সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্য রাজনীতিতে দলবদলের উত্তাপ বাড়ছে। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, BJP MLAs MPs joining Trinamool এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
তাঁর কথায়, বিজেপির ২৭ জন বিধায়ক এবং ৪ জন সাংসদ ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। এমনকি তাঁরা প্রতিদিনের রাজনৈতিক BJP internal updates to TMC পৌঁছে দিচ্ছেন বলেও দাবি কুণালের। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই তোলপাড় রাজনৈতিক মহলে।
এর আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, ১০০ জন WBCS ও ১০ জন IAS অফিসার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এর পাল্টা হিসেবে কুণাল বলেন, ‘উনি আগে নিজের দলে থাকা ২৭ জন বিধায়ককে সামলান। ওঁদের মধ্যে কয়েকজন ইতিমধ্যেই ঘাসফুল শিবিরে এসেছেন। বাকিরাও প্রস্তুত।’
🔁 Recent Examples of BJP to TMC shift
কয়েক মাস আগেই হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক Tapasi Mandal joined Trinamool। দল ছাড়ার পর তৃণমূল তাঁকে নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের চেয়ারপার্সন পদে নিযুক্ত করে। এরপর মে মাসে আবার ভাঙন দেখা যায় বিজেপিতে। প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ John Barla joined TMC, দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন সুব্রত বক্সি ও অরূপ বিশ্বাসের কাছ থেকে।
John Barla-র তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পিছনে দলের প্রতি অসন্তোষ, বিশেষত টিকিট না পাওয়া, একটি বড় কারণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই Trinamool expansion before 2026 elections কৌশলের মধ্যেই রয়েছে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ শক্তি সঞ্চয়। বিজেপির যেসব বিধায়ক ও সাংসদ নিজের দলের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছেন না, তাঁদের দিকে হাত বাড়াচ্ছে শাসক শিবির।
কুণালের দাবিতে বলা হয়েছে, এই ২৭ জন বিধায়কের সঙ্গে শুধু মৌখিক নয়, regular political communication with TMC হচ্ছে। এমনকি কারা কারা যোগ দিতে পারেন, সেই তালিকা নিয়েও জল্পনা চলছে ঘাসফুল শিবিরে।
বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদদের সম্ভাব্য দলবদলের এই খবর নিঃসন্দেহে রাজনীতির মাঠে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৬ সালের নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই party switching in Bengal politics নিয়ে উত্তাপ বাড়ছে।