সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।
বারো বছরের কিশোরী ধর্ষণ করে খুন? বাড়ির কাছেই পুকুরে পাওয়া গেল দেহ। গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের মৃত্যু। রেল ও পথ অবরোধ। অগ্নিগর্ভ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর। মৃত কিশোরীর বাার সঙ্গে ফোন কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার তাঁকে ভবানীভবনে যেতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বারুইপুর থানার ধপধপি ২ পঞ্চায়েতের সূর্যপুর হাট এলাকার ঘটনা। পরিবারের সূত্রে খবর, গতকাল শনিবার বিকেল চারটে থেকে নিখোঁজ ছিল ওই কিশোরী। খাবার কেনার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। আজ, রবিরা বাড়ির কাছেই একটি পুকুর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এরপরই পরিস্থিতি রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।
দেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পথ অবরোধ করেন তাঁরা। অবরোধ সর্যপুর স্টেশনেও। বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদহ-নামাখানা লাইনে ট্রেন চলাচল। শুধু তাই নয়, বিক্ষোভ চলাকালীন এক যুবককে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।
পরিবারের দাবি, ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে দিয়েছিল চার যুবক। তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে তাকে। শেষপর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। বেলা ১২ নাগাদ পুলিস দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে। এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিসবাহিনী। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আটক ২।

এই ঘটনার কথা জানার পরেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি করে ঘটনাস্থলে যেতে চাইলেও তাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলে বেরোতে দেওয়া হয়নি বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ। কুনাল ঘোষ বলেন, “বারুইপুর যেতে চেয়েছিলেন জননেত্রী। খবর পেয়ে তাঁকে আটকাতে তাঁর বাড়ির সামনে বিরাট পুলিশবাহিনী, ব্যারিকেড। যাতে নেত্রী এখন বেরোতে না পারেন। সূত্রের খবর, কালও এই ব্যারিকেড থাকবে। পুলিশের তরফে এখনও সরকারিভাবে কিছু বলা হয়নি। কিন্তু একাধিক সূত্র বিষয়টি জানাচ্ছে। নেত্রী তৈরি হয়ে গিয়েছিলেন। আপাতত পরিস্থিতি জটিল।”