শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার দাবি তুললেন। নরওয়ের সংবাদমাধ্যম Dagens Naeringsliv জানায়, ট্রাম্প গত মাসে নরওয়ের অর্থমন্ত্রী জেন্স স্টলটেনবার্গ-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। আলোচনার মূল বিষয় ছিল শুল্কনীতি ও বাণিজ্য সহযোগিতা। কিন্তু কথোপকথনের মাঝেই ট্রাম্প হঠাৎই বলেন, তিনি Nobel Peace Prize চান।
প্রসঙ্গত, ইসরায়েল, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়া সহ একাধিক দেশ ট্রাম্পকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকার জন্য নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। তিনি নিজেও বহুবার বলেছেন, চারজন মার্কিন রাষ্ট্রপতির মতো তিনিও এই সম্মান পাওয়ার যোগ্য।
স্টলটেনবার্গ জানিয়েছেন, ওই ফোনালাপে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার উপস্থিত ছিলেন। তবে কথোপকথনের বিস্তারিত প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
উল্লেখযোগ্য যে, প্রতি বছর শতাধিক প্রার্থীকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। নরওয়ের সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত পাঁচ সদস্যের Norwegian Nobel Committee এই পুরস্কারের জন্য বিজয়ী নির্বাচন করে থাকে। তবে এবার ট্রাম্পের সরাসরি নোবেল পাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ট্রাম্পের দাবির পটভূমি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কার চাইছেন বলে খবর প্রকাশ্যে এসেছে। নরওয়ের ব্যবসায়িক সংবাদপত্র Dagens Naeringsliv জানিয়েছে, নরওয়ের অর্থমন্ত্রী জেন্স স্টলটেনবার্গ-এর সঙ্গে ফোনালাপে হঠাৎই ট্রাম্প বিষয়টি উত্থাপন করেন। মূলত শুল্কনীতি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়েই আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
ট্রাম্পকে ইতিমধ্যেই ইসরায়েল, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়া নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে। তিনি নিজেও বারবার দাবি করেছেন, “আমি নোবেলের যোগ্য, আমেরিকার অন্য প্রেসিডেন্টদের মতো।” এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
নোবেল নির্বাচন প্রক্রিয়া
প্রতি বছর শতাধিক প্রার্থীকে Norwegian Nobel Committee বাছাই করে। নরওয়ের সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত পাঁচজন সদস্য আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছানুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেন। তবে ট্রাম্পের সরাসরি পুরস্কার দাবি অনেককেই বিস্মিত করেছে।
Q1: ডোনাল্ড ট্রাম্প কি সত্যিই নোবেল পুরস্কার চাইছেন?
হ্যাঁ, নরওয়ের সংবাদপত্র Dagens Naeringsliv রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প সরাসরি অর্থমন্ত্রীর কাছে নোবেল চাওয়ার কথা বলেছেন।
Q2: কোন দেশগুলো ট্রাম্পকে নোবেলের জন্য মনোনীত করেছে?
ইসরায়েল, পাকিস্তান এবং কম্বোডিয়া ট্রাম্পকে মনোনীত করেছে শান্তি চুক্তি ও অস্ত্রবিরতিতে ভূমিকার জন্য।
Q3: নোবেল শান্তি পুরস্কার কীভাবে দেওয়া হয়?
নরওয়ের সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত পাঁচ সদস্যের Norwegian Nobel Committee গোপন ভোটে বিজয়ী নির্বাচন করে থাকে।
Q4: ট্রাম্পের আগে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টরা নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন?
থিওডোর রুজভেল্ট, উড্রো উইলসন, জিমি কার্টার এবং বারাক ওবামা।