শৌভিক তালুকদার। কলকাতা সারাদিন। নয়াদিল্লি — (Breaking Legal Update)।
দেশে যেভাবে (Random YouTube Channels) এবং (Social Media Platforms) খুলে যে কেউ ইচ্ছে অনুযায়ী আপত্তিকর ভিডিও, ব্যক্তিগত আক্রমণ, রাজনৈতিক প্রচার এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে, তার বিরুদ্ধে এবার কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট।
সোমবার ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষণে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দেন — “যার যখন ইচ্ছে YouTube চ্যানেল খুলে কারো বিরুদ্ধে বদনাম বা Propaganda ভিডিও দিতে পারে না। Accountability এবং Legal Responsibility জরুরি।”
🔥 আদালতের কড়া মন্তব্য
শুনানির সময় বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন —
> “Freedom of Speech অমূল্য, কিন্তু তার আড়ালে বিকৃতি, Character Assassination বা জাতির ক্ষতি— চলবে না।”
তিনি আরও যোগ করেন —
> “Social Media Platforms সৃষ্টি করে কেউ জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না।”
🔧 কেন্দ্রকে সরাসরি নির্দেশ — “অবিলম্বে কঠোর আইন আনুন”
বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছে—
📌 ৪ সপ্তাহের মধ্যে নিয়ম তৈরির প্রস্তাব জমা দিতে হবে।
📌 YouTube, Facebook, X, Instagram-এ Anonymous বা Fake Accounts সীমিত করতে হবে।
📌 Online Content Upload-এর আগে Verification System প্রয়োজন।
🚫 কেন জরুরি আইন?
সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে —
Unverified videos ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই Viral Content হয়ে যাচ্ছে
AI-Generated Fake videos দিয়ে Reputation Damage করা হচ্ছে
দেশের Security এবং Sovereignty ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর প্রমাণ না পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যায় না
⚠ কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান
শুনানিতে Solicitor General তুষার মেহতা জানান —
> “বিষয়টি শুধু Obscenity নয় — এর থেকেও গভীর Social Distortion হচ্ছে।”
নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে?
বিখ্যাত আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ সতর্ক করেন —
যদি নিয়ন্ত্রণ সরকারের হাতে যায়, তাহলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা শুরু হতে পারে।
এর উত্তরে প্রধান বিচারপতি বলেন —
> “এক্ষেত্রে Government Body নয় — দরকার Independent Regulatory Authority।”
এই সংস্থায় থাকতে পারে:
✔ বিচারক
✔ সাংবাদিক
✔ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ
✔ স্বাধীন মনিটরিং সেল

🇮🇳 ডিজিটাল ভারত — কিন্তু নিয়ম ছাড়া নয়
বিচারপতির ভাষায় —
> “শিশুরাও Right to Expression-এর অধিকারী, কিন্তু সমাজকে Responsible হতে হবে।”
এখন নজর দেশের — কেন্দ্র সরকার চার সপ্তাহে কী প্রস্তাব জমা দেয়!