি সবটাই রাজনৈতিক কৌশল? এই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে, ঠিক তখনই বিস্ফোরক মন্তব্য....

‘বিদ্রোহী তৃণমূল বলে কিছু নেই!’ কাকলি-সুদীপদের নিশানা করে বিস্ফোরক অধীর, তুললেন বিজেপির দরজা বন্ধের দাবি

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ‘বিদ্রোহী তৃণমূল বলে কিছু নেই!’ কাকলি-সুদীপদের নিশানা করে বিস্ফোরক অধীর, তুললেন বিজেপির দরজা বন্ধের দাবি

‘বিজেপিতে যেতে চেয়েও সুযোগ পাননি অনেকে’, চাঞ্চল্যকর মন্তব্য প্রাক্তন লোকসভা বিরোধী দলনেতার সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

‘বিজেপিতে যেতে চেয়েও সুযোগ পাননি অনেকে’, চাঞ্চল্যকর মন্তব্য প্রাক্তন লোকসভা বিরোধী দলনেতার

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে কি সত্যিই তৈরি হয়েছে ‘বিদ্রোহী তৃণমূল’? নাকি সবটাই রাজনৈতিক কৌশল? এই প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে, ঠিক তখনই বিস্ফোরক মন্তব্য করে নতুন বিতর্ক উসকে দিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)।

 

তাঁর দাবি, তৃণমূলের তথাকথিত বিদ্রোহী শিবির বলে আলাদা কিছু নেই। বরং যাঁরা নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলাতে চাইছেন, তাঁরাই আইনগত ও রাজনৈতিক ঝুঁকি এড়াতে নতুন গোষ্ঠীর তকমা ব্যবহার করছেন।

 

কলকাতা (West Bengal Politics)-র রাজনৈতিক মহলে অধীরের এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। বিশেষ করে তৃণমূলের একাংশের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে তাঁর মন্তব্যে বেড়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ।

 

অধীরের বক্তব্যে উঠে এসেছে কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakoli Ghosh Dastidar) এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandyopadhyay)-এর নামও। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত হওয়ার পরেও দলের মূল রাজনৈতিক অবস্থানের বাইরে গিয়ে তাঁরা এমন এক পথে হাঁটছেন, যা কার্যত এনডিএ-র রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদের বক্তব্য, যদি সত্যিই কোনও নেতা বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে প্রকাশ্যেই নতুন রাজনৈতিক পথ বেছে নেওয়া উচিত। আলাদা গোষ্ঠীর আড়ালে অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

এখানেই থামেননি অধীর। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)-এর ফল প্রকাশের পর তৃণমূলের টিকিটে জয়ী একাধিক জনপ্রতিনিধি বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

 

তাঁর কথায়, “অনেকে বিজেপিতে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিজেপি তাঁদের নিতে আগ্রহ দেখায়নি।”

 

এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে দলবদল এবং নতুন সমীকরণ নিয়ে নানা আলোচনা চলেছে।

 

অধীরের মতে, বর্তমানে তৃণমূলের ভিতরে মতাদর্শগত ও রাজনৈতিক অবস্থানের একাধিক স্তর তৈরি হয়েছে। একদল নেতৃত্বের পাশে অটল থাকলেও অন্য একটি অংশ ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখে নিজেদের অবস্থান বদলানোর চেষ্টা করছে।

 

তাঁর আরও দাবি, তথাকথিত বিদ্রোহী শিবির তৈরির পিছনে রাজনৈতিক নিরাপত্তার প্রশ্নও রয়েছে। সরাসরি দলত্যাগের অভিযোগ বা আইনি জটিলতা এড়িয়ে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখার জন্যই এই ধরনের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, রাজ্যের ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। শাসক ও বিরোধী রাজনীতির সম্পর্কও নতুন করে সংজ্ঞায়িত হয়। সেই প্রেক্ষাপটে অধীরের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

 

তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত অধীরের অভিযোগের বিস্তারিত জবাব সামনে আসেনি। ফলে তাঁর দাবি কতটা রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন আর কতটা রাজনৈতিক আক্রমণের কৌশল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

একদিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ নিয়ে জল্পনা, অন্যদিকে বিজেপিকে ঘিরেও নতুন প্রশ্ন—সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনীতি ফের উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে।

এখন নজর একটাই—এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব কী আসে? আর তথাকথিত ‘বিদ্রোহী শিবির’ বিতর্ক কি আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে আরও বড় ঝড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে?

 

আজকের খবর