সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।
বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার প্রায় ১৪ বছর পর প্রথমবারের জন্য কলকাতা সহ রাজ্যের সমস্ত জেলার অবাঙালি বাসিন্দাদের প্রতিনিধিদের ডেকে দোল ও হোলি মিলন উৎসবের আয়োজন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী যেখানে বারে বারে মমতার ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে মমতাকে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে আসছেন, তার প্রেক্ষিতে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ধনধান্য স্টেডিয়ামে এমন উৎসবের আয়োজন রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ।
এই মিলন উৎসবে একদিকে যেমন রাজস্থানী ডান্ডিয়া নৃত্যশিল্পীদের অনুরোধে পা মেলালেন ডান্ডিয়া নাচে, ভাংড়া নাচের ছন্দে মেতে উঠলেন পাঞ্জাবি শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও।
দোল ও হোলি উপলক্ষে বসন্তোৎসব আয়োজন করেছে রাজ্য সরকার। ১২ মার্চ ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে বিশেষ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করা হয় বসন্তোৎসব। এখান থেকে সম্প্রীতির বিরাট বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা এদিন বলেন, “আপনারা সবাই যে যার ধর্ম পালন করুন। বাংলা সকলের জন্য খোলা, বিহারি, রাজস্থানি, জৈন, মুসলিম, সকলেই বাংলায় আনন্দে থাকেন। এটাই আমাদের সম্প্রতীর বাংলা। আমরা আগুন নিয়ে খেলতে চাইন না। বিচ্ছেদের জন্য আগুন লাগাবে কেউ তা আমরা বরদাস্ত করব না। সবাই ভাল থাকলে বাংলা ভাল থাকবে, বাংলা ভাল থাকলে ভারত দেশ ভালো থাকবে।

আগুন খাবার বানানোর জন্য, বিভেদের জন্য নয়। আমরা শান্তি চাই ভৌগলিক ভাবে বাংলার গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাধীনতার লড়াইয়ে বাংলার ভূমিকা সকলের জানা। বাংলায় কিছু হয়ে গেলে দেশ ভালো থাকবে না। বাংলা ৪-৫টা দেশের গেটওয়ে। দেশের কাছে বাংলার গুরুত্ব অপরিসীম”।