ব্রেকিং
Latest Posts
Abhishek Banerjee attacks Amit Shah : ‘পরিবর্তন যাত্রার ভিড়ের চেয়ে জেসিবি দিয়ে মাটি কাটাও বেশি লোক দেখবে’ অমিত শাহকে কটাক্ষ অভিষেকেরMamata on women’s day : ‘আমার লক্ষ্মী দেশ জয় করে, সবারে বলে – জাগুন’ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলার নারী শক্তির জয়গান এবং মেয়েদের উন্নয়নে সরকারের কর্মকাণ্ডের খতিয়ান মমতারMamata Banerjee opposes Bengal division: “বাংলা-বিহার ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত করার চক্রান্ত রুখে দেব” ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা মমতারPrateek ur calls Mamata Tigress : ‘জব তক টাইগার মরা নেহি, তব তক টাইগার হারা নেহি’ মমতার ধরনা মঞ্চে মমতাকে বাঘিনী সম্বোধন প্রতীক উরেরPresident on Mamata : ‘হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন মমতা’ বাংলায় এসে দাবি রাষ্ট্রপতির, ‘রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ভুল বোঝানো হয়েছে’ পাল্টা তৃণমূল
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu on Waqf Unrest : ওয়াকফ বিক্ষোভে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ, শুভেন্দুরা আবেদনে ছুটির দিনেও হাইকোর্টে শুনানির পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

Suvendu on Waqf Unrest : ওয়াকফ বিক্ষোভে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ, শুভেন্দুরা আবেদনে ছুটির দিনেও হাইকোর্টে শুনানির পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আন্দোলনের জেরে মুর্শিদাবাদের অশান্ত এলাকাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ‌ আজ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আবেদনে সাড়া দিয়ে শনিবার ছুটির দিনেও নজিরবিহীন ভাবে জরুরী ভিত্তিতে শুনানির পরে এই....

Suvendu on Waqf Unrest : ওয়াকফ বিক্ষোভে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ, শুভেন্দুরা আবেদনে ছুটির দিনেও হাইকোর্টে শুনানির পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Suvendu on Waqf Unrest : ওয়াকফ বিক্ষোভে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ, শুভেন্দুরা আবেদনে ছুটির দিনেও হাইকোর্টে শুনানির পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন। ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আন্দোলনের জেরে মুর্শিদাবাদের অশান্ত এলাকাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

শোভন গায়েন। কলকাতা সারাদিন।

ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ আন্দোলনের জেরে মুর্শিদাবাদের অশান্ত এলাকাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ‌ আজ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আবেদনে সাড়া দিয়ে শনিবার ছুটির দিনেও নজিরবিহীন ভাবে জরুরী ভিত্তিতে শুনানির পরে এই নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এর আগে জরুরী ভিত্তিতে শুনানির আর্জি জানিয়ে সরাসরি প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। তাতে ছুটির দিনেও বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করা হয়। এদিন বিকেলে সেই মতো বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিলেন। শান্তিরক্ষায় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে। এদিন শুনানি শুরু হলে রাজ্য সরকারকে আধ ঘণ্টা সময় দেয় আদালত। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে তাদের মতামত চাওয়া হয়। রাজ্যের তরফে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়। রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমার খোদ মুর্শিদাবাদ রওনা দিয়েছেন বলে জানায় রাজ্য। কিন্তু আদালত শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পক্ষেই রায় দেয়। আদালত বলে, “এই ধরনের অভিযোগ এলে আদালত চোখ বন্ধ করে থাকতে পারে না। প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে কড়া শাস্তি দিতে হবে। মুর্শিদাবাদে শান্তি এবং সম্প্রীতি ফিরিয়ে আনাই এই মুহূর্তে প্রধান লক্ষ্য। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ মুর্শিদাবাদে। চাইলে অন্য জায়গাতেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ডাকা যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”

শুনানি চলাকালীন, শুভেন্দুর আইনজীবী বলেন, “যেখানে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী বলছেন অশান্তি ছড়িয়ে দেওয়া হবে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন দরকার।” শুভেন্দু আদালতে যাওয়ার আগেই রাজ্যের তরফে বিএসএফ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে মুর্শিদাবাদে সাত কোম্পানি বিএসএফ মোতায়েন করা হয়। কিন্তু শুভেন্দুর আইনজীবী দাবি করেন, জেলাশাসক বিএসএফ-কে কাজ করতে দিচ্ছেন না। তাহলে কী চান তাঁরা, জানতে চায় আদালত। এতে শুভেন্দুর আইনজীবী সিআরপিএফ মোতায়েনের নির্দেশ দিতে বলেন। কোন কোন জেলা স্পর্শকাতর আদালত জানতে চাইলে আমতলার কথা উল্লেখ করেন শুভেন্দুর আইনজীবী। জানান, সেখানে কয়েকজনকে গ্রেফতার করলে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অশান্তি শুরু হয়।

 

এতে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানায়, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ১৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এডিজি পদমর্যাদার আধিকারিকরা রয়েছেন এলাকায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এতে বিচারপতিরা জানান, ভোট পরবর্তী হিংসা-সহ বিভিন্ন সময় রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এতে রাজ্যের সুবিধাই হবে। এতে রাজ্য জানায়, পুলিশের আধিকারিকরা কেউ অদক্ষ নন। দক্ষ হাতেই পরিস্থিতি সামলানো হচ্ছে। ডিজি নিজে মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন। এতে বিচারপতি সেন বলেন, “নির্দিষ্ট কাউকে রক্ষা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। সামগ্রিক ভাবে নিরাপত্তা দিতে চাই মানুষকে। এই ধরনের অভিযোগে চোখ বন্ধ করে বসে থাকতে পারে না আদালত। প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ একসঙ্গে কাজ করুন।” আদালতের রায় শুনে শুভেন্দু বলেন, “আজকের এই রায় বাংলার মানুষের জন্য, বিশেষ করে হিন্দুদের জন্য বড় জয়, যাঁরা জেহাদি, চরমপন্থী এবং পুলিশের হাতে অত্যাচারিত। মমতা সরকারের গালে থাপ্পড় পড়ল, রাজীব কুমারের গালে থাপ্পড় পড়ল, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত অ্যালসেশিয়ান।”

 

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “দুজন হিন্দুকে গলা কেটে খুন করা হয়েছে, খুবই প্যাথেটিক খবর আমরা পেয়েছি। বাবা হরগোবিন্দ দাস এবং ছেলে চন্দন দাস। অত্যন্ত বেদনাদায়ক খবর। মুর্শিদাবাদের ভয়াবহ অবস্থা। আমাদের মানসিক অবস্থা ঠিক নেই। যে মুর্শিদাবাদ বর্তমানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সিমি এবং আনসারুল বাংলার নিয়ন্ত্রণ। এই বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, যারা রেল লাইন উপড়েছে তারা তো আর দেশপ্রেমিক হতে পারে না। তারা দেশবিরোধী এবং যারা করেছে তারা আনসারুল বাংলা, সিমির সঙ্গে যুক্ত। রেল দপ্তর অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআরও করেছে। তবে ভিডিও ফুটেজে পাওয়া যাবে, সিসিটিভি আছে।”

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সেই বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কি বক্তব্য রাখবে? ওনার নিয়ন্ত্রণেই নেই। ওনার ছাপ্পা মেরে জেতা এমএলএ, এমপিরা বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। পুরো কন্ট্রোল করছে, সিমি এবং আনসারুল বাংলা। পুরো জঙ্গিদের হাতে। যাহা ইউনুস তাহাই মমতা।”

আজকের খবর