Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39
TMC MLA Arrested by ED : নর্দমায় ফোন ফেলে দিয়েও শেষরক্ষা হল না! জামিনে মুক্তির তিন মাস পরে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা - Kolkata Saradin : Bengali News, Latest Bengali News Headlines, Bangla Khabar, বাংলা খবর, Today Breaking News in Bengali
ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • TMC MLA Arrested by ED : নর্দমায় ফোন ফেলে দিয়েও শেষরক্ষা হল না! জামিনে মুক্তির তিন মাস পরে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা

TMC MLA Arrested by ED : নর্দমায় ফোন ফেলে দিয়েও শেষরক্ষা হল না! জামিনে মুক্তির তিন মাস পরে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন। একই ছবি। ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় এজেন্সি যাতে তাঁর ফোনের হদিশ না পায় সেই কারণে ফোন পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন বড়ঞর তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। আর এবারও সেই অ্যাকশন রিপ্লে দেখল বাংলা। ফোন ছুঁড়ে ফেলে দিলেন তিনি।....

TMC MLA Arrested by ED : নর্দমায় ফোন ফেলে দিয়েও শেষরক্ষা হল না! জামিনে মুক্তির তিন মাস পরে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • TMC MLA Arrested by ED : নর্দমায় ফোন ফেলে দিয়েও শেষরক্ষা হল না! জামিনে মুক্তির তিন মাস পরে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় ইডি-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন। একই ছবি। ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় এজেন্সি যাতে তাঁর ফোনের হদিশ না পায়....


Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39
Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

Warning: Trying to access array offset on value of type bool in /home/kolkatas12857/public_html/wp-content/plugins/elementor-pro/modules/dynamic-tags/tags/post-featured-image.php on line 39

আরও পড়ুন

সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন।

একই ছবি। ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় এজেন্সি যাতে তাঁর ফোনের হদিশ না পায় সেই কারণে ফোন পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন বড়ঞর তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। আর এবারও সেই অ্যাকশন রিপ্লে দেখল বাংলা। ফোন ছুঁড়ে ফেলে দিলেন তিনি। তবে এবার টার্গেট মিস। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পুকুর পাড়ের নর্দমায় পড়ল মোবাইল ফোন।
নর্দমায় ফোন ফেলে দিয়েও শেষরক্ষা হল না! জামিনে মুক্তির তিন মাস পরে ফের গ্রেফতার হলেন তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। জীবনকৃষ্ণ সাহা আগেও মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। এবার তিনি ফোনটি নর্দমায় ফেলে দেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ফোনটির কী অবস্থা তা খতিয়ে দেখছে ইডির আধিকারিকরা।
২০২৩ সালে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। আর এবার ইডির হাতে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে নিয়ে আসা হয় কলকাতায় সিজিও কমপ্লেক্সে। এদিকে আজ সকালে ইডি হানা দিতেই বিধায়কের বাড়িতে চরম নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। এর আগে সিবিআই যেবার তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিল, তখন পুকুরে মোবাইল ছুঁড়ে ফেলেছিলেন। সেই মোবাইল অবশ্য উদ্ধার হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ একবছরেরও বেশি সময় জেলে ছিলেন তিনি। আর আজ ইডি তাঁর বাড়িতে হানা দিতেই নাকি নর্দমায় ছুড়ে ফেলেন মোবাইল ফোন। শুধু তাই নয়, হাফপ্যান্ট পরিহিত অবস্থাতেই ছুটে পালানোরও নাকি চেষ্টা করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে ধরে ফেলেন।
প্রসঙ্গত, এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের সক্রিয় ইডি। আজ সকাল সকাল কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালান ইডির আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং তাঁর পিসির বাড়িতে হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। বীরভূমের সাঁইথিয়ায় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মায়া সাহার বাড়িতে কেন্দ্রীয় সংস্থা হানা দিয়েছে। মায়া সাহা হলেন জীবনকৃষ্ণের পিসি। এর আগে এসএসসি নিয়োগ মামলায় জীবনকৃষ্ণ সাহা গ্রেফতার হয়েছিলেন। আপাতত সেই মামলায় তিনি জামিনে মুক্ত।
জানা গিয়েছে, আজ সকালের দিকে জীবনকৃষ্ণের গ্রামের বাড়ি যায় দুটি গাড়ি। এর একটিতে ছিলেন ইডি অফিসাররা। দ্বিতীয় গাড়িটিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ছিলেন। সেখানে গিয়েই জওয়ানরা আগে বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। অন্যদিকে পাঁচ ইডি আধিকারিক জীবনকৃষ্ণের বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে তৃণমূল বিধায়ককে ইডি তদন্তকারীরা জেরা শুরু করেন। এর আগে এসএসসি দুর্নীতি মামলায় ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। এর ১৩ মাস পর তিনি সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে এতদিন তিনি জেলের বাইরে ছিলেন। এবার ফের ইডি তাঁকে গ্রেফতার করল।

জীবনকৃষ্ণের ওই মোবাইল ঘেঁটে সেই সময় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। অভিযোগ উঠেছিল চাকরি দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েও শেষ পর্যন্ত যাদের চাকরি দিতে পারেননি সেই সব চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে জীবনকৃষ্ণের কথোপকথনের একাধিক তথ্য রয়েছে ওই চ্যাটে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি সেই সময় দাবি করেছিল, সেখানে টাকা ফেরতের অনুরোধ করেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। পাল্টা হিসেবে বিধায়কের তরফে কখনও ‘অর্ধেক টাকা ফেরৎ দেওয়ার আশ্বাস’, কখনও বা ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এক পয়সা না দেওয়ার হুঁশিয়ারি’ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করে তদন্তকারীরা। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে সেই সময় এও দাবি করা হয়েছিল, চাকরি দেওয়ার জন্য কারও কাছ থেকে ১২ লক্ষ, কারও কাছে ১৮ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বিধায়ক।

আজকের খবর