ব্রেকিং
  • Home /
  • ভারত /
  • Suvendu against Mamata : “মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করছি, কিন্তু আপনি তাড়াহুড়ো করবেন না” মমতাকে তীব্র সমালোচনা শুভেন্দুর

Suvendu against Mamata : “মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করছি, কিন্তু আপনি তাড়াহুড়ো করবেন না” মমতাকে তীব্র সমালোচনা শুভেন্দুর

“বিধানসভায় আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম বিলের আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করছি। কিন্তু আপনি তাড়াহুড়ো করবেন না।” পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাস হওয়া ‘অপরাজিতা বিল’ রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ফেরত আসা নিয়ে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে দোষারোপ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবারই ‘অপরাজিতা বিল’ ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন....

Suvendu against Mamata : “মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করছি, কিন্তু আপনি তাড়াহুড়ো করবেন না” মমতাকে তীব্র সমালোচনা শুভেন্দুর

  • Home /
  • ভারত /
  • Suvendu against Mamata : “মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করছি, কিন্তু আপনি তাড়াহুড়ো করবেন না” মমতাকে তীব্র সমালোচনা শুভেন্দুর

“বিধানসভায় আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম বিলের আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করছি। কিন্তু আপনি তাড়াহুড়ো করবেন না।” পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

“বিধানসভায় আমি মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম বিলের আমরা সম্পূর্ণ সমর্থন করছি। কিন্তু আপনি তাড়াহুড়ো করবেন না।” পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাস হওয়া ‘অপরাজিতা বিল’ রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ফেরত আসা নিয়ে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে দোষারোপ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুক্রবারই ‘অপরাজিতা বিল’ ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বিধানসভায় গত বছর এই বিল পাশ হওয়ার পর তা রাজভবনে পাঠানো হয়। রাজভবন সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবে আপত্তি রয়েছে কেন্দ্রের। তাছাড়াও প্রস্তাবিত শাস্তিকে নিষ্ঠুর ও সামঞ্জস্যহীনও বলা হয়েছে।
তাড়াহুড়োর কারণেই এই বিল ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “টেকনিক্যালি বিলটাতে লিগ্যাল ডিপার্টমেন্ট ভুল করছে। মলয় ঘটকরা হচ্ছেন সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী। তাঁদের মেরুদণ্ড নেই। একটাই পোস্ট, বাকি সব ল্যাম্পপোস্ট। স্বাভাবিকভাবেই ভুল ব্যাখ্যায় বিল উনি অনুমোদন করিয়েছেন বিধানসভা থেকে। তখনই মুখ্যমন্ত্রীকে বলেছিলাম, পাশ করানোর দায়িত্ব আপনার। কারণ তাড়াহুড়ো করে টেকনিক্যালি ভুল বিল আপনি পাশ করিয়েছেন। তাহলে মালের দায়িত্ব তো আরোহীকেই নিতে হবে।”

অন্যদিকে, ভুয়া ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে বিহারে এই কাজ চলছে। আপাতত যেটা জানা যাচ্ছে যে অন্তত ৭৫ লক্ষ ভুয়া ভোটার লিস্ট থেকে বাদ যেতে পারে। তাদের মধ্যে বহু রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীও রয়েছে। চলতি বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বর নাগাদ পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজ শুরু হবে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে তার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথায়,এরাজ্যে অন্তত ১ কোটি ২৫ লক্ষ রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিম রয়েছে যাদের ভোটার কার্ড,আধার কার্ড করে দিয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ওই অনুপ্রবেশকারী মুসলিমরা তৃণমূলের “কোর ভোটব্যাঙ্ক” হওয়ায় তাদের বাঁচানোর জন্য শাসকদল ইতিমধ্যেই ‘খেলা’ শুরু করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন,’পুলিশ দপ্তরের মুখ্য সচিব গৌতম সান্যাল গতকাল আইপ্যাককে নিয়ে মিটিং করেছেন । মিটিং করে তিনি ডিএম, এসডিও ও বিডিওদের নির্দেশ দিয়েছেন যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া মুর্শিদাবাদ বীরভূম, মালদা,দক্ষিণ দিনাজপুরের উত্তর অংশ এবং কোচবিহারে ব্যাপক আকারে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বা আবাসিক শংসাপত্র ইস্যু করতে হবে । আর এই ডোমিসাইল সার্টিফিকেট দেওয়া হবে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি মুসলিমদের।” তিনি এও বলেন, “ইতিমধ্যে আইপ্যাকের উদ্যোগে ৮ টা সীমান্তবর্তী জেলায় ৭৫,০০০ মুসলমান বাংলাদেশিকে ৬ নম্বর ফর্ম দেওয়া হয়েছে ।’ শুভেন্দু অধিকারী জানান, তিনি বিষয়টি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের গোচরে আনবেন এবং আজ আজ ২৬ জুলাই থেকে দেওয়া ডমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ না করার জন্য তার কাছে অনুরোধ করবেন।

তৃণমূল সুপ্রিমো ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে উদ্দেশ্য করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা ব্যানার্জি জেনে রাখুন, এবারে আপনার আইপ্যাকের প্রতীক জৈন, গৌতম সান্যালরা কেউ আপনাকে বাঁচাতে পারবে না। যা করছেন খবর আসছে। এই রাজ্যের বিজেপি তার লড়াই লড়বে। বিরোধী দলনেতা হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব।”
তিনি রাজ্যের বিডিও-এসডিও -ডিএমদের সতর্ক করে বলেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গের বিডিও-এসডিও-ডিএমদের সতর্ক করছি যে আপনারা আজ ২৬ জুলাই থেকে দেওয়া ডমিসাইল সার্টিফিকেট যদি হিয়ারিংয়ে বা বাড়ি বাড়ি সার্ভেতে গ্রহণ করেন তাহলে পাঠান কালীর ভুয়া জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের মতো আপনাদের কপালেও দুঃখ আছে।” তিনি বলেন, “দ্বিতীয় বিষয় হল, বিএলও নিয়ে আমি প্রতিবাদ করেছিলাম এগরা থেকে ৮৪ জন আইসিডিএস-এর নাম দিয়ে। তারপরে গোটা ভারতে পরিবর্তন হয়ে গেছে। ১.১-এ বলা আছে স্থায়ী কর্মীকে দিতে হবে। কিন্তু ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী বহু বুথে স্থায়ী কর্মীদের দেয়নি এবং লিখে দিয়েছে যে ওখানে নাকি স্থায়ী কর্মী নেই। যদিও ১.১ অনুযায়ী কর্মী না থাকলে ১.২ তে দেওয়া যায়। প্যারাটিচার, পার্টটাইমার, ভোকেশনাল, আইসিডিএস ইত্যাদিকে নিযুক্ত করা যেতে পারে। আমি ওই বুথ গুলোতে প্রমাণ করে দেবো যে স্থায়ী কর্মী থাকা সত্ত্বেও এরা না দেখে এফিডেভিট দিয়েছে। জেলে যেতে হবে।”

স্থানীয় এলাকার বিডিওকে সতর্ক করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “তমলুকের বিডিওকেও বলে রাখি, আপনাদেরও জেলে যেতেই হবে। আপনারা জানেন না বিহারে যে এসআইআর হয়েছে, ৪০৩ জনে বিএলও- এর নামে এফআইআর হয়েছে। ৫৩ জন বিএলও গ্রেপ্তার হয়েছে এবং তারা এখন বিহারের বিভিন্ন জেলে বন্দী আছে। আপনারা ভাবছেন মমতার পুলিশ ধরবে না? মমতার পুলিশ যদি না ধরে তাহলে কি করতে হয় চার বছরে আমি তা প্রমাণ করে দিয়েছি। আবার প্রমাণ করে দেবো।”

আজকের খবর