ব্রেকিং
Latest Posts
কালিম্পং BJMC-র সাধারণ সম্পাদক পদে শুভম পোদ্দার, উত্তরবঙ্গে পর্যটন উন্নয়নে নতুন উদ্যোগের সূচনাট্রেনে হকারি বা ভিক্ষাবৃত্তি করলেই মোটা জরিমানা! রেলের নতুন নিয়মে চাঞ্চল্য, পকেট থেকে গুনতে হবে হাজার হাজার টাকাবাংলায় মুখ্যমন্ত্রীকে দীর্ঘ চিঠি মোদীর! ‘বিকশিত ভারত’ থেকে বাংলার নবজাগরণ – শুভেন্দু সরকারের ভূয়সী প্রশংসা, পাল্টা কৃতজ্ঞতা মুখ্যমন্ত্রীরতারকেশ্বর থেকে মোদীর হুঙ্কার! ‘কংগ্রেস-তৃণমূল বাংলার জন্য গর্ত খুঁড়েছিল, ডবল ইঞ্জিন সরকার সুপার স্পিডে তা ভরাট করছে’Yoga Day : রবিবার রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে যাওয়া সরকারি কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়, হাইকোর্টে জানিয়ে দিল রাজ্য সরকার
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • তারকেশ্বর থেকে মোদীর হুঙ্কার! ‘কংগ্রেস-তৃণমূল বাংলার জন্য গর্ত খুঁড়েছিল, ডবল ইঞ্জিন সরকার সুপার স্পিডে তা ভরাট করছে’

তারকেশ্বর থেকে মোদীর হুঙ্কার! ‘কংগ্রেস-তৃণমূল বাংলার জন্য গর্ত খুঁড়েছিল, ডবল ইঞ্জিন সরকার সুপার স্পিডে তা ভরাট করছে’

পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মঞ্চে একযোগে কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেদের নিশানায় প্রধানমন্ত্রী; ‘লুটেরারা জেলে, কাটমানি শেষ, উন্নয়ন শুরু’ দাবি মোদীর সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। তারকেশ্বরের (SEO Keyword: Tarakeswar) মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমন আক্রমণাত্মক মেজাজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (SEO Keyword: Narendra Modi)-কে বহুদিন দেখা....

তারকেশ্বর থেকে মোদীর হুঙ্কার! ‘কংগ্রেস-তৃণমূল বাংলার জন্য গর্ত খুঁড়েছিল, ডবল ইঞ্জিন সরকার সুপার স্পিডে তা ভরাট করছে’

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • তারকেশ্বর থেকে মোদীর হুঙ্কার! ‘কংগ্রেস-তৃণমূল বাংলার জন্য গর্ত খুঁড়েছিল, ডবল ইঞ্জিন সরকার সুপার স্পিডে তা ভরাট করছে’

পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মঞ্চে একযোগে কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেদের নিশানায় প্রধানমন্ত্রী; ‘লুটেরারা জেলে, কাটমানি শেষ, উন্নয়ন শুরু’....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মঞ্চে একযোগে কংগ্রেস, তৃণমূল ও বামেদের নিশানায় প্রধানমন্ত্রী; ‘লুটেরারা জেলে, কাটমানি শেষ, উন্নয়ন শুরু’ দাবি মোদীর

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

তারকেশ্বরের (SEO Keyword: Tarakeswar) মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমন আক্রমণাত্মক মেজাজে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (SEO Keyword: Narendra Modi)-কে বহুদিন দেখা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তিনি শুধু উন্নয়নের বার্তাই দেননি, বরং কংগ্রেস, তৃণমূল এবং বামপন্থীদের বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক তোপ দেগেছেন।

সবচেয়ে আলোচিত মন্তব্যটি আসে তাঁর বক্তব্যের মাঝামাঝি সময়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস, বামপন্থী এবং তৃণমূল যে গর্ত খুঁড়েছিল, সেটাকে ঠিক করার জন্য ডবল ইঞ্জিন সরকার সুপার স্পিডে কাজ শুরু করে দিয়েছে।”

এই মন্তব্য ঘিরেই মুহূর্তে রাজনৈতিক পারদ চড়ে যায়।

 

কংগ্রেস থেকে তৃণমূল—এক মঞ্চে সবার বিরুদ্ধে আক্রমণ

সাধারণত বাংলায় রাজনৈতিক সভায় মোদীর প্রধান নিশানায় থাকে তৃণমূল। কিন্তু এদিনের ছবি ছিল কিছুটা আলাদা। স্বাধীনতার আগে ও পরে বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি কংগ্রেসকেও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর দাবি, “কংগ্রেস থেকে তৃণমূল—পূর্বতন সরকারগুলো পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের ঘাঁটি বানিয়ে ফেলেছিল। সীমান্ত সুরক্ষা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। উন্নয়ন থমকে গিয়েছিল।”

 

তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টিও। মোদীর দাবি, পূর্ববর্তী সরকার বিএসএফকে (SEO Keyword: BSF Border Security) প্রয়োজনীয় জমি দেয়নি। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই কাজ দ্রুত এগিয়েছে।

 

‘লুটেরারা এখন জেলে, টাকা ফেরত দিচ্ছে’

শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, দুর্নীতির প্রশ্নেও সরব হন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন ফিরেছে। যাঁরা মানুষের টাকা লুট করেছিলেন, তাঁরা আজ জেলে। অনেকেই নিজেদের বাঁচাতে টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হচ্ছেন।”

রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ঘটনাপ্রবাহের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মোদীর কথায়, “সিন্ডিকেট রাজ শেষ হয়েছে। কাটমানির সংস্কৃতি বন্ধ হয়েছে। এখন উন্নয়নই প্রধান লক্ষ্য।”

Suvendu Adhikari : হাওড়ায় গণপিটুনিতে খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত ও নিহতের পরিবারকে ৯ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং থেকে নোয়াখালি—ইতিহাস টেনে আক্রমণ

 

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল ইতিহাস।

 

তিনি ১৯৪৬ সালের গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং (SEO Keyword: Great Calcutta Killing) এবং নোয়াখালি দাঙ্গার (SEO Keyword: Noakhali Riots) প্রসঙ্গ টেনে আনেন।

 

মোদী বলেন, “স্বাধীনতার আগে বাংলার মানুষ ভয়াবহ রক্তপাত দেখেছে। গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং, নোয়াখালির দাঙ্গা—বাংলা সেই বিভীষিকার সাক্ষী। মাতৃভূমিকে টুকরো হতে দেখেছিল এই রাজ্য।”

 

এই প্রসঙ্গেই তিনি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (SEO Keyword: Syama Prasad Mookerjee) ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, “সেদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আজকের পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্ব থাকত না। তিনি বাংলার স্বার্থরক্ষার জন্য আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।”

 

‘কংগ্রেস ষড়যন্ত্রকারীদের সামনে নত হয়েছিল’

 

ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আরও তীব্র আক্রমণ শানান মোদী।

 

তিনি দাবি করেন, যখন বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছিল, তখন কংগ্রেস সেই শক্তিগুলোর সামনে কার্যত নতি স্বীকার করেছিল। সেই সময় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ‘হিন্দু হোমল্যান্ড মুভমেন্ট’-এর মাধ্যমে বাংলার একটি অংশকে ভারতের মধ্যে রাখার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, “মেঘনাদ সাহা, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। সেই আন্দোলনই বাংলার ভাগ্য বদলে দিয়েছিল।”

 

উন্নয়নের খতিয়ানও তুলে ধরলেন মোদী

 

রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

 

তিনি জানান, নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আয়ুষ্মান ভারত (SEO Keyword: Ayushman Bharat West Bengal)-এর সুবিধা বাংলার মানুষ পেতে শুরু করেছেন।

 

একই সঙ্গে অন্নপূর্ণা যোজনা, কৃষকদের জন্য ফসল বিমা প্রকল্প, ডিজিটাল এগ্রিকালচার মিশন এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

 

মোদীর বক্তব্য, “বাংলার মানুষ এখন সরাসরি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। উন্নয়ন আর কাগজে নেই, মাটিতে নামতে শুরু করেছে।”

 

‘বাংলা আর থামবে না’

 

বক্তব্যের শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদের বার্তা দেন।

 

তিনি বলেন, “বাংলার আবহাওয়ায় এখন নতুন সতেজতা এসেছে। মনে হচ্ছে মানুষ নতুন করে মুক্তির স্বাদ পাচ্ছেন। বাংলা আর থামবে না, বাংলা ইতিহাস গড়বে।”

তাঁর দাবি, একটি ভোট কীভাবে একটি রাজ্যের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে, তার উদাহরণ এখন পশ্চিমবঙ্গ।

পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মঞ্চ থেকে মোদীর এই আক্রমণাত্মক রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট করে দিল, বাংলার রাজনীতিতে সংঘাতের নতুন অধ্যায় শুরু হয়ে গিয়েছে। উন্নয়ন, ইতিহাস, পরিচয় এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নে আগামী দিনে এই বিতর্ক আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আর সেই কারণেই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তারকেশ্বর থেকে ছোড়া এই রাজনৈতিক বার্তার জবাব বিরোধীরা কীভাবে দেয়, আর বাংলার রাজনীতির পরবর্তী সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়?

আজকের খবর