ব্রেকিং
Latest Posts
BJP worker shot: গঙ্গাসাগরে সাতসকালে গুলি! বিজেপি কর্মী ত্রিলোকেশ ঢালি গুরুতর জখম, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরগরম রাজনীতিMamata Banerjee Dharna Ends: সুপ্রিম কোর্টে বড় জয়ের পর ধর্মতলার ধরনা তুললেন মমতা, অভিষেকের অনুরোধে ৫ দিনের আন্দোলনের ইতিMamata Dharna Vanish kumar : বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ার ফলে মৃতদের সম্মানে ধর্মতলার ধরনা মঞ্চে ছবি আঁকলেন মমতা, তীব্র ব্যঙ্গ করে লিখলেন ভ্যানিশMamata Meets Ananda Bose : ‘ওঁর সঙ্গে অবিচার হয়েছে, আমি বলে এসেছি আপনি বাংলায় ফিরে আসুন’ আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বললেন মমতাRajyasabha MP from Bengal: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় বাংলার ৫ প্রতিনিধি, তৃণমূলের চার, বিজেপির এক সাংসদ নির্বাচিত
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Indranil Panchayat Nababarsha : “২৬-শে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মমতা, তারপর রাজ্যের পঞ্চায়েত স্তরে নববর্ষে পালিত হবে বাংলা দিবস” বাংলা নববর্ষের দিন তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা ইন্দ্রনীল সেনের

Indranil Panchayat Nababarsha : “২৬-শে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মমতা, তারপর রাজ্যের পঞ্চায়েত স্তরে নববর্ষে পালিত হবে বাংলা দিবস” বাংলা নববর্ষের দিন তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা ইন্দ্রনীল সেনের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “পরের বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। তারপর আমরা রাজ্যের পঞ্চায়েতস্তরে বাংলা দিবস পালন করা হবে।” মঙ্গলবার বাংলা নববর্ষের দিনে রাজ্য সরকারের আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এমন তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন।....

Indranil Panchayat Nababarsha : “২৬-শে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মমতা, তারপর রাজ্যের পঞ্চায়েত স্তরে নববর্ষে পালিত হবে বাংলা দিবস” বাংলা নববর্ষের দিন তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা ইন্দ্রনীল সেনের

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • Indranil Panchayat Nababarsha : “২৬-শে চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মমতা, তারপর রাজ্যের পঞ্চায়েত স্তরে নববর্ষে পালিত হবে বাংলা দিবস” বাংলা নববর্ষের দিন তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা ইন্দ্রনীল সেনের

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। “পরের বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। তারপর আমরা রাজ্যের....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

“পরের বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। তারপর আমরা রাজ্যের পঞ্চায়েতস্তরে বাংলা দিবস পালন করা হবে।” মঙ্গলবার বাংলা নববর্ষের দিনে রাজ্য সরকারের আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে এমন তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। ‌পয়লা বৈশাখকে আগেই বাংলা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে বাংলার রাজ্য গান হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে কবিগুরুর লেখা ‘বাংলার মাটি-বাংলার জল…’ গানটিকে। মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখের দিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে রাজ্যবাসীকে বাংলা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, “এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ…’

শুভ নববর্ষ ১৪৩২! নতুন বছরের পুণ্য আলোর দ্যুতিতে আলোকিত হোক সকলের জীবন। শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ থাকুক বাংলার প্রতিটি মানুষ। সবাইকে শুভনন্দন।”

এবারেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয় রাজ্যে। এদিনই সাহিত্য, শিল্প, সঙ্গীত, সংস্কৃতি জগতের কৃতীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠান থেকেই এদিন রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেন, “পরের বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। তারপর আমরা রাজ্যের পঞ্চায়েত স্তরে বাংলা দিবস পালন করা হবে।”

একদিকে পয়লা বৈশাখকে বাংলা দিবস হিসাবে উল্লেখ করে শুভনন্দন জানিয়েছেন মমতা। আর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর দাবি, “পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ, কিন্তু এই দিন কখনোই বাংলার প্রতিষ্ঠা দিবস নয়। বাংলার সত্যিকারের অস্তিত্বের দিন হলো ২০শে জুন, ১৯৪৭, যেদিন ভারত মাতার বীর পুত্র ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সাহসী সংগ্রাম হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাকে পাকিস্তানের করাল গ্রাস থেকে বাঁচিয়ে ভারত মায়ের কোলে ফিরিয়ে এনেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ইতিহাসকে বিকৃত করে পয়লা বৈশাখ-কে রাজ্য দিবস হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার আপনার এই মরিয়া চেষ্টা নিছকই একটি রাজনৈতিক চাল — এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।

হিন্দুদের উপর গণহত্যার বিভীষিকার সময়, যিনি বুক চিতিয়ে বাংলার রক্ষা করেছিলেন, তিনি ছিলেন মাতা ভারতীর বীর পুত্র পণ্ডিত শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি।

পশ্চিমবঙ্গ আপনার তৈরি করা বিকৃত ইতিহাসের ফল নয়। বরং পশ্চিমবঙ্গ হিন্দু বাঙালির রক্ত, আত্মত্যাগ এবং সংগ্রামের ফসল।

বাংলার ইতিহাসকে পুনর্লিখনের অন্যায় চেষ্টা করবেন না। এই বাংলার হিন্দু বাঙালিরা সমস্ত অত্যাচারের সাক্ষী থেকেছে, আপনার সীমাহীন তোষণের রাজত্বে বর্তমানেও অত্যাচারিত হচ্ছে আর সময় এলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আপনার বর্বরতার শাসনের বিরুদ্ধে সমুচিত জবাব দিতেও পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বাঙালিরা প্রস্তুত!”

আজকের খবর