ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata Banerjee on Matua citizenship issue : মতুয়া সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফেলা হচ্ছে, পাশে থাকার অঙ্গীকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Mamata Banerjee on Matua citizenship issue : মতুয়া সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফেলা হচ্ছে, পাশে থাকার অঙ্গীকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘যাঁদের ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, আজ তাঁদের নতুন করে ‘নাগরিকত্ব’ দেওয়ার নামে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে।’ এভাবেই বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন....

Mamata Banerjee on Matua citizenship issue : মতুয়া সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফেলা হচ্ছে, পাশে থাকার অঙ্গীকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata Banerjee on Matua citizenship issue : মতুয়া সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফেলা হচ্ছে, পাশে থাকার অঙ্গীকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন। ‘যাঁদের ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, আজ তাঁদের নতুন করে ‘নাগরিকত্ব’ দেওয়ার নামে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুমন তরফদার। কলকাতা সারাদিন।

‘যাঁদের ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, আজ তাঁদের নতুন করে ‘নাগরিকত্ব’ দেওয়ার নামে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে।’ এভাবেই বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের অঙ্গীকার করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা নিবিড় সংশোধন ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। আর এই আবহেই মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব প্রসঙ্গ সামনে এনে বিজেপিকে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। মতুয়া ধর্মগুরু ‘বড়মা’ বীণাপানি দেবীর তিরোধান দিবসে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, নাগরিকত্বের নামে মতুয়াদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আজ নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘সমগ্র মতুয়া সমাজের ও মতুয়া মহাসংঘের বড়মা বীণাপানি দেবীর তিরোধান দিবসে তাঁকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের প্রদর্শিত পথে মতুয়া মহাসংঘ বাংলার সামাজিক সংস্কার ও নবজাগরণের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দলিত ও অবহেলিত মানুষের অধিকার রক্ষা, শিক্ষার প্রসার এবং জাতপাতহীন এক মানবিক সমাজ গড়ার যে আন্দোলন এই মহাসংঘ শুরু করেছিল, বড়মা সারাজীবন সেই আদর্শকেই লালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে মতুয়া মহাসংঘ সামাজিক সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের এক স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বড়মার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল ব্যক্তিগত, আত্মিক। তাঁর মাতৃস্নেহের পরশ আমি নিবিড়ভাবে পেয়েছিলাম – এ আমার জীবনের পরম পাওয়া। তাঁর চিকিৎসাসহ যেকোনো দরকারে তিনি যখনই আমাকে ডেকেছেন, আমি ছুটে গেছি তাঁর কাছে। এটা আমার গর্ব, আমাদের সরকার তাঁর অসামান্য সামাজিক অবদানের জন্য বড়মা’কে রাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মান ‘বঙ্গবিভূষণ’-এ ভূষিত করেছিল। শুধু তাই নয়, মতুয়া সমাজের সার্বিক কল্যাণের জন্যও আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। মতুয়া বিকাশ পর্ষদ ও নমঃশূদ্র বিকাশ পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। পূর্ণব্রহ্ম শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরকে সম্মান জানিয়ে তাঁর জন্মদিনে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

 

ঠাকুরনগরে, ঠাকুরবাড়ির কাছাকাছি হরিচাঁদ-গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয় করা হয়েছে। কৃষ্ণনগরে গড়ে তোলা হচ্ছে হরিচাঁদ গুরুচাঁদ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সটেনশন ক্যাম্পাস। গাইঘাটায় পি আর ঠাকুর সরকারি কলেজ করা হয়েছে।পানীয় জলের জন্য হাবড়া-গাইঘাটা – ‘জলতৃপ্তি’ জল প্রকল্প করা হয়েছে। ইছামতী নদীর ওপর মুড়িঘাটা ব্রিজ ও বলদেঘাটা খালের ওপর কুঠিপাড়া নাগবাড়ী ব্রিজ তৈরী করা হয়েছে। গাইঘাটায় নতুন আইটিআই ও পলিটেকনিক কলেজ করা হয়েছে। গাইঘাটায় হয়েছে কিষাণ মান্ডি। ঠাকুরনগরের বিখ্যাত ফুলবাজার ও ফুল-চাষীদের কথা মাথায় রেখে ওখানে ফুলমান্ডি করা হচ্ছে। ঠাকুরনগরকে ঢেলে সাজানো হয়েছে।’

এরপরে মমতা টেনে এনেছেন বাংলার ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার নামে কয়েক লক্ষ মতুয়ার নাম বাদ যাওয়ার প্রসঙ্গ। তিনি লিখেছেন, ‘কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের চক্রান্তে আজ এক অস্থির ও বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে মতুয়া ভাই-বোনদের ঠেলে দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব দেবার নামে রাজনীতির খেলা চলছে। তাঁদের পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। SIR করে ইচ্ছে করে ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের বাদ দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা পুরুষানুক্রমে এদেশের নাগরিক, যাঁদের ভোটে সরকার নির্বাচিত হয়, আজ তাঁদের নতুন করে ‘নাগরিকত্ব’ দেওয়ার নামে অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। এই অন্যায় আমরা মেনে নেবো না। আমার মতুয়া ভাইবোন সহ বাংলার মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার যে চেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। বাংলার মানুষের গায়ে কোনো আঁচ পড়তে আমরা দেব না। এই বিশেষ দিনে এ আমার অঙ্গীকার।’

আজকের খবর