ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Calcutta Highcourt Chingrihata Metro : কাটতে চলেছে চিংড়িঘাটার মেট্রোর জট, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যে কাজ শেষের নির্দেশ হাইকোর্টের

Calcutta Highcourt Chingrihata Metro : কাটতে চলেছে চিংড়িঘাটার মেট্রোর জট, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যে কাজ শেষের নির্দেশ হাইকোর্টের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। দীর্ঘ টালবাহানার পরে অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কাটতে চলেছে চিংড়িঘাটার মেট্রো জট। চিংড়িহাটা মেট্রোর বাকি কাজ শেষ করার জন্য বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা। পিলার তৈরির জন্য এবার সময়সীমা বেঁধে হাইকোর্ট। ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে মেট্রোর পিলার তৈরির....

Calcutta Highcourt Chingrihata Metro : কাটতে চলেছে চিংড়িঘাটার মেট্রোর জট, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যে কাজ শেষের নির্দেশ হাইকোর্টের

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Calcutta Highcourt Chingrihata Metro : কাটতে চলেছে চিংড়িঘাটার মেট্রোর জট, ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যে কাজ শেষের নির্দেশ হাইকোর্টের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। দীর্ঘ টালবাহানার পরে অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কাটতে চলেছে চিংড়িঘাটার মেট্রো জট।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

দীর্ঘ টালবাহানার পরে অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কাটতে চলেছে চিংড়িঘাটার মেট্রো জট। চিংড়িহাটা মেট্রোর বাকি কাজ শেষ করার জন্য বেঁধে দেওয়া হল সময়সীমা। পিলার তৈরির জন্য এবার সময়সীমা বেঁধে হাইকোর্ট। ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে মেট্রোর পিলার তৈরির কাজ শেষ করতে হবে, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

১৫ ফেব্রুয়ারির আগে তিন রাত ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করবে রাজ্য সরকার। কবে, কীভাবে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ হবে সেটা ৬ জানুয়ারির মধ্যে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড বা আরভিএনএল-কে জানাবে রাজ্য। এমনটাই নির্দেশ এসেছে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে। প্রসঙ্গত, এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য-রেল বৈঠকেও সমাধান মেলেনি। এবার দেখার শেষ পর্যন্ত বাস্তবের মাটিতে জট কতটা কাটে।

চিংড়িঘাটায় আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে কমলা লাইন (নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর)-এর মেট্রোর বকেয়া কাজ। এই নিয়ে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার জানিয়ে দিল, এই কাজ কী ভাবে শেষ হবে, তা নিয়ে ৬ জানুয়ারির মধ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করে জানিয়ে দিতে হবে রাজ্য এবং ট্রাফিক পুলিশকে। আদালতের রায়ের উপর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল স্থগিতাদেশ চাইলেও তা খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

এ দিন শুনানি পর্বে অসন্তোষ প্রকাশ করে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতিরা জানান, জনস্বার্থে এমন একটা কাজ রাজ্যের অসহযোগিতায় ঝুলে রয়েছে। তা নাগরিক পরিষেবার পরিপন্থী। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, ২০২৬-এর ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে এই কাজ শেষ করতে সব রকম পদক্ষেপ করতে হবে পুলিশকে। কোন তিন দিন ট্রাফিক ব্লক করা যাবে, আগে থেকে নির্দিষ্ট করে আগামী ৬ জানুয়ারির আগে তা জানিয়ে দিতে হবে রেল বিকাশ নিগমকে।
এই মামলা জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণযোগ্যই নয়, এ দিন নতুন করে আদালতে দাবি করে রাজ্য। যা নিয়ে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এই কাজ হয়ে গেলে নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো চলবে। এই কাজ যদি জনস্বার্থে না হয়, তা হলে কোনটা জনস্বার্থে? আদালতের আরও বক্তব্য, রাজ্যের এই অসহযোগিতার জন্য প্রকল্পের খরচও বেড়ে যাবে। তার প্রভাব পড়বে জনগণের উপরেই। এই অবস্থায় আদালতের হস্তক্ষেপ করা জরুরি বলে মনে করে ডিভিশন বেঞ্চ।

এর আগের শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়েছিল, জানুয়ারির মধ্যেই শেষ করতে হবে চিংড়িঘাটায় মেট্রোর বকেয়া কাজ। আদালতের সেই নির্দেশ এখনও ফলপ্রসূ না হওয়ায় মঙ্গলবার আবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি পাল এবং বিচারপতি গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষের বৈঠকে কাজের ব্যাপারে ঐকমত্য হওয়ার পরেও সেটা বাস্তবায়ন করা যায়নি।

এমনকি, গত বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর আবার সব পক্ষকে বৈঠকে বসে কাজের ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। এর পরেই মঙ্গলবার হাই কোর্টের নির্দেশ, রাজ্য এবং ট্রাফিক পুলিশকে এই কাজের পরিকল্পনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কী ভাবে, কী করা হবে, তা ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারির মধ্যে জানাতে হবে। ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে বকেয়া কাজ।
রাজ্যের তরফে আগের শুনানিতে জানানো হয়েছিল, এই মুহূর্তে রাস্তা বন্ধের অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। জানুয়ারি মাসেও তা সম্ভব নয়। ফেব্রুয়ারির আগে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ করা যাবে না।

সেই নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘এখন বিভিন্ন উৎসবের সময়। এটা কোনও অজুহাত নয়। ভারতবর্ষ উৎসবের দেশ। একটা উৎসব শেষ হলেই অন্য আর একটি উৎসব শুরু হয়। মেট্রোরেলের কাজে বৃহত্তর জনগণের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। তা সত্ত্বেও রাজ্যের মনোভাবে আমরা সন্তুষ্ট নই। বার বার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও সেটা বাস্তবায়ন না হওয়ায় আমরা নির্দেশ দিতে বাধ্য হচ্ছি। আমরা রাজ্য এবং ট্রাফিক পুলিশকে সিদ্ধান্ত নিতে নির্দেশ দিচ্ছি।’

আজকের খবর