শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।
২০২৬ শে ভবানীপুর নন্দীগ্রাম ২.০ হতে চলেছে। এভাবেই আগামী বছর ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রায় এক বছর বাকি থাকতে না থাকতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে তার নিজের গড় ভবানীপুরে হারানোর হুংকার দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর তার জন্য আরও একবার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দেওয়ার মত মনে করিয়ে দিলেন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কিভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামের মাটিতে হারিয়ে বিজেপির টিকিটে বিধায়ক হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হয়েছেন তিনি।
দুর্গাপূজো যখন প্রায় শুরু হয়ে গিয়েছে সেই সময় দাঁড়িয়ে কলকাতা পুলিশের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ভবানীপুর এলাকায় মহিলাদের শাড়ি বিতরণ করছে বলে একটি ভিডিও নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে বৃহস্পতিবার সকালে পোস্ট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সকালের শিরোনাম। যেখানে তাকে বলতে শোনা যাচ্ছে এই শাড়িগুলো দিদি দিয়েছে। তারপরেই শুভেন্দুর প্রশ্ন কোন পুলিশ আধিকারিক এমনভাবে রাজনৈতিক দলের নাম করে শাড়ি বিতরণ করতে পারে? শুভেন্দু লিখেছেন,
পুলিশ ≥ তৃণমূল ক্যাডার
পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ না থাকলে এই তৃণমূল দলটারই কোনো অস্তিত্ব থাকবে না, এটা আমি আগেও বলেছি। এই ভিডিও টা আবারো প্রমান সাপেক্ষে দিলাম।
এসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ভবানীপুরের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে, মদন পাল লেনের স্বরাজ সংঘ ক্লাবে এসে পাড়ার মহিলাদের শাড়ি বিতরণ করছেন, সেই সাথে বলছেন ‘দিদি দিয়েছে’। এসিপি পদাধিকারী একজন পুলিশ অফিসার কি এটা করতে পারেন?
সাধে কি আর আমি পুলিশ কে মমতা পুলিশ বলি ! কারণ এরাজ্যে পুলিশ অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ক্যাডার এ পরিণত হয়েছে, এখন তো অবস্থা এই যে তৃণমূল কে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার দায় এই সব পুলিশ কর্তার দলীয় নেতাদের চেয়ে বেশি, কারণ সরকার বদল হলে এদের অপকর্মের ফল এদেরকে ভোগ করতেই হবে।
তবে ভবানীপুরের মানুষ বুঝতে পারছেন এটা সামাজ সেবা নয় ভোটের প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু যতই বাঁটো তোলাবাজির টাকায় কেনা কাপড়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হারতেই হবে ভবানীপুরে। ২০২৬ শে ভবানীপুর নন্দীগ্রাম ২.০ হতে চলেছে…