সুমনা মিশ্র। কলকাতা সারাদিন।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বাতিল হওয়া চাকরি ফেরতের দাবিতে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে বিধানসভায় গেলেন চাকরিহারা শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল। স্পিকারের হাতে তুলে দিলেন পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত একটি দাবিপত্র।
বিকাশ ভবনের উলটো দিকে গতকাল রাত থেকে চাকরিহারাদের প্রতিনিধি দল আমরণ অনশনে বসেছেন। তাঁরা চেয়েছিলেন ন্যায্য চাকরি ফেরত পেতে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করুক স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের আবেদনে সাড়া দেন স্পিকার। এদিন দুপুরে চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষকদের প্রতিনিধি দল পৌঁছয় বিধানসভাতে। সেখানে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন স্পিকারের সঙ্গে। তুলে দেন তাঁদের দাবিপত্র।
সূত্রের খবর, যে পাঁচ দফা দাবিতে অনশন চলছে সেই পাঁচ দফা দাবিই এদিন স্পিকারকে জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, যাঁরা ‘যোগ্য’ শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী তাঁদের শংসাপত্র ও ওএমআরের মিরর ইমেজ প্রকাশ্যে আনা হোক। তবেই কোর্টের কাছে পরিষ্কার হবে, কারা অযোগ্য। একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আইনি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে, তার আগে যেন কোনওভাবেই এই পরীক্ষার আবেদন শুরু করা না হয়। এবং নতুনদের জন্য স্বচ্ছভাবে শূন্যপদে নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে এবং সুপ্রিম কোর্টের রায়কে পুনর্বিবেচনা করতে হবে। সূত্রের খবর, স্পিকার চাকরিহারা শিক্ষকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন, তবে সরকারের তরফে আইন মেনে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
অন্যদিকে, সোমবার মধ্যরাত থেকে আমরণ অনশনে বসেছেন এসএসসি মামলায় চাকরিচ্যুত ‘যোগ্য’ শিক্ষক-শিক্ষিকারা। আন্দোলনকারীদের সংগঠন ‘যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ’ জানিয়েছে, এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বারবার আলোচনার পরেও কোনও রফাসূত্র বেরোয়নি, তাই বাধ্য হয়েই অনশন শুরু করা হয়েছে।
তাঁদের দাবি-রিভিউ ও কিউরেটিভ পিটিশনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনও ফর্ম ফিলআপ বা পরীক্ষা গ্রহণ করা চলবে না। ওএমআর শিট ও প্রার্থী তালিকার ‘মিরর ইমেজ’ প্রকাশ করতে হবে, প্যানেলের মাধ্যমে ফের যাচাই করে যোগ্যদের নাম প্রকাশ করতে হবে এবং সরকারি স্বীকৃতি দিতে হবে। অনশনরত চাকরিহারারা বলছেন, “পরীক্ষার আলোচনা কেন আসছে, পরীক্ষার আলোচনায়