ব্রেকিং
Latest Posts
Bike Banned : ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগে থেকেই বাংলায় নিষিদ্ধ বাইক, রাস্তায় নামবে না Rapido, Uber-সহ কোন অ্যাপ বাইকMamata Bhabanipur : “যতই ধমকাক, চমকাক আপনারা একজোট হয়ে ভোট দেবেন” নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে ডোর টু ডোর প্রচারে মমতাYogi on Vivekananda : “স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন ‘তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব’ স্বামী বিবেকানন্দ আর নেতাজিকে গুলিয়ে দিলেন যোগী আদিত্যনাথMamata attacks Modi : ‘১০ টাকা কখনও ওঁর পকেটে থাকে? কত নাটক! ঝালমুড়িও নিজেরা তৈরি করে রেখেছে’ মোদিকে তীব্র ব্যঙ্গ মমতারShamik NRI Bengali : ‘মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন যে আমরা বাইরে থেকে ভোটার আনছি, কিন্তু সেই ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গেরই’ মমতাকে কটাক্ষ শমীকের
  • Home /
  • কলকাতা /
  • KP on Nabanna Abhiyan : “এমন কোনও ছবি বা ভিডিয়ো থাকে পুলিশ মারছে, তাহলে তা শেয়ার করতে পারেন, পুলিশকেই ফেলে মারা হয়েছে” নবান্ন অভিযানে তিলোত্তমার মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগ নিয়ে জানাল কলকাতা পুলিশ

KP on Nabanna Abhiyan : “এমন কোনও ছবি বা ভিডিয়ো থাকে পুলিশ মারছে, তাহলে তা শেয়ার করতে পারেন, পুলিশকেই ফেলে মারা হয়েছে” নবান্ন অভিযানে তিলোত্তমার মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগ নিয়ে জানাল কলকাতা পুলিশ

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “আমরা চাইনি উনি আহত হন। পুলিশকে ফেলে মেরেছে খতিয়ে দেখেছি। কিন্তু কোথাও এমন দেখা যাচ্ছে না যে, পুলিশ মেরেছে। ওইখানে অনেক মিডিয়া ছিল। তাঁদের কাছে এমন কোনও ছবি বা ভিডিয়ো থাকে পুলিশ মারছে, তাহলে তা শেয়ার....

KP on Nabanna Abhiyan : “এমন কোনও ছবি বা ভিডিয়ো থাকে পুলিশ মারছে, তাহলে তা শেয়ার করতে পারেন, পুলিশকেই ফেলে মারা হয়েছে” নবান্ন অভিযানে তিলোত্তমার মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগ নিয়ে জানাল কলকাতা পুলিশ

  • Home /
  • কলকাতা /
  • KP on Nabanna Abhiyan : “এমন কোনও ছবি বা ভিডিয়ো থাকে পুলিশ মারছে, তাহলে তা শেয়ার করতে পারেন, পুলিশকেই ফেলে মারা হয়েছে” নবান্ন অভিযানে তিলোত্তমার মা-বাবাকে মারধরের অভিযোগ নিয়ে জানাল কলকাতা পুলিশ

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “আমরা চাইনি উনি আহত হন। পুলিশকে ফেলে মেরেছে খতিয়ে দেখেছি। কিন্তু কোথাও....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

“আমরা চাইনি উনি আহত হন। পুলিশকে ফেলে মেরেছে খতিয়ে দেখেছি। কিন্তু কোথাও এমন দেখা যাচ্ছে না যে, পুলিশ মেরেছে। ওইখানে অনেক মিডিয়া ছিল। তাঁদের কাছে এমন কোনও ছবি বা ভিডিয়ো থাকে পুলিশ মারছে, তাহলে তা শেয়ার করতে পারেন।” গত শনিবার নবান্ন অভিযানের দিনে তিলোত্তমার মা-বাবাকে পুলিশ মারধর করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে সেই প্রসঙ্গে আজ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কলকাতা পুলিশ। যুগ্ম কমিশনার (সদর) মিরাজ খালিদ এবং কলকাতা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, “এখনো পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি, যেখানে দেখা যাচ্ছে পুলিশ অভয়ার মাকে ফেলে মারধর করছে।”
গত শনিবার বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীর ডাকে সাড়া দিয়ে নবান্ন অভিযানে শামিল হয়েছিলেন তিলোত্তমার মা-বাবা। সেই অভিযানে তিলোত্তমার মাকে মারধর করা হয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা। এছাড়াও একাধিক অভিযোগ উঠে আসে। পাল্টা আবার পুলিশকে গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযানের দু’দিন পর আজ এই নিয়ে বৈঠকে বসেন যুগ্ম কমিশনার হেডকোয়ার্টার মিরাজ খালিদ, যুগ্ম কমিশনার অপরাধ রুপেশ কুমার এবং ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়।
বৈঠক থেকে মিরাজ খালিদ বলেন, “গত ৯ তারিখ নবান্ন অভিযান হয়। ‘নবান্ন চলো’ সমাজ মাধ্যমে প্রচার চলে। পুলিশকে কোনও কিছু জানানো হয়নি। পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ ফেসবুকে ডাক দেয় বলে জানতে পারি। এরপর ওদের ইমেল করি। সেই সময় তাঁরা বলে আমরা আয়োজক নই। তারপরে আদালতে যায়।”
মিরাজ খালিদ এও বলেন, “পুলিশের তরফে বলা হয়, হয় সাঁতরাগাছি বা রানি-রাসমণিতে বিক্ষোভ দেখানো যেতে পারে। এটি প্রেস ব্রিফিং করেও বলা হয়।” তিনি আরও বলেন, “৯ তারিখ পুলিশ ছিল। ওখানে ৫০০ মত লোক ছিল। হঠাৎ করে রানি-রাসমণি না গিয়ে ডোরিনা গিয়ে সাউথের দিকে মিছিল যায়। সেই সময় পুলিশ বাধা দেয়। বলা হয় যে রুট তো ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পার্কস্ট্রিট দিকে যেতেই থাকে। কেউ কথা শোনেনি। পুলিশকে মারধর হয়েছে। ৫ জন পুলিশ আহত হয়েছে। ডিসির গার্ড গুরুতর আহত হয়েছেন। ৬ টি কেস রেকর্ড হয়েছে।” এরপর এদিন মিছিলের একটি ভিডিয়ো দেখানো হয় পুলিশের তরফে। সেই ভিডিয়ো দেখানোর পর পরবর্তীতে পুলিশের তরফে জানানো হয়,পরিস্থিতি খারাপের জন্য মৃদু লাঠিচার্জ করা হয়েছে। অভয়ার মা আহত হওয়ার অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিউ মার্কেট থানায় দায়ের হয়েছে। কীভাবে তিনি আহত হলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়, যেখানে দেখা যায়, আর আর অ্যাভিনিউয়ের পরিবর্তে মিছিল পার্ক স্ট্রিটের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ কিড স্ট্রিট এবং পার্ক স্ট্রিটে বাধা দেয়। পুলিশের দাবি, সংঘর্ষে ৫ জন পুলিশকর্মী আহত হন, গুরুতর আহত হন ডিসি এসএসডি-র গার্ড।
এরপর সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন তিলোত্তমার মায়ের অভিযোগ নিয়ে। এ প্রসঙ্গে উত্তর দিতে গিয়ে যুগ্ম কমিশনার হেডকোয়ার্টার মিরাজ খালিদ বলেন, “আমরা চাইনি উনি আহত হন। পুলিশকে ফেলে মেরেছে খতিয়ে দেখেছি। কিন্তু কোথাও এমন দেখা যাচ্ছে না যে, পুলিশ মেরেছে। ওইখানে অনেক মিডিয়া ছিল। তাঁদের কাছে এমন কোনও ছবি বা ভিডিয়ো থাকে পুলিশ মারছে, তাহলে তা শেয়ার করতে পারেন।”

আজকের খবর