ব্রেকিং
Latest Posts
Chandrima Bhattacharya : ‘কালের নিয়মে চলতে হয়, সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব’ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে দাবি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যেরSuvendu Adhikari : ‘বাংলাকে ভারত সেরা করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে’ নবনির্বাচিত বিধায়কদের গণতন্ত্র রক্ষার আহ্বান শুভেন্দু অধিকারীরSonarpur Newtown Bus : সোনারপুরের স্বপ্নপূরণ, পরিবহন মন্ত্রীর নির্দেশে সোনারপুর থেকে নিউটাউন সরাসরি AC বাস পরিষেবা চালুSuvendu Police Reforms : নারী সুরক্ষায় জিরো টলারেন্স শুভেন্দুর! বাংলা জুড়ে চালু হচ্ছে ১১২ জরুরি পরিষেবা, দুর্গা সুরক্ষা বাহিনী ও সাইবার সহায়তা কেন্দ্রের ঘোষণাTMC vs TMC : তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে নতুন সংঘাত! নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চে ঋতব্রত শিবিরের বৈঠক ঘিরে বিস্ফোরক প্রশ্ন ‘কালীঘাট তৃণমূল’-এর
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Chandrima Bhattacharya : ‘কালের নিয়মে চলতে হয়, সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব’ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে দাবি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের

Chandrima Bhattacharya : ‘কালের নিয়মে চলতে হয়, সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব’ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে দাবি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের

তৃণমূলে নতুন জল্পনা, রাজ্য সভাপতির পদ ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বললেন—‘সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকেই যাব’ সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ‘কালের নিয়মে চলতে হয়। সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব।’ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ....

Chandrima Bhattacharya : ‘কালের নিয়মে চলতে হয়, সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব’ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে দাবি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Chandrima Bhattacharya : ‘কালের নিয়মে চলতে হয়, সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব’ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে দাবি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের

তৃণমূলে নতুন জল্পনা, রাজ্য সভাপতির পদ ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বললেন—‘সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকেই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

তৃণমূলে নতুন জল্পনা, রাজ্য সভাপতির পদ ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বললেন—‘সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকেই যাব’

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

‘কালের নিয়মে চলতে হয়। সময় যেদিকে নিয়ে যাবে, সেদিকে যাব।’ তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়ে এমন দাবি করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শুক্রবার পদত্যাগ করার পর চন্দ্রিমা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। সেই ছবি সামনে এসেছে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর, এবার প্রকাশ্যেই বিদ্রোহী শিবিরের দিকে ঝুঁকলেন প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো পদত্যাগপত্রে চন্দ্রিমা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতির পদের পাশাপাশি দলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী এবং নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধির পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন। দলীয় পদ ছাড়ার নেপথ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে দায়ী করেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ঋতব্রত গোষ্ঠীর তরফে তৃণমূল ভবন দখল করার যে চেষ্টা হয়েছিল, তার পেছনে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত রয়েছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সন্দেহ প্রকাশ করেন। দলনেত্রীর মুখে নিজের আনুগত্য নিয়ে এমন প্রশ্ন তোলায় তিনি গভীরভাবে আঘাত পেয়েছেন এবং তার জেরেই মমতা শিবির ও সংগঠনের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শনিবার তিনি রাজ্য বিধানসভায় গিয়ে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করেন। বিধানসভায় পৌঁছানোর পর বর্ষীয়ান বিদায়ী বিধায়ক সন্দীপন সাহা সহ অন্যান্য বিদ্রোহী নেতারা চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

চন্দ্রিমা দাবি করেন, মন্ত্রী হলেও গুরুত্ব ছিল না তাঁর। বাজেট নিয়েও তাঁর সঙ্গে কোনও আলোচনা হত না। গোপন রাখা হত তাঁর কাছ থেকেও। প্রাক্তন মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার বিশ্বাসযোগ্যতা কী, আনুগত্য কতটা, তা আপনারা জানেন। আপনাদের সঙ্গে আমি রূঢ় ব্যবহার করেছি। আমি স্বীকার করছি। আপনাদের বলেছি, বলব না, মন্ত্রগুপ্তি আছে, মমতার নির্দেশ ছাড়া কিছু বলব না। আপনাদের প্রশ্নের জবাব দিইনি। আপনাদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, ‘সবাইকেই সময়ের সঙ্গে চলতে হয়, আমিও তার ব্যতিক্রম নই। আমি পেনশনের কাজে এসেছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই আমি শাসক দলের ঘরে না বসে বিরোধী শিবিরের ঘরে বসেছি। আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা সময়ই বলবে এবং সবাই তা দেখতে পাবেন।’

 

আজকের খবর