ব্রেকিং
  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Modi Shah West Bengal visit : মহালয়ার আগে-পরে বাংলায় মোদী-শাহের ডাবল ইঞ্জিন সাঁড়াশি আক্রমণ

Modi Shah West Bengal visit : মহালয়ার আগে-পরে বাংলায় মোদী-শাহের ডাবল ইঞ্জিন সাঁড়াশি আক্রমণ

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। বছর ঘুরলেই বাংলায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের বারে বারে বাংলায় ছুটে আসা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। মহালয়ার আগে-পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত....

Modi Shah West Bengal visit : মহালয়ার আগে-পরে বাংলায় মোদী-শাহের ডাবল ইঞ্জিন সাঁড়াশি আক্রমণ

  • Home /
  • West Bengal Assembly Election 2026 /
  • Modi Shah West Bengal visit : মহালয়ার আগে-পরে বাংলায় মোদী-শাহের ডাবল ইঞ্জিন সাঁড়াশি আক্রমণ

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। বছর ঘুরলেই বাংলায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

বছর ঘুরলেই বাংলায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের বারে বারে বাংলায় ছুটে আসা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে। মহালয়ার আগে-পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ—দু’জনেই বাংলায় আসতে চলেছেন। বিজেপির লক্ষ্য স্পষ্ট—দুর্গাপুজোর আবহকেই রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সংগঠনকে চাঙ্গা করা এবং কর্মীদের আত্মবিশ্বাসী করা।
গত কয়েক মাসে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ি, বর্ধমান এবং কলকাতা বিভাগের জনসভা করেছেন। এবার নবদ্বীপ বিভাগে হতে চলেছে তাঁর চতুর্থ সভা। ২০ সেপ্টেম্বর রানাঘাট লোকসভা এলাকায় অনুষ্ঠিত হতে পারে এই জনসভা। বিজেপি সূত্রের দাবি, ২০২৫ সালের মধ্যেই প্রতিটি সাংগঠনিক বিভাগে অন্তত একটি জনসভা করবেন মোদী। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে দল।
রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র বর্তমানে বিজেপির দখলে। এই এলাকা থেকেই পুজোর আগে জনসভা করার সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট। মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় বিজেপি নিজেদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।

বঙ্গ বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে এখনো পর্যন্ত ঠিক রয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর মহালয়া, আর ২২ সেপ্টেম্বর দেবীপক্ষের প্রথম দিনেই কলকাতায় থাকবেন অমিত শাহ। তাঁর কর্মসূচি মূলত দুর্গাপুজো উদ্বোধন ঘিরে। প্রথমে তিনি যাবেন সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার পুজোতে, যেখানে উদ্যোক্তা স্থানীয় বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। এরপর তিনি যাবেন ইজ়েডসিসি-তে পশ্চিমবঙ্গ সংস্কৃতি মঞ্চ আয়োজিত পুজো উদ্বোধনে। এই পুজো মূলত রাজ্য বিজেপির সাংস্কৃতিক শাখার উদ্যোগে আয়োজিত। ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছিলেন এই পুজোর। এবার শাহ সরাসরি কলকাতায় উপস্থিত হয়ে উদ্বোধন করবেন।
রাজ্য বিজেপি এই সফরসূচিকে বলছে ‘ডাবল ইঞ্জিন আক্রমণ’। কারণ মোদী মহালয়ার আগের দিন, আর শাহ দেবীপক্ষের প্রথম দিনে উপস্থিত থাকবেন। বিজেপির দাবি, এই সফরের মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।
তবে তৃণমূলও পিছিয়ে নেই। সাধারণত মোদী বা শাহ বাংলায় আসার আগে থেকেই তারা পাল্টা সুর তোলে। দাবি করে, বাংলার প্রাপ্য যেন কেন্দ্রীয় সরকার বঞ্চিত না করে। আবার প্রতিটি সভার পরেই তৃণমূল সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপির দাবি খণ্ডন করে। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, মোদী প্রতিটি বঙ্গ সফরের আগের সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করছেন। সেখানে তিনি বাংলার মানুষের সঙ্গে তাঁর আবেগের কথা বলার পাশাপাশি সরাসরি তৃণমূলকে আক্রমণ করছেন। বিজেপির মতে, এভাবে তিনি জনমনে প্রত্যাশা তৈরি করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মহালয়ার আগে-পরে মোদী ও শাহের বাংলায় বারে বারে ছুটে এসে একের পর এক কর্মসূচি রাজনৈতিক তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে। দুর্গাপুজোর মতো আবেগঘন সময়ে এমন সক্রিয়তা নিঃসন্দেহে ভোট রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বিজেপির মূল লক্ষ্য সংগঠনকে চাঙা করা হলেও, বিরোধী শিবিরও এই সুযোগ হাতছাড়া করবে না।

আজকের খবর