ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu against Jadavpur Mao Maku : “মাকুদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে উপড়ে ফেলার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে” যাদবপুরের মহামিছিলে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

Suvendu against Jadavpur Mao Maku : “মাকুদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে উপড়ে ফেলার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে” যাদবপুরের মহামিছিলে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। “এই মাকুদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে উপরে ফেলার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে।” এভাবেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে মাওবাদী এবং বামপন্থী ছাত্র-ছাত্রীদের উৎখাত করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের মিছিল থেকে শুভেন্দু বাম-তৃণমূলের বিরুদ্ধে একযোগে সুর....

Suvendu against Jadavpur Mao Maku : “মাকুদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে উপড়ে ফেলার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে” যাদবপুরের মহামিছিলে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu against Jadavpur Mao Maku : “মাকুদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে উপড়ে ফেলার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে” যাদবপুরের মহামিছিলে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। “এই মাকুদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে উপরে ফেলার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে।” এভাবেই....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

“এই মাকুদের রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে উপরে ফেলার কাজ ভারতীয় জনতা পার্টি করবে।” এভাবেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে মাওবাদী এবং বামপন্থী ছাত্র-ছাত্রীদের উৎখাত করার হুঁশিয়ারি দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিনের মিছিল থেকে শুভেন্দু বাম-তৃণমূলের বিরুদ্ধে একযোগে সুর চড়ান শুভেন্দু। বিজেপি যে যাদবপুর ইস্যুতে ছেড়ে কথা বলতে নারাজ তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন। সাফ বলেন, “আমরা শুধু আজ কর্মসূচি নিচ্ছি এমনটা নয়। ১৬ তারিখে আমরা যাদবপুরে নাগরিক কনভেনশন করব। উচ্চমাধ্য়িক শেষ হলে বাইরে আমরা কাজ করব। লাগাতার জনজাগরণ করব।”
যাদবপুরকাণ্ডের প্রতিবাদে পথে শুভেন্দু অধিকারী। আগে যে মিছিল হওয়ার কথা ছিল সুলেখা থেকে, সেই মিছিলের রুটই বদলে গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে। মিছিল শুরু হল নবীনা সিনেমা হলের সামনে থেকে। প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোড ধরে এগিয়ে যায় বিজেপির মিছিল। যায় যাদবপুর থানা পর্যন্ত। শুভেন্দুর সঙ্গেই মিছিলে হাঁটছেন কৌস্তভ বাগচি, ইন্দ্রনীল খাঁয়েদের মতো নেতারা। পাশাপাশি ছিলেন আরও একাধিক প্রথমসারির নেতা। কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে রবিবার দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার নবীনা সিনেমা হলের সামনে থেকে যাদবপুর থানার ১০০ মিটার আগে পর্যন্ত মিছিল করেন বিজেপি নেতা কর্মীরা।
গত শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাত্যকে ঘিরে বিক্ষোভ ও তার পর মন্ত্রীর গাড়ি এক ছাত্রকে চাপা দেওয়ার ঘটনার পর থেকে অস্থির পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ে। ঘটনার পর থেকে অসুস্থ ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। ওদিকে আন্দোলনে অনড় ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে রবিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠনের স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানোর দাবিতে মিছিলের ডাক দেয় বিজেপি। স্বভাবত সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। এর পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। শুক্রবার এক রায়ে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়, মিছিল করা যাবে। তবে কোনও লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না। মিছিল থেকে যেন কোনও পুলিশকর্মী আহত না হন। মিছিল থামবে যাদবপুর থানা থেকে ১০০ মিটার দূরে।
‘মার্ক্সবাদের বিরুদ্ধে লড়তে হবে একসাথে’-র মতো স্লোগানও তুললেন গলা ছেড়ে। বিজেপির দাবি, যাদবপুরের ভিতরের যে অচলাবস্থা তার দায় সিপিএম এবং তৃণমূলের। মিছিল থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এ তো সবে শুরু। ১৬ এপ্রিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গণকনভেনশন হবে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হলে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সেকু – মাকুদের টেনে ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে। এখানে পড়াশুনোর সুস্থ পরিবেশ ফেরাতে হবে।”
অন্যদিকে এদিনের মিছিল থেকে ব্রাত্য বসু, ওমপ্রকাশ মিশ্রদের গ্রেফতারের দাবিও ওঠে। পোস্টারও নিয়ে আসেন বিজেপি কর্মীরা। প্রসঙ্গত, শুরুতে যে রুটে বিজেপি মিছিল করতে চেয়েছিল তা করতে পারেনি। বিজেপির দাবি ছিল, যাদবপুরের ওই এলাকায় মিছিলের অনুমতি দিচ্ছিল না পুলিশ। পুলিশের অনুমতি না মেলায় আদালতের অনুমতিতে শেষ পর্যন্ত এই মিছিল বিজেপির। আদালতের নির্দেশিকা বলছে, বেলা এগারোটা থেকে তিনটে পর্যন্ত সাড়ে সাতশো সমর্থক নিয়ে এই মিছিল করতে পারবে বিজেপি। বিজেপির দাবি, তাঁরা আদালতের যাবতীয় নির্দেশিকা মেনেই এই মিছিল করছেন। প্রসঙ্গত, বিজেপির এই মিছিল মামলা কলকাতা হাইকোর্টে উঠতেই ১৩ তারিখ পর্যন্ত যাদবপুর চত্বরে সমস্ত রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে সাফ ‘না’ করে দিয়েছেন বিচারপতি।
যাদবপুর ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপি আগামী দিনে লাগাতার আন্দোলনের বার্তা দিয়েছে। শুভেন্দুর কথায়, “এই ইস্যুতে আমরা পিছু হটব না, রাজ্যে সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়ার লড়াই চালিয়ে যাবো।”


অন্যদিকে, যাদবপুরকাণ্ডে তৃণমূলের পর এবার বিজেপির হুঁশিয়ারি। কেউ বলছেন ১ মিনিটে দেখে নেবেন, কেউ আবার সময় নিয়েছিলেন ৩০ সেকেন্ড। এবার আধঘণ্টার মধ্যে যাদবপুরকে ঠান্ডা করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন বাঁকুড়ার ওন্দার বিজেপি বিধায়ক অমরনাথ শাখা।

ওন্দার বিজেপি বিধায়ক বলেন, “যাদবপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সিপিএম লুকোচুরি খেলছে। সেখানে একটা অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরি করেছে। বামপন্থীরা আর তৃণমূল চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। এবিভিপি-কে ওখানে ছেড়ে দিলে, আধঘণ্টার মধ্যে যাদবপুরকে ঠান্ডা করে দেব। একটা কলেজ আছে…যাদবপুর। যাদবপুর তো এখন সারা ভারতের প্রাণকেন্দ্র হয়ে গেছে। কারণ, চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। তৃণমূল আর সিপিএম এক হয়ে গেছে। ওই কলেজে আজকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর সিপিএম লুকোচুরি খেলছে। যাদবপুর কলেজকে একটা অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরি করেছে।এত ধরনের নোংরা কাজ হয়…আর যেখানে সমর্থন করেন এই বামপন্থীরা। এই বামপন্থীরা তো চোরে চোরে মাসতুতো ভাই। আমরা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্বকে বলব যে, সমস্ত দিক বিবেচনা করে আমাদের বিজেপির কার্যকর্তাদের, এবিভিপি-র কার্যকর্তাদের ছেড়ে দেন, আধঘণ্টার মধ্যে আমরা যাদবপুরকে ঠান্ডা করে দেব। আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি করি। আমরা কারও মুখাপেক্ষী হয়ে চলি না।”

আজকের খবর