ব্রেকিং
Latest Posts
21 July Mamata: ‘চোরগুলো চলে গিয়েছে, আর দলে ফেরাব না’ ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দলত্যাগী নেতাদের কড়া বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরঅফিসের প্রেম থেকে মৃত্যুর রহস্য! নিউটাউনের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার তৃষা, রক্তাক্ত লিভ-ইন সঙ্গীকে ঘিরে একের পর এক প্রশ্নSuvendu Adhikari : ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত সরকারি কাজে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক, শুভেন্দু অধিকারী সরকারের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তAbhishek Banerjee : ‘আমেরিকার কী দরকার? আগে এসএসকেএমে চিকিৎসা করে দেখুন, কী পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা’ অভিষেকের বিদেশ যাত্রার আর্জি খারিজ করে রায় হাইকোর্টের21 July commission : ২১ জুলাই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে মমতার প্রতারণা ফাঁস শুভেন্দুর
  • Home /
  • রাজনীতি /
  • 21 July Mamata: ‘চোরগুলো চলে গিয়েছে, আর দলে ফেরাব না’ ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দলত্যাগী নেতাদের কড়া বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

21 July Mamata: ‘চোরগুলো চলে গিয়েছে, আর দলে ফেরাব না’ ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দলত্যাগী নেতাদের কড়া বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

21 July Mamata : ‘বেঁচে গিয়েছি, চোরগুলো বিজেপিতে চলে গিয়েছে, এগুলোকে আর কোনদিন দলে ফেরত নেব না’ একুশে জুলাই শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশ্যে হুংকার মমতার সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির....

21 July Mamata: ‘চোরগুলো চলে গিয়েছে, আর দলে ফেরাব না’ ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দলত্যাগী নেতাদের কড়া বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

  • Home /
  • রাজনীতি /
  • 21 July Mamata: ‘চোরগুলো চলে গিয়েছে, আর দলে ফেরাব না’ ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে দলত্যাগী নেতাদের কড়া বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

21 July Mamata : ‘বেঁচে গিয়েছি, চোরগুলো বিজেপিতে চলে গিয়েছে, এগুলোকে আর কোনদিন দলে ফেরত নেব....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

21 July Mamata : ‘বেঁচে গিয়েছি, চোরগুলো বিজেপিতে চলে গিয়েছে, এগুলোকে আর কোনদিন দলে ফেরত নেব না’ একুশে জুলাই শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশ্যে হুংকার মমতার

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

‘নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। আমরা বেঁচে গিয়েছি। চোরগুলো বিজেপিতে চলে গিয়েছে। না, নেব না। একদম নেব না। এই লড়াই তখনই থামবে যখন দেখব আপদগুলো বিদায় নিয়েছে।’ মঙ্গলবার একুশে জুলাই উপলক্ষে তৃণমূলের বাৎসরিক শহীদ দিবসের মঞ্চ থেকে এভাবেই ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল নেতা ও বিধায়কদের সরাসরি চোর বলে অভিযোগ করে কোনদিন দলে ফেরত না নেওয়ার ঘোষণা করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল পরাজিত হওয়ার পরে রাতারাতি যেভাবে মমতার নেতৃত্ব ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন তৃণমূল তৈরি হয়েছে এবং দুই দল একুশে জুলাই উপলক্ষে শহীদ দিবস পালন করতে নেমেছে, তা নিয়ে রাজনীতিতে ছিল আজ সকাল থেকেই নানা ধরনের জল্পনা। ‌ তবে কলকাতা হাইকোর্ট মমতার সভায় আড়াই হাজারের বেশি জনসমাগম হওয়া যাবেনা বলে নির্দেশ দিলেও সাধারণ তৃণমূল নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জেলা থেকে দলে দলে এসে ভিড় জমিয়েছিলেন মমতার সভাতেই। আর সেই ভিড় দেখে পুরনো মেজাজের একের পর এক ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা করেন মমতা।

 

বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতার বক্তব্য, ‘যতদিন আপনাদের হারাতে পারব ততদিন থামব না। যারা মিটিংয়ে এসেছেন তারা প্রাণ টানে এসেছেন। তারাই পাশে থাকবেন। শুনুন, বিজেপি করছে ইন্ডোর আর আমরা করছি আউটডোর। আবার ১৯৯৭ সালে ফিরে যাব। যতক্ষণ আপনাদের না হারাব ততক্ষণ চুপ করে থাকব না। সিম্বল কাড়বেন! ফান্ডা কাড়বেন! তৃণমূল কংগ্রসের রক্তের বিনিময়ে এই টাকা। আমার টিম যদি থাকে তাহলে আপনাদের ধরাশায়ী করে ছাড়ব। আমরা তৈরি। মিটিংয়ের পারিমেশন না দিলে রাস্তায় হাঁটব, যেখানে আটকাবে সেখানেই বসে পড়ব। তুমি আমার সিম্বল কাড়লে আমি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত দেখব। সিম্বল কাড়তে পারবে না। আমি দলের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট। যদি সিম্বল কাড়ে তাহলে তোমাদের সবটা কেড়ে নেব।’

 

অনুগামীদের উদ্দেশ্যে মমতা বলেন, ‘আগামী দিন ঘর থেকে বের হতে হবে। কোনও এলাকায় কাদের অ্যারেস্ট করা হবে তা ঠিক করে দিচ্ছে বিজেপি বালিশ পার্টি। একুশে জুলাই ফিরে আসুক বারবার। আসল তৃণমূল আমরা। নতুন করে বলার দরকার নেই। সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিলেই সবকিছু হয় না। আজ থেকে পথ চলা শুরু হল। আগামী আন্দোলনে যারা থাকবেন ভালো। যারা থাকবেন না তারা পেছনে থাকুন। নেতারা গিয়েছেন কর্মীরা যাননি। গলা গিয়ে দেব, কিন্তু মাথা দেব না। সব জায়গায় সবাই নাকি চোর! উনি নাকি সাধু। ভোটের আগে অনেকে গদ্দার বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। যারা পুরেনো কর্মীর ছিল তারা ফিরে আসুন। মা-বোনদের ফিরিয়ে আনুন,সংখ্য়ালঘুদের নিয়ে আসুন। এর পরের প্রোগ্রাম ব্লক থেকে শুরু, গ্রাম থেকে শুরু। আমাদের দল থাকছে, থাকবে। লড়াই করব। মানুষকে বলব বিজেপির বিরুদ্ধে জোট বাঁধুন। কলকাতা, জেলার মানুষ বুঝতে পারছে কী অত্যাচার করছে ওরা। যদি তৈরি থাকেন তাহলে কথা দিন আমায়। জেল যাওয়ার জন্য তৈরি। গোটা রাজ্যকে জেল অ্যানাউন্স করে দিন। জেলে গেলে অম্মানিত হবেন না। জেলে গেলে আপনাকে মালা পরিয়ে নিয়ে আসবে। সাহস থাকলে বিজেপিতে চলে যান, বিজেপি স্পনসরড টিমে থাকবেন না। তৃণমূলকে রোখা যাবে না। আসল তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ। বিজেপি হঠাও, বাংলা বাঁচাও। উই ওয়ান্ট জাস্টিস। খেলা হবে। আজ থেকে রাস্তায় নামা শুরু হল।’

বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা স্পষ্ট জানান, বিজেপির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং প্রয়োজনে তিনি নিজেই দিল্লি গিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি-র আন্দোলনে যোগ দেবেন। এর অর্থ, দিল্লির আন্দোলনের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি। দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিসি পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা শুরু থেকেই সিজেপি-র পাশে আছি। যদি প্রয়োজন হয়, আমি নিজে দিল্লি যাব এবং তাদের ধর্না-বিক্ষোভে অংশ নেব। আগামী দিনে বিজেপিকে পরাজিত করতে দেশ জুড়ে সব বিরোধী দল এবং পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত গণতান্ত্রিক শক্তিকে একজোট হওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

একুশের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা প্রসঙ্গ ছুঁয়ে গিয়েছেন। বলছেন, ‘গতকাল সারারাত, আমি, অভিষেক, ডেরেক উপাসনা সবাই সারারাত লড়াই করে গিয়েছে। শহিদ পরিবারকে আমরা প্রণাম জানাই। এত প্রলোভন থাকা সত্ত্বেও তাঁরা আমার কাছে এসেছেন। তাঁদের কাছে আমি মাথা নত করি। এঁরা রাত দশটায় সব সাউন্ড সিস্টেম কেটে দিয়েছি। ৬০০ জন ক্রিমিন্যাল এসে সব কিছু ভেঙে দিয়েছিল। খবর পেয়ে চলে আসি। দোলা ছিল, ছাত্র-যুব প্রাণ দিয়ে লড়াই করেছে। এরা সারারাত ধরে লড়াই করেছে। রাত এগারোটায় আবার এসেছে। তার কেটে দিয়ে চলে গিয়েছে। সব তার কেটে দিয়েছিল। যার কেউ নেই তার ঈশ্বর আছে। আমি এখান থেকে সকাল সাতটার পরে বেরিয়েছি। ওদের টার্গেট ছিল রাত এগারোটা থেকে সকাল সাতটা। রাতে ঘুরে বেরিয়েছি লুম্পনের দল, তার কাটতে কাটতে গিয়েছে। তার কাটার দল।

আজকের খবর