ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Shamik Suvendu attack Mamata : “হার বুঝেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল” বিধানসভায় তোপ শমীক–শুভেন্দুর

Shamik Suvendu attack Mamata : “হার বুঝেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল” বিধানসভায় তোপ শমীক–শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ‘তৃণমূল জানে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল চলে যাবে। আর শুধুমাত্র সেই কারণেই রাজ্যের সর্বত্র বিজেপির নেতা কর্মীদের উপরে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। শুধুমাত্র সেই কারণেই ২০১৬ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত বাংলায় দিন সর বেশি বিজেপি নেতা....

Shamik Suvendu attack Mamata : “হার বুঝেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল” বিধানসভায় তোপ শমীক–শুভেন্দুর

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Shamik Suvendu attack Mamata : “হার বুঝেই বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল” বিধানসভায় তোপ শমীক–শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ‘তৃণমূল জানে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল চলে যাবে। আর শুধুমাত্র সেই কারণেই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

‘তৃণমূল জানে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল চলে যাবে। আর শুধুমাত্র সেই কারণেই রাজ্যের সর্বত্র বিজেপির নেতা কর্মীদের উপরে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। শুধুমাত্র সেই কারণেই ২০১৬ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত বাংলায় দিন সর বেশি বিজেপি নেতা কর্মী তৃণমূলের আক্রমণে মারা গিয়েছেন।’ এভাবেই আজ রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পাশে নিয়ে তার সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

 

রাজ্যসভার নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, ‘বিজেপি চাইলে রাজ্যসভার মনোনয়নে আরও একজন প্রার্থী দিয়ে ক্রস ভোটিংয়ে যেতে পারতাম। কারণ তৃণমূল জানে ওদের অন্তত ৬০ জন বিধায়ক আমাদের ভোট দিত। হুমায়ুন কবীরও সেই তালিকায় থাকত। কিন্তু আমরা এসব করি না। ক্রস ভোটিং তৃণমূল করে। তাই তারা ভয়ে বাড়তি প্রার্থী দেয়নি। আমরা ৫ টি নাম পাঠিয়েছিলাম। তবে গুরুত্ব দিয়েই রাহুল সিনহার নাম পাঠিয়েছিলাম। মাঝে দু’দিন ছুটি থাকায় শুধু একটি কাগজপত্র দিতে দেরি হয়েছে। তবে সবই আমাদের প্রস্তুত ছিল।’

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য বিধানসভায় মনোনয়ন জমা দিলেন বিজেপি বর্ষীয়ান নেতা রাহুল সিনহা। এরপর সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৈঠকেই শুভেন্দু তৃণমূলের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে মুখ খোলেন। একসময়ে তাঁর দলের পুরনো নেতা, লড়াইয়ের সঙ্গী সুব্রত বক্সীকে এবার প্রার্থী না করায় কার্যত ক্লেশ ধরা পড়ে শুভেন্দুর গলায়।

 

তিনি বলেন, ‘সব রাজনৈতিক লোককে তিনি বাণপ্রস্থে পাঠিয়ে দিয়ে, তিনি এককভাবে প্রার্থী করেছেন দু’জনকে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ। সারদার ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস নষ্ট করার জন্য রাজীব কুমারকে পুরস্কার দিয়েছেন, বিনীত গোয়েলকে আরজি কর কেসে বাঁচিয়ে দেওয়ার জন্য মেনকা গুরুস্বামীকে গিফট দিয়েছেন। সুব্রত বক্সীর মতো, ওনার যুব কংগ্রেসের সময় থেকে রয়েছেন। উনি হাঁটতে পারেন, চলতে পারেন, এখনও পর্যন্ত জেলার সংগঠন দেখেন।

এখন জিজ্ঞাসা করতে গেলে বক্সী দা বলবেন, তিনি নিজে থেকে না বলেছেন। আমাদের কষ্ট হচ্ছে, যাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসটা তৈরি করেছিল, সেই নেতাকে আজকে অবসরে পাঠানো হচ্ছে। বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক, মেনকা গুরুস্বামী, আর রাজীব কুমারের মতো কুখ্যাত আইপিএস-কে জায়গা করে দেওয়ার জন্য। সুব্রত বক্সীকে আজকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে।’

আজকের খবর