ব্রেকিং
  • Home /
  • আন্তর্জাতিক /
  • 700 Crores Cryptocurrency Fraud : ৭০০ কোটি প্রতারণা করে পগারপার বাংলার ক্রিপ্টো গুরু, সর্বস্বান্ত ৫০ হাজার, বান্ধবী সহ ১২ ডিরেক্টরই দুবাইয়ে ফেরার

700 Crores Cryptocurrency Fraud : ৭০০ কোটি প্রতারণা করে পগারপার বাংলার ক্রিপ্টো গুরু, সর্বস্বান্ত ৫০ হাজার, বান্ধবী সহ ১২ ডিরেক্টরই দুবাইয়ে ফেরার

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। বাংলায় ফের বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে এল। সারদা-রোজভ্যালির পর এবার শেয়ার ও ক্রিপ্টোকারেন্সির নামে প্রতারণা করে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মূল অভিযুক্ত শুভ্রকান্তি নাগ তাঁর বান্ধবী ও আরও ১১ জন ডিরেক্টরকে....

700 Crores Cryptocurrency Fraud : ৭০০ কোটি প্রতারণা করে পগারপার বাংলার ক্রিপ্টো গুরু, সর্বস্বান্ত ৫০ হাজার, বান্ধবী সহ ১২ ডিরেক্টরই দুবাইয়ে ফেরার

  • Home /
  • আন্তর্জাতিক /
  • 700 Crores Cryptocurrency Fraud : ৭০০ কোটি প্রতারণা করে পগারপার বাংলার ক্রিপ্টো গুরু, সর্বস্বান্ত ৫০ হাজার, বান্ধবী সহ ১২ ডিরেক্টরই দুবাইয়ে ফেরার

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন। বাংলায় ফের বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে এল। সারদা-রোজভ্যালির পর এবার শেয়ার....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।

বাংলায় ফের বড়সড় আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে এল। সারদা-রোজভ্যালির পর এবার শেয়ার ও ক্রিপ্টোকারেন্সির নামে প্রতারণা করে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মূল অভিযুক্ত শুভ্রকান্তি নাগ তাঁর বান্ধবী ও আরও ১১ জন ডিরেক্টরকে সঙ্গে নিয়ে দুবাইয়ে পালিয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার শিকার প্রায় ৫০ হাজার সাধারণ মানুষ, যাঁরা নিজেদের সঞ্চিত অর্থ লগ্নি করেছিলেন কোম্পানির প্রলোভনে পড়ে। প্রতারণার তদন্তে নেমেছে রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টরেট অব ইকনমিক অফেন্সেস (ডিইও), যারা ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের পাসপোর্ট নম্বর জোগাড় করে ইন্টারপোলের সাহায্য চেয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, শুভ্রকান্তি নাগ একসময় একটি বিনিয়োগ পরামর্শদাতা সংস্থায় কাজ করতেন। পরে নিজেই খুলে ফেলেন একাধিক কোম্পানি, যেমন- স্টকস গুরুকুল, প্রফিট অ্যাক্সিস, এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড ট্রেডনেক্সট সিকিওরিটিস প্রাইভেট লিমিটেড। শুরুতে নদীয়া জেলার তাহেরপুর ও কল্যাণীতে অফিস খুললেও পরে তা ছড়িয়ে পড়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। ২০২০ সাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালিয়ে শেয়ার ও ক্রিপ্টোতে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা তুলতে থাকে কোম্পানিটি। প্রলোভন দেখানো হতো দুবাইতে ব্যবসা সম্প্রসারণের।

ডিইও তদন্তে জানতে পারে, কোম্পানির মালিক ও ডিরেক্টররা মোট ২৫টি ভুয়ো কোম্পানি খুলে প্রতারণার ফাঁদ পাতেন। বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১৩,৪০০টি চেক, আর্থিক লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ নথি ও একাধিক সম্পত্তি। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আমানতকারীদের টাকা কোথাও বিনিয়োগ করা হয়নি, বরং তা আত্মসাৎ করে বিদেশে সম্পত্তি কিনতে ব্যবহার করা হয়েছে। দুবাই থেকেই এখন সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে অভিযুক্তরা। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১২ জন ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

আজকের খবর