ব্রেকিং
Latest Posts
BJP worker shot: গঙ্গাসাগরে সাতসকালে গুলি! বিজেপি কর্মী ত্রিলোকেশ ঢালি গুরুতর জখম, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরগরম রাজনীতিMamata Banerjee Dharna Ends: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয়ের পর ধর্মতলার ধরনা তুললেন মমতা, অভিষেকের অনুরোধে ৫ দিনের আন্দোলনের ইতিMamata Dharna Vanish kumar : বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার ফলে মৃতদের সম্মানে ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে ছবি আঁকলেন মমতা, তীব্র ব্যঙ্গ করে লিখলেন ভ্যানিশMamata Meets Ananda Bose : ‘ওঁর সঙ্গে অবিচার হয়েছে, আমি বলে এসেছি আপনি বাংলায় ফিরে আসুন’ আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বললেন মমতাRajyasabha MP from Bengal: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় বাংলার ৫ প্রতিনিধি, তৃণমূলের চার, বিজেপির এক সাংসদ নির্বাচিত
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • WB police on Patharpratima : “পুলিশের পক্ষে সব সময়ে নজর রাখা সম্ভব নয়, এটা তো সচেতনতার অভাব” পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে দাবি রাজ্য পুলিশের

WB police on Patharpratima : “পুলিশের পক্ষে সব সময়ে নজর রাখা সম্ভব নয়, এটা তো সচেতনতার অভাব” পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে দাবি রাজ্য পুলিশের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। “আমি যদি বাড়িতে পেট্রল মজুত রাখি, আর সেখানে রান্না বান্না করি, দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করি, সেই খবরটা পুলিশের কাছে থাকা সম্ভব নয়। পুলিশের পক্ষে সব সময়ে নজর রাখা সম্ভব নয়। ঘরের মধ্যে দাহ্য পদার্থ রেখে, গ্যাস....

WB police on Patharpratima : “পুলিশের পক্ষে সব সময়ে নজর রাখা সম্ভব নয়, এটা তো সচেতনতার অভাব” পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে দাবি রাজ্য পুলিশের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • WB police on Patharpratima : “পুলিশের পক্ষে সব সময়ে নজর রাখা সম্ভব নয়, এটা তো সচেতনতার অভাব” পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণে দাবি রাজ্য পুলিশের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। “আমি যদি বাড়িতে পেট্রল মজুত রাখি, আর সেখানে রান্না বান্না করি, দাহ্য....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

“আমি যদি বাড়িতে পেট্রল মজুত রাখি, আর সেখানে রান্না বান্না করি, দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করি, সেই খবরটা পুলিশের কাছে থাকা সম্ভব নয়। পুলিশের পক্ষে সব সময়ে নজর রাখা সম্ভব নয়। ঘরের মধ্যে দাহ্য পদার্থ রেখে, গ্যাস সিলিন্ডার জ্বালাচ্ছি, এটা তো সচেতনতার অভাব। যারা ফেরার তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য এত গুলো প্রাণ চলে গেল।” পাথরপ্রতিমা বিস্ফোরণ নিয়ে জানিয়ে দিলেন রাজ্য পুলিশের এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার।
রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে নজরদারির অভাবের যে অভিযোগ বিরোধীরা তুলেছে তা সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়ে সুপ্রতিম সরকার বলেন, “বাজির ব্যবসার ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে, এর সঙ্গে প্রচুর মানুষের জীবন জড়িত থাকে। জীবিকা নির্বাহের ব্যবহার। কিন্তু কোথাও সচেতনতার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
বাজি স্টোরেজ যাতে লোকালয়ের মধ্যে না হয়, সেই ব্যাপারে বাজি প্রস্তুতকারক সংস্থাদের সঙ্গে শীঘ্রই প্রশাসন বৈঠক করবে বলে জানিয়েছেন এডিজি। পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, ২০২২ সালে চন্দ্রকান্ত বণিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ৬৮.৫ কেজি বাজি তাঁর থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনও রেকর্ড রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভবানীভবনে বৈঠকে সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ কর্তা দাবি করলেন, বাড়িতে দাহ্য পদার্থ মজুত রেখে, সেখানেই আবার রান্নাবান্নার কাজ করলে, গ্যাস জ্বালালে এই ধরনের ঘটনা ঘটবেই। নিতান্তই সচেতনতার অভাবেই এই ধরনের ঘটনা। এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার বলেন, চন্দ্রকান্ত বণিক ও তুষার বণিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৮৭, ২৮৮ (অবহেলার সঙ্গে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার, যেটা জীবনহানি করতে পারে). ১০৫, ১১০ (খুনের চেষ্টার মামলা ), ১২৫, ৬১ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল ফায়ার সার্ভিস অ্যাক্ট ৯৫০তে ২৪, ২৫।

বছর দশেক ধরে এই বাজি কারখানা চলছিল। নথিপত্র কী আছে, লাইসেন্স ছিল কিনা, সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান পুলিশ কর্তা। তিনি বলেন, “কেন বাড়িতেই বাজি মজুত করে রেখেছিলেন, কেন এতটা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেখালেন, সবই দেখা হচ্ছে।” প্রসঙ্গত, স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছিলেন, ঢোলাহাট থানার পুলিশ চন্দ্রকান্ত বণিকের কাছে এসে প্রতি মাসে টাকা নিয়ে যেতেন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন করা হলে, এডিজি বলেন, “অভিযোগ করতেই পারে, কিন্তু লিখিতভাবে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। অভিযোগ করলেই তো হবে না।”

আজকের খবর