বিতস্তা সেন। কলকাতা সারাদিন।
বাইরে চলছে প্রখর দাবদাহ। গরমকালের খাদ্যতালিকার আবশ্যক অঙ্গ হচ্ছে শরবত। গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর নুন হারাতে আরম্ভ করে, ফলে অবসন্ন লাগে তাই সেই শরবতে নুনের সঙ্গে সামান্য চিনি বা গুড় দিলে কোনও অসুবিধে হবে না।
তবে বাজারের বোতলবন্দি পানীয়ের উপর ভরসা না রেখে রান্নাঘরের কোণে হেলায় পড়ে থাকা মশলা বা ফল থেকে সহজেই দারুণ সুস্বাদু 10টি পানীয় বানিয়ে নেওয়া যায়।
আমপোড়া শরবত – কাঁচা আম-পুদিনা-ভাজা মশলার পারফেক্ট কম্বিনেশন স্বাদের দিক থেকে অসামান্য। কাঁচা আম পুড়িয়ে শাঁসটা বের করে নিয়ে চটকে মাখুন। সঙ্গে খানিকটা পুদিনাপাতার কুচিও মিশিয়ে দিন।
সাধারণ নুনের বদলে বিটনুন ব্যবহার করতে পারেন। চিনি-গুড় মিশিয়ে শরবতে মিষ্টত্ব যোগ করুন।

জলজিরা – গরমকালে অনেকেই হজমের গোলমালে ভোগেন, তাঁদের জন্য আদর্শ পানীয় হচ্ছে জলজিরা।
লস্যি- ঘোল-ছাস – তিনটি পানীয়েই তৈরি হয় টক দই দিয়ে।
বেলের শরবত- বেল চটকে দানা বাদ দিয়ে কেবল শাঁসটুকু বের করে নিন। তার পর দই, চিনি, সামান্য বিটনুন, লেবুর রস, ঠান্ডা জল দিয়ে তৈরি করে ফেলুন দুর্দান্ত স্বাদু শরবত।
ডাবের জল– ডাবের জল যে গরমকালে কতটা তৃপ্তি দেয়, তা নিয়ে কি নতুন করে কিছু বলার আছে?
আখের রস – আখ টুকরো করে কেটে খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ডারে পিষে ছেঁকে নিলেই তৈরি সুস্বাদু আখের রস।
লেবু-চিনির শরবত– একেবারে বেসিক একটা শরবত যে কত উপাদেয় হতে পারে, তা বাড়িতে তৈরি লেমোনড না চাখলে হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন না পুরোপুরি!

ম্যাঙ্গো মিল্কশেক– আম পাকা ও মিষ্টি হলে বাড়তি চিনি যোগ করার প্রয়োজন নেই, দুধের সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিলেই চলবে। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
কোল্ড কফি: ফুল ফ্যাট দুধ, সামান্য চিনি আর কফি পাউডার বরফসহ ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি! স্বাদ বাড়াবে এক চিমটে দারচিনি গুঁড়ো ও সামান্য ডার্ক চকোলেট পাউডার।
ছাতুর শরবত: গরমকালে আপনার আদর্শ ব্রেকফাস্টও হতে পারে! উপাদান সামান্য – ছাতু, টক দই (বাদ দেওয়া যায়), সামান্য লেবুর রস, নুন, চিনি (বাদ দেওয়া যায়) আর জল। সবটা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। উপর থেকে একটু ভাজা মশলা ছড়িয়ে দিন।