ব্রেকিং
  • Home /
  • কলকাতা /
  • Firhad Hakim KMC Budget : ১১৪ কোটির ঘাটতি বাজেট পেশ মেয়রের, কলকাতায় বাড়ি তৈরিতে অনুমোদন ফি হচ্ছে অর্ধেক

Firhad Hakim KMC Budget : ১১৪ কোটির ঘাটতি বাজেট পেশ মেয়রের, কলকাতায় বাড়ি তৈরিতে অনুমোদন ফি হচ্ছে অর্ধেক

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বৃহস্পতিবার বাজেট পেশ হতেই স্পষ্ট হয়ে গেল যে গতবারের তুলনায় এবারের বাজেটে কলকাতা পুরসভার আর্থিক ঘাটতির পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে। বাজেট পেশ করতে গিয়ে মেয়র ফিরহাদ....

Firhad Hakim KMC Budget : ১১৪ কোটির ঘাটতি বাজেট পেশ মেয়রের, কলকাতায় বাড়ি তৈরিতে অনুমোদন ফি হচ্ছে অর্ধেক

  • Home /
  • কলকাতা /
  • Firhad Hakim KMC Budget : ১১৪ কোটির ঘাটতি বাজেট পেশ মেয়রের, কলকাতায় বাড়ি তৈরিতে অনুমোদন ফি হচ্ছে অর্ধেক

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বৃহস্পতিবার বাজেট....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বৃহস্পতিবার বাজেট পেশ হতেই স্পষ্ট হয়ে গেল যে গতবারের তুলনায় এবারের বাজেটে কলকাতা পুরসভার আর্থিক ঘাটতির পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে।
বাজেট পেশ করতে গিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিম অবশ্য দাবি করেছেন, ‘বিভিন্ন খাতে কলকাতা পুরসভার রাজস্ব আদায় বেড়েছে।’ পুরসভার আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন মেয়র। কলকাতা পুরসভার ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বাজেটে বাড়ানো হল কাউন্সিলরদের ফান্ড। অর্থাৎ এলাকা বা ওয়ার্ড উন্নয়নের জন্য কাউন্সিলরদের হাতে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ বাড়ল। কাউন্সিলরদের হাতে এখন বেশি টাকা থাকবে। ফান্ড আগে ১৫ লক্ষ ছিল, তা ২০ লক্ষ করা হল। ইন্ট্রিগেটেড বোরো ফান্ড ২৫ লক্ষ ছিল, ৩০ লক্ষ করা হল।

তবে বিরোধীদের পাল্টা দাবি, মেয়র বিভ্রান্ত করছেন। পুরসভার কোষাগারে ইঁদুর ঢুকে গেছে, তারাই সব সাফ করে দিচ্ছে। স্রেফ বেআইনি পার্কিং থেকে যে টাকা উঠছে তার কোনও সীমা পরিসীমা নেই। পুরসভা সব জেনেও চোখ বুজে রয়েছে। এর পরে তো রয়েছে বাড়ি নির্মাণ বাবদ করের টাকা ইত্যাদি। গত বছর কলকাতা পুরসভার বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১১২ কোটি টাকা। এবারে সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৪ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে ঘাটতি পরিমাণ বাড়ল ২ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। স্বভাবতই এত বিপুল ঘাটতির পরও কীভাবে মেয়র রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির কথা বলছেন তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

বিজেপির দাবি, এই বাজেট দিশাহীন। বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “বাজেটের নামে কলকাতাবাসীকে বুড়ো আঙুল দেখাল পুরসভা।” আরএ একধাপ এগিয়ে বিজেপি কাউন্সিলর মীনাদেবী পুরোহিত বলেন, “কলকাতা পুরসভা এলাকার উন্নয়ন হবে কী করে! কলকাতা পুরসভার বাজেটের টাকা তো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে চলে যায়!”

তবে বাজেট পেশ করতে গিয়ে মেয়র জানিয়েছেন, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে রাজস্ব খাতে কলকাতা পুরসভার মোট আয়ের পরিমাণ ২৭৮৬.৫২ কোটি টাকা। সেখানে ব্যয় হয়েছে ২,৪৬৬.২২ কোটি টাকা। পুরসভার হাতে রয়েছে ৩২০.৩০ কোটি টাকা। একইভাবে ২৪-২৫ সালে বাজেটে রাজস্ব বাবদ মোট ৪,০০৮.৬৩ কোটি টাকা আয় হতে পারে। সম্ভাব্য ব্যয় হতে পারে ৩,৬৫৮.১৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ সব কিছু ঠিকঠাক নিয়ম মেনে এগোলে পুরসভার হাতে থাকতে পারে ৩৫১.৪৯ কোটি টাকা।
সম্পত্তি কর খাতে আয় বেড়েছে কলকাতা পুরসভার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলকাতা পুরসভা কর বাবদ সংগ্রহ করেছে ৯৪৪ কোটি টাকা। যেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে সমগ্র বছর জুড়ে সম্পত্তি কর খাতে কলকাতা পুরসভার আয় হয়েছিল ১ হাজার ২১০ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সম্পত্তি কর বাবদ আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ১,৫৮১.৩৩ কোটি টাকা।
কার পার্কিং খাতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ২১ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে কার পার্কিং খাতে কলকাতা পুরসভার আয়-হয়েছিল ১৩.৪৬ কোটি টাকা। লাইসেন্স খাতে এই আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৮০ কোটি টাকা।

আজকের খবর