ব্রেকিং
Latest Posts
  • Home /
  • Featured News /
  • Congress TMC Merger : ২০২৯-এ বিজেপিকে হারাতে ‘মহা প্রত্যাবর্তন’ পরিকল্পনা? কংগ্রেসে ফেরার ডাক আঞ্চলিক দলগুলিকে, শরদ শিবিরের মন্তব্যে জোর জল্পনা

Congress TMC Merger : ২০২৯-এ বিজেপিকে হারাতে ‘মহা প্রত্যাবর্তন’ পরিকল্পনা? কংগ্রেসে ফেরার ডাক আঞ্চলিক দলগুলিকে, শরদ শিবিরের মন্তব্যে জোর জল্পনা

সোনিয়ার ঐক্যের বার্তা, সুপ্রিয়া সুলের ইঙ্গিতে নতুন সমীকরণ! তৃণমূল-এনসিপি-ওয়াইএসআরসিপি কি ফের কংগ্রেসের ছাতার তলায়? শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। ভারতের বিরোধী রাজনীতিতে কি তবে বড়সড় পুনর্গঠনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল? ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেস (Congress) কি আবারও নিজের....

Congress TMC Merger : ২০২৯-এ বিজেপিকে হারাতে ‘মহা প্রত্যাবর্তন’ পরিকল্পনা? কংগ্রেসে ফেরার ডাক আঞ্চলিক দলগুলিকে, শরদ শিবিরের মন্তব্যে জোর জল্পনা

  • Home /
  • Featured News /
  • Congress TMC Merger : ২০২৯-এ বিজেপিকে হারাতে ‘মহা প্রত্যাবর্তন’ পরিকল্পনা? কংগ্রেসে ফেরার ডাক আঞ্চলিক দলগুলিকে, শরদ শিবিরের মন্তব্যে জোর জল্পনা

সোনিয়ার ঐক্যের বার্তা, সুপ্রিয়া সুলের ইঙ্গিতে নতুন সমীকরণ! তৃণমূল-এনসিপি-ওয়াইএসআরসিপি কি ফের কংগ্রেসের ছাতার তলায়? শৌনক মন্ডল।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সোনিয়ার ঐক্যের বার্তা, সুপ্রিয়া সুলের ইঙ্গিতে নতুন সমীকরণ! তৃণমূল-এনসিপি-ওয়াইএসআরসিপি কি ফের কংগ্রেসের ছাতার তলায়?

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

ভারতের বিরোধী রাজনীতিতে কি তবে বড়সড় পুনর্গঠনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল? ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেস (Congress) কি আবারও নিজের পুরনো রাজনৈতিক পরিবারকে এক ছাতার তলায় আনার চেষ্টা শুরু করেছে?

 

রাজনৈতিক মহলে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এই প্রশ্নই। কারণ, কংগ্রেস সূত্রে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না মিললেও বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে— স্বাধীনতার পর কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে গড়ে ওঠা একাধিক আঞ্চলিক দলকে ফের ‘ঘরে ফেরার’ বার্তা দেওয়া হয়েছে। আর সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar) শিবিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য।

 

বিজেপির বিরুদ্ধে ‘একতাই শক্তি’ ফর্মুলা

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিরোধী শিবিরে এক প্রশ্ন বারবার উঠছে— বিজেপিকে (BJP) টক্কর দিতে গেলে কি শুধু জোট যথেষ্ট, নাকি আরও বড় কোনও রাজনৈতিক সমীকরণের প্রয়োজন?

সেই প্রেক্ষাপটেই সামনে এসেছে ‘একতাই শক্তি’ তত্ত্ব। বিরোধী শিবিরের একাংশের মতে, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক দলগুলি যদি আবার বৃহত্তর বিরোধী ঐক্যের অংশ হিসেবে কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে আসে, তাহলে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই অনেক বেশি সংগঠিত হতে পারে।

ইন্ডিয়া জোটের মঞ্চে মমতা, একই দিনে অভিষেকের হাজিরা নির্দেশ— রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন। কারণ আগামী নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে একক প্রার্থী দেওয়ার কৌশলকে আরও কার্যকর করতে চাইছে বিরোধী শিবির।

 

ইন্ডিয়া জোটের পুরনো ফর্মুলা ফের আলোচনায়

 

২০২৩ সালে মুম্বইয়ে ইন্ডিয়া জোটের (INDIA Alliance) বৈঠকে বিজেপির বিরুদ্ধে অধিকাংশ আসনে এক বনাম এক লড়াইয়ের রূপরেখা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal), তামিলনাড়ু (Tamil Nadu), কেরল (Kerala)-সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে সেই সমীকরণ পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।

 

ফলে বিরোধী শিবিরের ভেতরেই এখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে— শুধুমাত্র আসন সমঝোতা নয়, রাজনৈতিক শক্তির আরও বড় সংহতি কি সম্ভব?

 

সাম্প্রতিক দিল্লি (New Delhi) বৈঠকের পর সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।

 

সঞ্জয় রাউতের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ

 

শিবসেনা (উদ্ধব) নেতা সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut) এই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, গত এক দশকে বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলগুলির সংগঠন দুর্বল করার চেষ্টা করেছে।

 

রাউতের মতে, একসময় কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করা দলগুলি যদি আবার বৃহত্তর বিরোধী ঐক্যের স্বার্থে কংগ্রেসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে, তাহলে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

 

যদিও তিনি সরাসরি কোনও দলকে কংগ্রেসে মিশে যাওয়ার আহ্বান জানাননি, তবু তাঁর মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

সবচেয়ে বেশি নজরে শরদ পাওয়ার শিবির

 

এই জল্পনার কেন্দ্রে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) প্রবীণ নেতা শরদ পাওয়ার। ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তিনি ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (NCP) গড়েছিলেন। দীর্ঘদিন মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে এনসিপি ছিল অন্যতম প্রধান শক্তি।

 

কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি বদলেছে। অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar) নেতৃত্বে এনসিপির বড় অংশ আলাদা পথে যাওয়ার পর শরদ পাওয়ার শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থান নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

 

এই পরিস্থিতিতে শরদ পাওয়ারের কন্যা সুপ্রিয়া সুলে (Supriya Sule)-র মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 

সঞ্জয় রাউতের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রত্যেকের মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে এবং এমন কোনও প্রস্তাবকে সরাসরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে ভবিষ্যতে কী হবে, কোন ফর্মুলায় হবে, তা সময় এবং আলোচনার উপর নির্ভর করবে।

 

এই একটি মন্তব্যই কার্যত নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

 

তৃণমূলকে ঘিরেও বাড়ছে আলোচনা

 

রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে আসা দলগুলির মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসও (TMC) স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

 

যদিও কংগ্রেস নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে, তৃণমূলের সঙ্গে দলগত একীভূতকরণ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।

 

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের (West Bengal Congress) একাংশ অবশ্য জানিয়েছে, কংগ্রেসের আদর্শে বিশ্বাসী এবং বিজেপি ও আরএসএসের রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধে লড়তে আগ্রহী যে কোনও শক্তির জন্য কংগ্রেসের দরজা খোলা।

 

কংগ্রেসের অবস্থান কী?

 

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কংগ্রেস এখনও প্রকাশ্যে কোনও ‘মহা পুনর্মিলন’ পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেনি।

 

কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল (K C Venugopal) স্পষ্ট জানিয়েছেন, সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মধ্যে বিরোধী ঐক্য ও ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে দুই দলের একীভূত হওয়া নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।

 

তবু রাজনৈতিক করিডরে প্রশ্ন থামছে না। কারণ ইতিহাস বলছে, বড় নির্বাচনের আগে অসম্ভব বলেও অনেক সমীকরণ বাস্তব হয়েছে।

২০২৯ এখনও অনেক দূরে। কিন্তু বিরোধী রাজনীতির দাবার ছকে যে নতুন চাল পড়তে শুরু করেছে, তা স্পষ্ট। এখন দেখার— আঞ্চলিক শক্তিগুলি নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় ধরে রাখবে, নাকি বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে নতুন কোনও ‘মহা ঐক্য’-র পথে হাঁটবে? উত্তর হয়তো এখনও সময়ের গর্ভে, কিন্তু জল্পনার আগুন যে জ্বলে উঠেছে, তা আর অস্বীকার করার উপায় নেই।

 

আজকের খবর