ব্রেকিং
Latest Posts
Iskcon Mid Day Meal : ১ আগস্ট থেকে কলকাতার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল দেবে ইসকন, আলাদা করে ছাত্রছাত্রীদের ডিম দেওয়ার ঘোষণা শুভেন্দুরNEET বিতর্কের মাঝেই বাংলার টপারদের বড় সম্মান! ১০০ কৃতীকে ল্যাপটপ উপহার, ভবিষ্যতের চিকিৎসকদের উদ্দেশে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর‘ককরোচ’ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ, ছাত্র আন্দোলনে সমাজবিরোধী অনুপ্রবেশের আশঙ্কা; রাজ্যের কাছেও রিপোর্ট চাইল শীর্ষ আদালতSuvendu : ‘আপনারা বাংলায় ফিরতে শুরু করুন, কারখানায় কাজ ও সরকারি চাকরি নিশ্চিত করা হবে’ সিকিমে সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ে মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে অর্থ সাহায্য ও চাকরি তুলে দিয়ে আহ্বান শুভেন্দুরBJP protest Rally : দলীয় পতাকা ছেড়ে জাতীয় পতাকা হাতে ‘আরশোলা মারার ওষুধ’ কলকাতার দুই প্রান্তে মিছিল বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের
  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ‘ককরোচ’ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ, ছাত্র আন্দোলনে সমাজবিরোধী অনুপ্রবেশের আশঙ্কা; রাজ্যের কাছেও রিপোর্ট চাইল শীর্ষ আদালত

‘ককরোচ’ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ, ছাত্র আন্দোলনে সমাজবিরোধী অনুপ্রবেশের আশঙ্কা; রাজ্যের কাছেও রিপোর্ট চাইল শীর্ষ আদালত

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ‘শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে সমাজবিরোধীরা ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যা ঘটেছে, তা শুধুমাত্র ছাত্রদের পক্ষে করা সম্ভব নয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্যে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়তে পারে।’ নিট পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী....

‘ককরোচ’ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ, ছাত্র আন্দোলনে সমাজবিরোধী অনুপ্রবেশের আশঙ্কা; রাজ্যের কাছেও রিপোর্ট চাইল শীর্ষ আদালত

  • Home /
  • পশ্চিমবঙ্গ /
  • ‘ককরোচ’ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া পর্যবেক্ষণ, ছাত্র আন্দোলনে সমাজবিরোধী অনুপ্রবেশের আশঙ্কা; রাজ্যের কাছেও রিপোর্ট চাইল শীর্ষ আদালত

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন। ‘শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে সমাজবিরোধীরা ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

সুহানা বিশ্বাস। কলকাতা সারাদিন।

‘শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে সমাজবিরোধীরা ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যা ঘটেছে, তা শুধুমাত্র ছাত্রদের পক্ষে করা সম্ভব নয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্যে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়তে পারে।’ নিট পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে এমন তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। মহিলা, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের উপর আক্রমণের অভিযোগের আপাত বাস্তবতা আছে বলেও স্বীকার করেন প্রধান বিচারপতি। এই ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

 

ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় কেন্দ্র এবং সাতটি রাজ্যের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানিয়েছেন, রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে। তারপরই নিরপেক্ষ তদন্ত বা সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেবে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের আরও নির্দেশ, কোনও ছাত্রছাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে ক্রিমিনাল রেকর্ড থাকলে পদক্ষেপ করতে হবে পুলিশকে।অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। সিসিটিভি ফুটেজ, ড্রোন ক্যামেরা, বডি ক্যাম, অন্যান্য ক্যামেরা ভিজ্যুয়াল, ওয়ারলেস কমিউনিকেশনের ডেটা পরবর্তী তদন্তের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। পুলিশি অত্যাচারের তদন্তের জন্য ‘হাই পাওয়ার’ তদন্ত কমিটি গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে, ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ, অত্যাচারের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে রিপোর্ট তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরলম, বিহার, অসম, উত্তর প্রদেশ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

 

কেন্দ্র এবং দিল্লি সরকারের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আদালতে বলেন, ছাত্রদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ হয়ে থাকলে কেন্দ্র বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তাঁর বক্তব্য, ‘যদি অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে ঘটনায় ২৫০ জন পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন। সত্য সামনে আনতে নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার। একইসঙ্গে বাহিনীর মনোবলও ভেঙে দেওয়া উচিত নয়।’ তুষার মেহতার দাবি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্ররা হিংসায় জড়িত ছিলেন বলে মনে করেন না তিনি। অভিযোগ, আন্দোলনের মধ্যে সমাজবিরোধীরা ঢুকে পড়েছিল। খুন, ধর্ষণ এবং মাদক-সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত কিছু ব্যক্তি ওই ভিড়ে মিশে গিয়েছিল বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ প্রসঙ্গে একটি মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। গত ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে ‘সংসদ চলো’ অভিযান করেন ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভকারীরা। সেই সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় তদন্তের আবেদন করা হয়। আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা এই সংক্রান্ত মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টে।

সোমবারই মামলার পর্যবেক্ষণে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, ‘সংবিধানে শান্তিপূর্ণভাবে, আইন মেনে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করার অধিকার সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই যতক্ষণ আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে, ততক্ষণ শুধু আন্দোলন বলে লাঠিচার্জ করা যায় না।’

 

আজকের খবর