সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন উরফি জাভেদ আবারও শিরোনামে। তবে এবার কোনও সাহসী পোশাক নয়, বরং ঠোঁটের ইনজেকশন ও অ্যালার্জি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেই আলোচনার কেন্দ্রে তিনি।
মাত্র কয়েকদিন আগেই ইনস্টাগ্রামে একটি ভয়ংকর ছবি পোস্ট করেন উরফি, যেখানে দেখা যায় তাঁর মুখ অ্যালার্জিতে ফুলে গেছে। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “এই পৃথিবীতে কি এমন কোনও চিকিৎসক আছেন যিনি আমায় এই অ্যালার্জি থেকে রেহাই দিতে পারবেন?” প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তাঁর মুখ এইভাবে ফুলে যায়, যা অনেকেই ভুল করে ফিলার বা বোটক্স ভেবে বসেন।
মুখের ভোলবদলের ভিডিও
এই ছবি পোস্টের পরদিনই উরফি একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে দেখা যায় তিনি একটি ক্লিনিকে বসে রয়েছেন এবং তাঁর ঠোঁটে একের পর এক ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে। ভিডিওতে তাঁর ঠোঁট ফুলে ঢোল হয়ে উঠছে, যা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে মুখের চেহারার আমূল পরিবর্তন।
উরফির খোলামেলা স্বীকারোক্তি
ভিডিওর সঙ্গে উরফি ক্যাপশনে লেখেন, “এটা কোনও ফিল্টার নয়। আমি আগে যেসব ফিলার করিয়েছিলাম, সেগুলো ভুল জায়গায় বসানো হয়েছিল। এবার আমি একটি সঠিক উপায়ে, অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্যে ফিলার পুনর্বিন্যাস করছি। আমি ফিলার বা বোটক্সের বিরুদ্ধে নই, তবে এটা করতে গেলে একজন দক্ষ চিকিৎসকের পরামর্শ অত্যন্ত জরুরি।”
তিনি আরও বলেন, “আজকাল অনেক ক্লিনিক আছে যারা এই সার্ভিস দেয়, কিন্তু সবাই জানেন না কোন পদ্ধতি ঠিক, কোনটা ভুল। আমি ভাগ্যবান, কারণ আমি একজন ভালো চিকিৎসক পেয়েছি যিনি আমাকে সহায়তা করছেন।”
পুরনো অভিজ্ঞতা ও সতর্কবার্তা
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের শুরুতেও উরফি একই ধরনের অ্যালার্জিতে ভুগেছিলেন। তখনও তিনি মুখের ফুলে যাওয়ার ছবি শেয়ার করে বলেছিলেন, “চোখ লাল হয়ে যায়, ফোলাভাব থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। অনেকে ভাবে এটা সার্জারির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, কিন্তু এটা আসলে অ্যালার্জি।”
পাঠকদের জন্য পরামর্শ
উরফি জাভেদের এই সাহসী ভিডিও ও বার্তা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—যে কোনও রকম কসমেটিক চিকিৎসা করার আগে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। শুধু সৌন্দর্য বাড়াতে গিয়ে নিজের স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করা একেবারেই ঠিক নয়।